ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাটের সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত কৃষক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৫০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অগাস্ট ২০১৯
  • ৪৯৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাট কাটা ও জাগ দেওয়া শুরু হয়েছে। ফলে বিস্তির্ণ চরাঞ্চলসহ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জের কৃষক-কৃষাণীরা পাটের সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। দেখলে মনে হয় যেন দম ফেলার সময় নেই তাদের। শত ব্যস্ততার মাঝেও কৃষকেরা এবার পাটের বাম্পার ফলনে মহাখুশি।

স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানায়ায়, চলতি মওসুমে উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ২ হাজার ১০০ হেক্টর কিন্তু আবাদ হয়েছে ২ হাজার ২৫ হেক্টর। তবে বাম্পার ফলনের কারনে পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক থাকার আশা করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

সরেজমিনে গতকাল সোমবার (৫ আগষ্ট) উপজেলার সিদলা, হাজীপুর, রহিমপুর, সাহেবেরচর, জিনারী, গোবিন্দপুর,পানান,পুমদি, চর-বিশ্বনাথপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক-কৃষাণীরা পাট কাটা ও পাটের সোনালী আশঁ সংগ্রহে ব্যস্ত রয়েছেন।

এ সময় পানান গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম, সাহেবেরচরের কৃষক কামাল উদ্দিন, রহিপুরের কৃষক সেলিম মিয়া, চর-বিশ্বনাথপুরের কৃষক লাল মিয়াসহ অনেকেই জানান, এ বছর পাটের বাম্পার ফলনে তারা খুবই খুশি। তাছাড়া বর্তমান বাজারে পাটের দাম ভালো পাচ্ছেন তারা।

সূত্র মতে, এ বছর এক একর জমিতে প্রায় ১৯ থেকে ২০ মন পাট উৎপাদন হয়েছে। প্রতি মন পাট প্রকার ভেদে ১ হাজার ৪৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ১৭৫০ পর্যন্ত বিক্রি করেছেন। ফলে প্রতি একরে ৯-১০ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে কৃষকের।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ ইমরুল কায়েছ জানান, এ বছর পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমান বাজারে পাটের দামও ভালো। তবে নতুন করে কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা না দিলে কিছুটা আবাদ কম হওয়া সত্বেও  উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাটের সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত কৃষক

আপডেট টাইম : ০৪:৫০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অগাস্ট ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাট কাটা ও জাগ দেওয়া শুরু হয়েছে। ফলে বিস্তির্ণ চরাঞ্চলসহ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জের কৃষক-কৃষাণীরা পাটের সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। দেখলে মনে হয় যেন দম ফেলার সময় নেই তাদের। শত ব্যস্ততার মাঝেও কৃষকেরা এবার পাটের বাম্পার ফলনে মহাখুশি।

স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানায়ায়, চলতি মওসুমে উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ২ হাজার ১০০ হেক্টর কিন্তু আবাদ হয়েছে ২ হাজার ২৫ হেক্টর। তবে বাম্পার ফলনের কারনে পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক থাকার আশা করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

সরেজমিনে গতকাল সোমবার (৫ আগষ্ট) উপজেলার সিদলা, হাজীপুর, রহিমপুর, সাহেবেরচর, জিনারী, গোবিন্দপুর,পানান,পুমদি, চর-বিশ্বনাথপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক-কৃষাণীরা পাট কাটা ও পাটের সোনালী আশঁ সংগ্রহে ব্যস্ত রয়েছেন।

এ সময় পানান গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম, সাহেবেরচরের কৃষক কামাল উদ্দিন, রহিপুরের কৃষক সেলিম মিয়া, চর-বিশ্বনাথপুরের কৃষক লাল মিয়াসহ অনেকেই জানান, এ বছর পাটের বাম্পার ফলনে তারা খুবই খুশি। তাছাড়া বর্তমান বাজারে পাটের দাম ভালো পাচ্ছেন তারা।

সূত্র মতে, এ বছর এক একর জমিতে প্রায় ১৯ থেকে ২০ মন পাট উৎপাদন হয়েছে। প্রতি মন পাট প্রকার ভেদে ১ হাজার ৪৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ১৭৫০ পর্যন্ত বিক্রি করেছেন। ফলে প্রতি একরে ৯-১০ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে কৃষকের।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ ইমরুল কায়েছ জানান, এ বছর পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমান বাজারে পাটের দামও ভালো। তবে নতুন করে কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা না দিলে কিছুটা আবাদ কম হওয়া সত্বেও  উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।