ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘বালিশকাণ্ডের’ জড়িত প্রকৌশলী মাসুদুল ছাত্রদল নয়, বাম করতেন: ফখরুল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:০০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯
  • ৩৪৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে আলোচিত ‘বালিশকাণ্ডে’ জড়িত প্রকৌশলী মাসুদুল আলম ছাত্রদল নয়, ছাত্রজীবনে বাম সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বুয়েট নয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) পড়াশোনা করেছেন বলেও দাবি বিএনপি মহাসচিবের। শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার‌্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল একথা বলেন।

গত ১৭ জুন সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের কেনাকাটায় দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রকৌশলী মাসুদুল ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের রাজনীতি করতেন বলে উল্লেখ করেন।

এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ওই ঘটনায় যিনি দায়িত্বে ছিলেন, তার কিছু পরিচয় আমরা পেয়েছি। এক সময় তিনি বুয়েটে ছাত্রদলের নির্বাচিত ভিপিও নাকি ছিলেন।’

প্রধানমন্ত্রী দেওয়া সেই বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ওই ইঞ্জিনিয়ার ছাত্রদলের, সে বুয়েটের ভিপি ছিল। এটা সর্বৈব মিথ্যা কথা। একেবারে অসত্য কথা পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলেছেন। প্রকৃত পক্ষে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুল আলম কুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিলেন। কুয়েটের এ কে ফজলুল হক হলে ২৬ নম্বর রুম থকতো। রোল নাম্বার ৯২১৩৫। সে পাশ করে ২০০০ সালে। সে কোনো দিনই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না। ছাত্রজীবনের সম্ভবত তিনি একটি বাম সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত আমরা জানি না। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সঙ্গে জড়িত।’

ছাত্রদলের চলমান কর্মসূচি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দলের এই মহাসচিব বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এখন যারা বিক্ষোভ করছে তারাসহ সকলের সঙ্গে কথা বলে সর্বসম্মতভাবে দল থেকে সিদ্ধান্ত তাদের দেওয়া হয়েছে। এখন এই আন্দোলন যুক্তিসংগত নয়। তাদের এটাও বলা হয়েছে যে তারা অন্যান্য সংগঠনের মধ্যে যেতে পারে। তাদের উচিৎ হবে এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে এই আন্দোলন বন্ধ করা। প্রয়োজনে তারা আবার কথা বলবে। তাদের আন্দোলন থেকে ফিরে আসা উচিৎ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বালিশকাণ্ডের’ জড়িত প্রকৌশলী মাসুদুল ছাত্রদল নয়, বাম করতেন: ফখরুল

আপডেট টাইম : ০৬:০০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে আলোচিত ‘বালিশকাণ্ডে’ জড়িত প্রকৌশলী মাসুদুল আলম ছাত্রদল নয়, ছাত্রজীবনে বাম সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বুয়েট নয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) পড়াশোনা করেছেন বলেও দাবি বিএনপি মহাসচিবের। শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার‌্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল একথা বলেন।

গত ১৭ জুন সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের কেনাকাটায় দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রকৌশলী মাসুদুল ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের রাজনীতি করতেন বলে উল্লেখ করেন।

এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ওই ঘটনায় যিনি দায়িত্বে ছিলেন, তার কিছু পরিচয় আমরা পেয়েছি। এক সময় তিনি বুয়েটে ছাত্রদলের নির্বাচিত ভিপিও নাকি ছিলেন।’

প্রধানমন্ত্রী দেওয়া সেই বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ওই ইঞ্জিনিয়ার ছাত্রদলের, সে বুয়েটের ভিপি ছিল। এটা সর্বৈব মিথ্যা কথা। একেবারে অসত্য কথা পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলেছেন। প্রকৃত পক্ষে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুল আলম কুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিলেন। কুয়েটের এ কে ফজলুল হক হলে ২৬ নম্বর রুম থকতো। রোল নাম্বার ৯২১৩৫। সে পাশ করে ২০০০ সালে। সে কোনো দিনই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না। ছাত্রজীবনের সম্ভবত তিনি একটি বাম সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত আমরা জানি না। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সঙ্গে জড়িত।’

ছাত্রদলের চলমান কর্মসূচি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দলের এই মহাসচিব বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এখন যারা বিক্ষোভ করছে তারাসহ সকলের সঙ্গে কথা বলে সর্বসম্মতভাবে দল থেকে সিদ্ধান্ত তাদের দেওয়া হয়েছে। এখন এই আন্দোলন যুক্তিসংগত নয়। তাদের এটাও বলা হয়েছে যে তারা অন্যান্য সংগঠনের মধ্যে যেতে পারে। তাদের উচিৎ হবে এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে এই আন্দোলন বন্ধ করা। প্রয়োজনে তারা আবার কথা বলবে। তাদের আন্দোলন থেকে ফিরে আসা উচিৎ।