ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শতভাগ মানসম্পন্ন বিনিয়োগ করতে পারছি না

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:০৪:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০১৯
  • ২৬৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, যে পরিমাণ বিনিয়োগ আমরা করছি, শতভাগ মানসম্পন্নভাবে তা করতে পারছি না। আমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে।

সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি ভবনে নিজ কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা পদ্মা সেতু করব, কর্ণফুলী টানেল করব বা এমআরটি (মেট্রোরেল) প্রজেক্ট করব- এগুলো তো স্বপ্ন। এখানে এগুলো বাস্তবায়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা কারো ছিল না। সুতরাং এখানে কিছুটা মিসইউজ হতে পারে। এটাকে ধরে নিয়ে কাজ করতে হবে। এটা ইন্দোনেশিয়ায় হয়েছে, মালয়েশিয়ায় হয়েছে এবং অন্যান্য দেশেও হয়েছে।

তিনি বলেন, মিসইউজের পরিমাণ কীভাবে কমানো যায়, আমরা সে চেষ্টা করে যাচ্ছি। সীমার বাইরে যেন না যায়। প্রধানমন্ত্রী আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, যাতে এটা সীমার মধ্যে থাকে। এতেই আমরা খুশি। আস্তে আস্তে আমরা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করব, তখন এগুলো কমে আসবে। যত দিন যাবে ততই অভিজ্ঞতা বাড়বে, দেশি ঠিকাদারদেরও অভিজ্ঞতা হবে। যেখানে আমরা পারি না, সেখানে আমরা বিদেশি ঠিকাদার নিয়ে নিচ্ছি। আমরা জাইকাকে দিয়ে কাজ করাচ্ছি, বড় বড় চাইনিজ কোম্পানিকে দিয়ে কাজ করাচ্ছি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনজি টিরিংক বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিশ্বাস করে, রোহিঙ্গাদের রাখাইন রাজ্যে চলে যাওয়া দরকার।

তিনি বলেন, বিভিন্ন খাতে আমরা বিনিয়োগ করেছি। কিন্তু সেগুলো থেকে আমরা এখনো ফল পাইনি। এগুলো থেকে রিটার্ন আসবে আগামী বছর থেকে। রিটার্ন পাওয়া আরম্ভ হলে অটোমেটিক্যালি প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ বেড়ে যাবে। শুধু পদ্মা সেতু হলেই প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশ বাড়াতে সাহায্যে করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শতভাগ মানসম্পন্ন বিনিয়োগ করতে পারছি না

আপডেট টাইম : ০৮:০৪:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, যে পরিমাণ বিনিয়োগ আমরা করছি, শতভাগ মানসম্পন্নভাবে তা করতে পারছি না। আমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে।

সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি ভবনে নিজ কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা পদ্মা সেতু করব, কর্ণফুলী টানেল করব বা এমআরটি (মেট্রোরেল) প্রজেক্ট করব- এগুলো তো স্বপ্ন। এখানে এগুলো বাস্তবায়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা কারো ছিল না। সুতরাং এখানে কিছুটা মিসইউজ হতে পারে। এটাকে ধরে নিয়ে কাজ করতে হবে। এটা ইন্দোনেশিয়ায় হয়েছে, মালয়েশিয়ায় হয়েছে এবং অন্যান্য দেশেও হয়েছে।

তিনি বলেন, মিসইউজের পরিমাণ কীভাবে কমানো যায়, আমরা সে চেষ্টা করে যাচ্ছি। সীমার বাইরে যেন না যায়। প্রধানমন্ত্রী আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, যাতে এটা সীমার মধ্যে থাকে। এতেই আমরা খুশি। আস্তে আস্তে আমরা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করব, তখন এগুলো কমে আসবে। যত দিন যাবে ততই অভিজ্ঞতা বাড়বে, দেশি ঠিকাদারদেরও অভিজ্ঞতা হবে। যেখানে আমরা পারি না, সেখানে আমরা বিদেশি ঠিকাদার নিয়ে নিচ্ছি। আমরা জাইকাকে দিয়ে কাজ করাচ্ছি, বড় বড় চাইনিজ কোম্পানিকে দিয়ে কাজ করাচ্ছি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনজি টিরিংক বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিশ্বাস করে, রোহিঙ্গাদের রাখাইন রাজ্যে চলে যাওয়া দরকার।

তিনি বলেন, বিভিন্ন খাতে আমরা বিনিয়োগ করেছি। কিন্তু সেগুলো থেকে আমরা এখনো ফল পাইনি। এগুলো থেকে রিটার্ন আসবে আগামী বছর থেকে। রিটার্ন পাওয়া আরম্ভ হলে অটোমেটিক্যালি প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ বেড়ে যাবে। শুধু পদ্মা সেতু হলেই প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশ বাড়াতে সাহায্যে করবে।