ঢাকা ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

২৩০ টাকায় ৫১ কেজি ওজনের কাঁঠাল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯
  • ৩২০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কাঁঠালের মালিক বাবুল মিয়া জানান, তার গাছে প্রতি বছরের মতো এবারও অনেক কাঁঠাল ধরেছে। তার মধ্যে এই কাঁঠালটি সবচেয়ে বড়। যার ওজন ছিল ৫১ কেজি। তবে বাজারে এবার কাঁঠালের ভালো দাম নেই। এ ছাড়া এত বড় কাঁঠালের ক্রেতা না থাকায় বিক্রিও করতে পারছিলেন না।

একপর্যায়ে কাঁঠালটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ওই সময় তার পরিচিত খামারগাঁও গ্রামের সঞ্জু মিয়া কাঁঠালটি ২৩০ টাকা দাম করেন। আর কেউ এত দাম না বলায় তার কাছেই তা বিক্রি করেন তিনি।

বাবুল মিয়া বলেন, বাজারে এবার ধানের চেয়েও কাঁঠালের দাম কম। তাই কম দামেই কাঁঠালটি বিক্রি করেছেন। তিনি জানান, প্রতি বছরই তার গাছে দু-একটি বড় কাঁঠাল হয়। গত বছর একটি কাঁঠালের ওজন হয়েছিল ৩৫ কেজি।

ক্রেতা সঞ্জু মিয়া বলেন, অন্যান্য বছর এত বড় কাঁঠালের দাম হতো অন্তত এক হাজার টাকা। কিন্তু এবার দাম না থাকায় মাত্র ২৩০ টাকায় কাঁঠালটি কিনতে পেরেছেন। তিনি বলেন, কাঁঠালটি পাকলে ওজন আরও বেড়ে যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

২৩০ টাকায় ৫১ কেজি ওজনের কাঁঠাল

আপডেট টাইম : ১১:৪৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কাঁঠালের মালিক বাবুল মিয়া জানান, তার গাছে প্রতি বছরের মতো এবারও অনেক কাঁঠাল ধরেছে। তার মধ্যে এই কাঁঠালটি সবচেয়ে বড়। যার ওজন ছিল ৫১ কেজি। তবে বাজারে এবার কাঁঠালের ভালো দাম নেই। এ ছাড়া এত বড় কাঁঠালের ক্রেতা না থাকায় বিক্রিও করতে পারছিলেন না।

একপর্যায়ে কাঁঠালটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ওই সময় তার পরিচিত খামারগাঁও গ্রামের সঞ্জু মিয়া কাঁঠালটি ২৩০ টাকা দাম করেন। আর কেউ এত দাম না বলায় তার কাছেই তা বিক্রি করেন তিনি।

বাবুল মিয়া বলেন, বাজারে এবার ধানের চেয়েও কাঁঠালের দাম কম। তাই কম দামেই কাঁঠালটি বিক্রি করেছেন। তিনি জানান, প্রতি বছরই তার গাছে দু-একটি বড় কাঁঠাল হয়। গত বছর একটি কাঁঠালের ওজন হয়েছিল ৩৫ কেজি।

ক্রেতা সঞ্জু মিয়া বলেন, অন্যান্য বছর এত বড় কাঁঠালের দাম হতো অন্তত এক হাজার টাকা। কিন্তু এবার দাম না থাকায় মাত্র ২৩০ টাকায় কাঁঠালটি কিনতে পেরেছেন। তিনি বলেন, কাঁঠালটি পাকলে ওজন আরও বেড়ে যাবে।