ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

নোবেলের প্রতি যে অবিচার করা হয়েছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:২০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০১৯
  • ৩৪০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অবশেষে বাংলা সংগীত রিয়েলিটি শো ‘জি বাংলা সা রে গা মা পা ২০১৯’ চূড়ান্ত পর্ব প্রচারিত হলো। রোববার রাতে প্রচারিত হয়েছে পর্বটি। অনেক আগেই অনলাইনে ফাঁস হয়ে গিয়েছিল এই আয়োজনের চূড়ান্ত পর্বের ফলাফল। না, সেই ফলাফলের কোনো ব্যতিক্রম হয়নি।সা রে গা মা পা ২০১৯’ র সেরার মুকুট উঠেছে উত্তর চব্বিশ পরগনার অঙ্কিতার মাথায়। যৌথভাবে প্রথম রানার আপ নির্বাচিত হয়েছেন কলকাতার গৌরব এবং উত্তর দিনাজপুরের স্নিগ্ধজিৎ।

দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন নৈহাটির প্রীতম ও ওপার বাংলার মাঈনুল আহাসন নোবেল। আর কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্য স্মৃতি সম্মান দেওয়া হয়েছে সুমনকে। এই প্রতিযোগিতার ফলাফল নিয়ে খুশি হতে পারেননি নোবেলের ভক্তরা। চলার পথে, বাসে সোশ্যাল মিডিয়াতে সব খানে আলোচনা হচ্ছে বিষয়টি নিয়ে। অনেকেই বলছেন পুরো শোতে বিচারকরা যেখানে নোবেলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন চূড়ান্ত পর্বে এসে নোবেলের সঙ্গে অবিচার করেছেন তারা।

শেখ শাহাদাত তাসিন নামের এক নোবেল ভক্ত ফেসবুকে লিখেছেন, ‘অবিচার করা হয়েছে নোবেলের ওপর। এটা মানা কষ্টকর। কেননা যাকে সেরা বর্ষসেরা শিল্পী হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়েছে তার থেকে অনেক ভালো পারফরম্যান্স ছিল নোবেলের। ইন্ডিয়া কখনো বাংলাদেশর একজন শিল্পীকে পুরস্কৃত করবে না। ইন্ডিয়া সবসময় দুর্নীতি করে বাংলাদেশের সঙ্গে। এটা নতুন কিছু না। আজও তাই হলো এই গ্রেন্ড ফিনালেতে। যেমনটা দেখতে পাই ক্রিকেট খেলায়। সমস্যা নেই নোবেল সবার সেরা সেটা সাবাই জানে রেজাল্টের দিকে তাকানোর কোন প্রয়োজন নেই।’

সঙ্গীত পরিচালক শান্তনু মৈত্র, জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী মোনালি ঠাকুর এবং শ্রীকান্ত আচার্যের মন জয় করে অন্যান্যদের পেছনে ফেলে ফাইনালের টিকিট পেয়েছিল মোট ৬ জন প্রতিযোগী। সুমন, গৌরব, স্নিগ্ধজিৎ, নোবেল, অঙ্কিতা ও প্রীতম। ফাইনালে স্পেশাল গেস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সুখবিন্দর সিং। প্রসঙ্গত সা রে গা মা প ‘র মেগা ফাইনালের সম্প্রচার রোববার হলেও এর শুটিং সম্পূর্ণ হয় ২৯ জুন নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে।

তাই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ও নিউজ পোর্টালে আগে থেকেই এর ফলাফল প্রকাশ হয়ে যায়। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে রোববার সম্প্রচারের পর আবারও আলোচনা, সমালোচনা শুরু হয়েছে সা রে গা মা পা নিয়ে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নোবেলের প্রতি যে অবিচার করা হয়েছে

আপডেট টাইম : ০৫:২০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অবশেষে বাংলা সংগীত রিয়েলিটি শো ‘জি বাংলা সা রে গা মা পা ২০১৯’ চূড়ান্ত পর্ব প্রচারিত হলো। রোববার রাতে প্রচারিত হয়েছে পর্বটি। অনেক আগেই অনলাইনে ফাঁস হয়ে গিয়েছিল এই আয়োজনের চূড়ান্ত পর্বের ফলাফল। না, সেই ফলাফলের কোনো ব্যতিক্রম হয়নি।সা রে গা মা পা ২০১৯’ র সেরার মুকুট উঠেছে উত্তর চব্বিশ পরগনার অঙ্কিতার মাথায়। যৌথভাবে প্রথম রানার আপ নির্বাচিত হয়েছেন কলকাতার গৌরব এবং উত্তর দিনাজপুরের স্নিগ্ধজিৎ।

দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন নৈহাটির প্রীতম ও ওপার বাংলার মাঈনুল আহাসন নোবেল। আর কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্য স্মৃতি সম্মান দেওয়া হয়েছে সুমনকে। এই প্রতিযোগিতার ফলাফল নিয়ে খুশি হতে পারেননি নোবেলের ভক্তরা। চলার পথে, বাসে সোশ্যাল মিডিয়াতে সব খানে আলোচনা হচ্ছে বিষয়টি নিয়ে। অনেকেই বলছেন পুরো শোতে বিচারকরা যেখানে নোবেলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন চূড়ান্ত পর্বে এসে নোবেলের সঙ্গে অবিচার করেছেন তারা।

শেখ শাহাদাত তাসিন নামের এক নোবেল ভক্ত ফেসবুকে লিখেছেন, ‘অবিচার করা হয়েছে নোবেলের ওপর। এটা মানা কষ্টকর। কেননা যাকে সেরা বর্ষসেরা শিল্পী হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়েছে তার থেকে অনেক ভালো পারফরম্যান্স ছিল নোবেলের। ইন্ডিয়া কখনো বাংলাদেশর একজন শিল্পীকে পুরস্কৃত করবে না। ইন্ডিয়া সবসময় দুর্নীতি করে বাংলাদেশের সঙ্গে। এটা নতুন কিছু না। আজও তাই হলো এই গ্রেন্ড ফিনালেতে। যেমনটা দেখতে পাই ক্রিকেট খেলায়। সমস্যা নেই নোবেল সবার সেরা সেটা সাবাই জানে রেজাল্টের দিকে তাকানোর কোন প্রয়োজন নেই।’

সঙ্গীত পরিচালক শান্তনু মৈত্র, জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী মোনালি ঠাকুর এবং শ্রীকান্ত আচার্যের মন জয় করে অন্যান্যদের পেছনে ফেলে ফাইনালের টিকিট পেয়েছিল মোট ৬ জন প্রতিযোগী। সুমন, গৌরব, স্নিগ্ধজিৎ, নোবেল, অঙ্কিতা ও প্রীতম। ফাইনালে স্পেশাল গেস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সুখবিন্দর সিং। প্রসঙ্গত সা রে গা মা প ‘র মেগা ফাইনালের সম্প্রচার রোববার হলেও এর শুটিং সম্পূর্ণ হয় ২৯ জুন নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে।

তাই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ও নিউজ পোর্টালে আগে থেকেই এর ফলাফল প্রকাশ হয়ে যায়। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে রোববার সম্প্রচারের পর আবারও আলোচনা, সমালোচনা শুরু হয়েছে সা রে গা মা পা নিয়ে।