ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালামকে কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সংবর্ধনা প্রধানমন্ত্রীর চার বিশেষ সহকারী নিয়োগ “ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন” মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ: রাজনীতি ও শিল্পে সফলতার অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন

শীতে ঘুরে আসুন হাকালুকি হাওর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩০:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০১৫
  • ৭৫৫ বার

হাওর অঞ্চল ঘুরে এসে: এশিয়ার সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি ইকো ট্যুরিস্টদের জন্য হতে পারে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। হাওরের সৌন্দর্যের পাশাপাশি সৌন্দর্য পিপাসুদের জন্য নির্মিত ওয়াচ টাওয়ার এবং বন্যপ্রাণী বিভাগের অফিস নজর কাড়বে যে কারও।

বন্যপ্রাণী বিভাগ সূত্র হতে জানা যায়, হাকালুকি হাওরের জাল্লা বিলের পাড়ে ৫৮ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে হাকালুকি হাওরে আসা সৌন্দর্য পিপাসুদের জন্য একটি ওয়াচ টাওয়ার এবং বন্যপ্রাণী বিভাগের একটি অফিস নির্মাণ করা হচ্ছে।

ওয়াচ টাওয়ার থেকে সৌন্দর্য পিপাসুরা হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে পাবেন। বিশেষ করে শীতকালে বিকালের নরম রোদে হাওরে আসা অতিথি পাখিদের কলকাকলি উপভোগ করতে পারবেন। তাছাড়া হাওরের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বনবিভাগের একটি বিট অফিস ও স্টাফ ডরমেটরি নির্মাণ করা হচ্ছে।

এই বিট অফিসে একজন বিট অফিসার, বাগান মালি ও কয়েকজন ফরেস্ট গার্ড থাকবেন। বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই প্রকল্পের কাজ চলতি অর্থবছরে শেষ হবে বলে জানান। স্থানীয় লোকজন জানান, হাকালুকি হাওর হতে পারে সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় তীর্থস্থান। কেননা বর্ষা মৌসুমে হাওরটি পরিণত হয় বিশাল সাগরে।

বর্ষা মৌসুমে ট্যুরিস্ট বোটে করে বিশাল হাওর দর্শন এবং হিজল করচের বাগান পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে। তাছাড়া শুষ্ক মৌসুমে হাওরে দেখা মিলবে সবচেয়ে বৃহৎ অতিথি পাখির মিলনস্থল। হিজল করচের বনে হারিয়ে যাওয়ার মজাই আলাদা। মাছ আহরণ, গরু মহিষের বাথান, সেই সাথে প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য প্রকৃতি প্রেমীদের আকৃষ্ট না করে উপায় নেই।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সংরক্ষণ বিভাগ সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান জানান, এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে পর্যায়ক্রমে এখানে একটি গেস্ট হাউজ নির্মাণ করা হবে। তাছাড়া এতে বর্ষাকালে যাতায়াতের জন্য ইঞ্জিন নৌকা থাকবে। তবে এর পাশাপাশি একটি ট্যুরিস্ট বোট চালু করা হবে। যার ব্যবস্থাপনায় থাকবে স্থানীয় লোকজন। তবে কোনোভাবে পরিবেশ বিপর্যয় যাতে না হয় সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালামকে কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সংবর্ধনা

শীতে ঘুরে আসুন হাকালুকি হাওর

আপডেট টাইম : ১১:৩০:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০১৫

হাওর অঞ্চল ঘুরে এসে: এশিয়ার সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি ইকো ট্যুরিস্টদের জন্য হতে পারে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। হাওরের সৌন্দর্যের পাশাপাশি সৌন্দর্য পিপাসুদের জন্য নির্মিত ওয়াচ টাওয়ার এবং বন্যপ্রাণী বিভাগের অফিস নজর কাড়বে যে কারও।

বন্যপ্রাণী বিভাগ সূত্র হতে জানা যায়, হাকালুকি হাওরের জাল্লা বিলের পাড়ে ৫৮ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে হাকালুকি হাওরে আসা সৌন্দর্য পিপাসুদের জন্য একটি ওয়াচ টাওয়ার এবং বন্যপ্রাণী বিভাগের একটি অফিস নির্মাণ করা হচ্ছে।

ওয়াচ টাওয়ার থেকে সৌন্দর্য পিপাসুরা হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে পাবেন। বিশেষ করে শীতকালে বিকালের নরম রোদে হাওরে আসা অতিথি পাখিদের কলকাকলি উপভোগ করতে পারবেন। তাছাড়া হাওরের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বনবিভাগের একটি বিট অফিস ও স্টাফ ডরমেটরি নির্মাণ করা হচ্ছে।

এই বিট অফিসে একজন বিট অফিসার, বাগান মালি ও কয়েকজন ফরেস্ট গার্ড থাকবেন। বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই প্রকল্পের কাজ চলতি অর্থবছরে শেষ হবে বলে জানান। স্থানীয় লোকজন জানান, হাকালুকি হাওর হতে পারে সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় তীর্থস্থান। কেননা বর্ষা মৌসুমে হাওরটি পরিণত হয় বিশাল সাগরে।

বর্ষা মৌসুমে ট্যুরিস্ট বোটে করে বিশাল হাওর দর্শন এবং হিজল করচের বাগান পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে। তাছাড়া শুষ্ক মৌসুমে হাওরে দেখা মিলবে সবচেয়ে বৃহৎ অতিথি পাখির মিলনস্থল। হিজল করচের বনে হারিয়ে যাওয়ার মজাই আলাদা। মাছ আহরণ, গরু মহিষের বাথান, সেই সাথে প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য প্রকৃতি প্রেমীদের আকৃষ্ট না করে উপায় নেই।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সংরক্ষণ বিভাগ সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান জানান, এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে পর্যায়ক্রমে এখানে একটি গেস্ট হাউজ নির্মাণ করা হবে। তাছাড়া এতে বর্ষাকালে যাতায়াতের জন্য ইঞ্জিন নৌকা থাকবে। তবে এর পাশাপাশি একটি ট্যুরিস্ট বোট চালু করা হবে। যার ব্যবস্থাপনায় থাকবে স্থানীয় লোকজন। তবে কোনোভাবে পরিবেশ বিপর্যয় যাতে না হয় সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখা হবে।