ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

শীতে ঘুরে আসুন হাকালুকি হাওর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩০:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০১৫
  • ৭৬৫ বার

হাওর অঞ্চল ঘুরে এসে: এশিয়ার সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি ইকো ট্যুরিস্টদের জন্য হতে পারে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। হাওরের সৌন্দর্যের পাশাপাশি সৌন্দর্য পিপাসুদের জন্য নির্মিত ওয়াচ টাওয়ার এবং বন্যপ্রাণী বিভাগের অফিস নজর কাড়বে যে কারও।

বন্যপ্রাণী বিভাগ সূত্র হতে জানা যায়, হাকালুকি হাওরের জাল্লা বিলের পাড়ে ৫৮ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে হাকালুকি হাওরে আসা সৌন্দর্য পিপাসুদের জন্য একটি ওয়াচ টাওয়ার এবং বন্যপ্রাণী বিভাগের একটি অফিস নির্মাণ করা হচ্ছে।

ওয়াচ টাওয়ার থেকে সৌন্দর্য পিপাসুরা হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে পাবেন। বিশেষ করে শীতকালে বিকালের নরম রোদে হাওরে আসা অতিথি পাখিদের কলকাকলি উপভোগ করতে পারবেন। তাছাড়া হাওরের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বনবিভাগের একটি বিট অফিস ও স্টাফ ডরমেটরি নির্মাণ করা হচ্ছে।

এই বিট অফিসে একজন বিট অফিসার, বাগান মালি ও কয়েকজন ফরেস্ট গার্ড থাকবেন। বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই প্রকল্পের কাজ চলতি অর্থবছরে শেষ হবে বলে জানান। স্থানীয় লোকজন জানান, হাকালুকি হাওর হতে পারে সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় তীর্থস্থান। কেননা বর্ষা মৌসুমে হাওরটি পরিণত হয় বিশাল সাগরে।

বর্ষা মৌসুমে ট্যুরিস্ট বোটে করে বিশাল হাওর দর্শন এবং হিজল করচের বাগান পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে। তাছাড়া শুষ্ক মৌসুমে হাওরে দেখা মিলবে সবচেয়ে বৃহৎ অতিথি পাখির মিলনস্থল। হিজল করচের বনে হারিয়ে যাওয়ার মজাই আলাদা। মাছ আহরণ, গরু মহিষের বাথান, সেই সাথে প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য প্রকৃতি প্রেমীদের আকৃষ্ট না করে উপায় নেই।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সংরক্ষণ বিভাগ সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান জানান, এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে পর্যায়ক্রমে এখানে একটি গেস্ট হাউজ নির্মাণ করা হবে। তাছাড়া এতে বর্ষাকালে যাতায়াতের জন্য ইঞ্জিন নৌকা থাকবে। তবে এর পাশাপাশি একটি ট্যুরিস্ট বোট চালু করা হবে। যার ব্যবস্থাপনায় থাকবে স্থানীয় লোকজন। তবে কোনোভাবে পরিবেশ বিপর্যয় যাতে না হয় সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

শীতে ঘুরে আসুন হাকালুকি হাওর

আপডেট টাইম : ১১:৩০:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০১৫

হাওর অঞ্চল ঘুরে এসে: এশিয়ার সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি ইকো ট্যুরিস্টদের জন্য হতে পারে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। হাওরের সৌন্দর্যের পাশাপাশি সৌন্দর্য পিপাসুদের জন্য নির্মিত ওয়াচ টাওয়ার এবং বন্যপ্রাণী বিভাগের অফিস নজর কাড়বে যে কারও।

বন্যপ্রাণী বিভাগ সূত্র হতে জানা যায়, হাকালুকি হাওরের জাল্লা বিলের পাড়ে ৫৮ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে হাকালুকি হাওরে আসা সৌন্দর্য পিপাসুদের জন্য একটি ওয়াচ টাওয়ার এবং বন্যপ্রাণী বিভাগের একটি অফিস নির্মাণ করা হচ্ছে।

ওয়াচ টাওয়ার থেকে সৌন্দর্য পিপাসুরা হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে পাবেন। বিশেষ করে শীতকালে বিকালের নরম রোদে হাওরে আসা অতিথি পাখিদের কলকাকলি উপভোগ করতে পারবেন। তাছাড়া হাওরের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বনবিভাগের একটি বিট অফিস ও স্টাফ ডরমেটরি নির্মাণ করা হচ্ছে।

এই বিট অফিসে একজন বিট অফিসার, বাগান মালি ও কয়েকজন ফরেস্ট গার্ড থাকবেন। বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই প্রকল্পের কাজ চলতি অর্থবছরে শেষ হবে বলে জানান। স্থানীয় লোকজন জানান, হাকালুকি হাওর হতে পারে সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় তীর্থস্থান। কেননা বর্ষা মৌসুমে হাওরটি পরিণত হয় বিশাল সাগরে।

বর্ষা মৌসুমে ট্যুরিস্ট বোটে করে বিশাল হাওর দর্শন এবং হিজল করচের বাগান পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে। তাছাড়া শুষ্ক মৌসুমে হাওরে দেখা মিলবে সবচেয়ে বৃহৎ অতিথি পাখির মিলনস্থল। হিজল করচের বনে হারিয়ে যাওয়ার মজাই আলাদা। মাছ আহরণ, গরু মহিষের বাথান, সেই সাথে প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য প্রকৃতি প্রেমীদের আকৃষ্ট না করে উপায় নেই।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সংরক্ষণ বিভাগ সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান জানান, এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে পর্যায়ক্রমে এখানে একটি গেস্ট হাউজ নির্মাণ করা হবে। তাছাড়া এতে বর্ষাকালে যাতায়াতের জন্য ইঞ্জিন নৌকা থাকবে। তবে এর পাশাপাশি একটি ট্যুরিস্ট বোট চালু করা হবে। যার ব্যবস্থাপনায় থাকবে স্থানীয় লোকজন। তবে কোনোভাবে পরিবেশ বিপর্যয় যাতে না হয় সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখা হবে।