ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

৫ দিনের সরকারি সফরে আজ চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:০২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০১৯
  • ৩২৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে ৫ দিনের সরকারি সফরে আজ সোমবার চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকালে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি। এ সফরে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন বৈঠকেও যোগ দেবেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ফিরতি সফর হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সফরে গুরুত্ব পাবে বাণিজ্য ও অর্থনীতিবিষয়ক দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওই সফরে ঢাকার মূল ফোকাস থাকবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে। আর বেইজিং চাইবে ঢাকার কাছে কৌশলগত আস্থা অর্জন। পাশাপাশি চলমান রোহিঙ্গা সংকট সমস্যা সমাধানে চীনের সঙ্গে আলোচনা হবে। একই সঙ্গে ৮টি চুক্তি ও সমঝোতা সইয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, সোমবার স্থানীয় সময় মধ্য রাতে চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের ডালিয়ান ঝোউশুইঝি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সাংগ্রি-লা হোটেলে বিশ্রাম নেবেন শেখ হাসিনা। সম্ভাব্য কর্মসূচি অনুযায়ী সফরের দ্বিতীয় দিন ২ জুলাই সকালে ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন বৈঠকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্থানীয় সময় বিকালে শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারম্যান ক্লাউস সোয়াব। পরে ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘কোঅপারেশন ইন দ্য প্যাসিফিক রিম’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। ৩ জুলাই স্থানীয় সময় সকালে চীন সরকারের বিশেষ বিমানে ডালিয়ান থেকে বেইজিং যাবেন শেখ হাসিনা। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেইজিংয়ে ডিয়াওইউতাই স্টেট গেস্ট হাউসে নেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রীকে। সফরকালে সেখানেই অবস্থান করবেন শেখ হাসিনা। ৪ জুলাই দুপুরে চীনের প্রধানমন্ত্রী কেছিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।

বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। দুপুরে চীনা প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভোজে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। এ দিন বিকালে চীনের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। ৫ জুলাই বিকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাতে চীনা প্রেসিডেন্টের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।

৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরে দুই দেশের মধ্যে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে সেগুলো হলো-

১. ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) আওতাধীন এলাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা শক্তিশালী ও বৃদ্ধিকরণ চুক্তি,

২. ডিপিডিসি এলাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থার শক্তিশালী ও বৃদ্ধিকরণে ঋণ চুক্তি,

৩. ডিপিডিসি এলাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থার শক্তিশালী ও বৃদ্ধিকরণে ক্রেতা অগ্রাধিকার ঋণ চুক্তি,

৪. পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) আওতায় পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ চুক্তি,

৫. বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা চুক্তি,

৬. বিনিয়োগ সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই,

৭. ইয়ালুজংবো ও ব্রহ্মপুত্র নদীতে হাইড্রোলজিক্যাল তথ্য বিনিময় সমঝোতা স্মারক এবং

৮. সাংস্কৃতিক ও পর্যটন বিনিময় সমঝোতা স্মারক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

৫ দিনের সরকারি সফরে আজ চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৩:০২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে ৫ দিনের সরকারি সফরে আজ সোমবার চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকালে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি। এ সফরে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন বৈঠকেও যোগ দেবেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ফিরতি সফর হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সফরে গুরুত্ব পাবে বাণিজ্য ও অর্থনীতিবিষয়ক দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওই সফরে ঢাকার মূল ফোকাস থাকবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে। আর বেইজিং চাইবে ঢাকার কাছে কৌশলগত আস্থা অর্জন। পাশাপাশি চলমান রোহিঙ্গা সংকট সমস্যা সমাধানে চীনের সঙ্গে আলোচনা হবে। একই সঙ্গে ৮টি চুক্তি ও সমঝোতা সইয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, সোমবার স্থানীয় সময় মধ্য রাতে চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের ডালিয়ান ঝোউশুইঝি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সাংগ্রি-লা হোটেলে বিশ্রাম নেবেন শেখ হাসিনা। সম্ভাব্য কর্মসূচি অনুযায়ী সফরের দ্বিতীয় দিন ২ জুলাই সকালে ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন বৈঠকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্থানীয় সময় বিকালে শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারম্যান ক্লাউস সোয়াব। পরে ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘কোঅপারেশন ইন দ্য প্যাসিফিক রিম’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। ৩ জুলাই স্থানীয় সময় সকালে চীন সরকারের বিশেষ বিমানে ডালিয়ান থেকে বেইজিং যাবেন শেখ হাসিনা। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেইজিংয়ে ডিয়াওইউতাই স্টেট গেস্ট হাউসে নেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রীকে। সফরকালে সেখানেই অবস্থান করবেন শেখ হাসিনা। ৪ জুলাই দুপুরে চীনের প্রধানমন্ত্রী কেছিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।

বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। দুপুরে চীনা প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভোজে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। এ দিন বিকালে চীনের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। ৫ জুলাই বিকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাতে চীনা প্রেসিডেন্টের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।

৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরে দুই দেশের মধ্যে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে সেগুলো হলো-

১. ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) আওতাধীন এলাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা শক্তিশালী ও বৃদ্ধিকরণ চুক্তি,

২. ডিপিডিসি এলাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থার শক্তিশালী ও বৃদ্ধিকরণে ঋণ চুক্তি,

৩. ডিপিডিসি এলাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থার শক্তিশালী ও বৃদ্ধিকরণে ক্রেতা অগ্রাধিকার ঋণ চুক্তি,

৪. পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) আওতায় পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ চুক্তি,

৫. বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা চুক্তি,

৬. বিনিয়োগ সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই,

৭. ইয়ালুজংবো ও ব্রহ্মপুত্র নদীতে হাইড্রোলজিক্যাল তথ্য বিনিময় সমঝোতা স্মারক এবং

৮. সাংস্কৃতিক ও পর্যটন বিনিময় সমঝোতা স্মারক।