ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

জিডিপিতে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে: এডিবি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ২৭১ বার

হাওর বার্তাঃ চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ তার অবস্থান ধরে রাখবে বলেও আশা করছে সংস্থাটি।

বুধবার প্রকাশিত সংস্থাটির ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক ২০১৯ আপডেটে’ এ আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নিজ কার্যালয়ে ব্যাংকটির এ দেশীয় পরিচালক মনমোহন প্রকাশ বলেন, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স আরও শক্তিশালী হতে পারে।

সংস্থাটির মতে, এ উচ্চ প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে রপ্তানি, মানুষের ভোগের জন্য ব্যয় বাড়ানো, উচ্চ রেমিট্যান্স, সমন্বিত মুদ্রানীতি, বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে চলমান সংস্কার ও অবকাঠামোতে সরকারি বিনিয়োগ।

শিল্প ও কৃষি খাতে টেকসই শক্তিশালী বিকাশ ২০২০ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধিতে মূল চালিকাশক্তি হবে বলে আশা করছে এডিবি।

মনমোহন প্রকাশ বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো পর্যায়ে রয়েছে এবং তার বিকাশ অব্যাহত থাকতে পারে। ২০২০ অর্থবছরে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে, এডিবির আউটলুক ইঙ্গিত করছে যে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে বজায় থাকতে পারে বাংলাদেশ।’

বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে দুর্বলতা থাকার পরও বাংলাদেশের জন্য অনুকূল বাণিজ্যিক সম্ভাবনা প্রত্যাশা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করে এ অগ্রগতি মাঝারি ও দীর্ঘ মেয়াদে ধরে রাখার জন্য বাংলাদেশকে কতগুলো চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হবে বলে মত দেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের দরকার শিল্প খাতে প্রসারিত ভিত্তি, রপ্তানিতে বৈচিত্র্য, শহর ও গ্রামে পক্ষপাতশূন্য উন্নয়ন এবং শক্তিশালী আর্থিক ব্যবস্থা। বেসরকারি খাতকে প্রাণবন্ত করার জন্য ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে কর্তৃপক্ষকে সংস্কার কাজে গতি আনার পরামর্শ দেন।

মূসক আইনের বাস্তবায়নকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, বেসরকারি খাতের উঠতি চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের মানব সম্পদের আরও উন্নয়ন করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

জিডিপিতে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে: এডিবি

আপডেট টাইম : ০৩:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তাঃ চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ তার অবস্থান ধরে রাখবে বলেও আশা করছে সংস্থাটি।

বুধবার প্রকাশিত সংস্থাটির ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক ২০১৯ আপডেটে’ এ আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নিজ কার্যালয়ে ব্যাংকটির এ দেশীয় পরিচালক মনমোহন প্রকাশ বলেন, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স আরও শক্তিশালী হতে পারে।

সংস্থাটির মতে, এ উচ্চ প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে রপ্তানি, মানুষের ভোগের জন্য ব্যয় বাড়ানো, উচ্চ রেমিট্যান্স, সমন্বিত মুদ্রানীতি, বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে চলমান সংস্কার ও অবকাঠামোতে সরকারি বিনিয়োগ।

শিল্প ও কৃষি খাতে টেকসই শক্তিশালী বিকাশ ২০২০ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধিতে মূল চালিকাশক্তি হবে বলে আশা করছে এডিবি।

মনমোহন প্রকাশ বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো পর্যায়ে রয়েছে এবং তার বিকাশ অব্যাহত থাকতে পারে। ২০২০ অর্থবছরে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে, এডিবির আউটলুক ইঙ্গিত করছে যে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে বজায় থাকতে পারে বাংলাদেশ।’

বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে দুর্বলতা থাকার পরও বাংলাদেশের জন্য অনুকূল বাণিজ্যিক সম্ভাবনা প্রত্যাশা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করে এ অগ্রগতি মাঝারি ও দীর্ঘ মেয়াদে ধরে রাখার জন্য বাংলাদেশকে কতগুলো চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হবে বলে মত দেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের দরকার শিল্প খাতে প্রসারিত ভিত্তি, রপ্তানিতে বৈচিত্র্য, শহর ও গ্রামে পক্ষপাতশূন্য উন্নয়ন এবং শক্তিশালী আর্থিক ব্যবস্থা। বেসরকারি খাতকে প্রাণবন্ত করার জন্য ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে কর্তৃপক্ষকে সংস্কার কাজে গতি আনার পরামর্শ দেন।

মূসক আইনের বাস্তবায়নকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, বেসরকারি খাতের উঠতি চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের মানব সম্পদের আরও উন্নয়ন করতে হবে।