ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মদন পৌর শহর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা অনেকদূর এগিয়েছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯
  • ২৯৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ টনটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৭ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেকদূর এগিয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর পূর্বে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো পয়েন্ট টেবিলের সাতে। আর পয়েন্ট ছিলো ৩। আর এই ম্যাচ জেতার কারণে বাংলাদেশের অবস্থান এখন পয়েন্ট টেবিলের ৫ নাম্বারে। এবার তাদের পাল্লা দিতে হবে, বিশ্বকাপে বড় ফেভারিট দল অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভারত এবং ইংল্যান্ডের সঙ্গে। যারা সেমিফাইনালের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। বাংলাদেশের সামনে আর বাকি চারটি ম্যাচ।

আর তা হলো, ২০শে জুন প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। পরের ম্যাচ ২৪ শে জুন প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। এরপর ২রা জুলাই প্রতিপক্ষ ভারত। আর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ৫ই জুলাই লর্ডসে পাকিস্তানের বিপক্ষে। বাংলাদেশ যদি এ ৪ ম্যাচের সবগুলো জিতে তাহলে আর কোন সমীকরণেরই দরকার হবেনা। সোজা চলে যাবে তারা সেমিফাইনালে। এমনকি ৩ ম্যাচ জিতলেও পয়েন্ট হবে ১১। সেক্ষেত্রেও সেমিফাইনালের পথ খুলে যাবে বাংলাদেশের সামনে। কারণ তাহলে নিচের কোন দলেরই আর বাংলাদেশকে টপকানোর সুযোগ থাকবে না। আর উপরের সারির চার দল যেহেতু নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেলবে তাই তারা কেউ পয়েন্ট হারালেই উপরে উঠে আসবে মাশরাফী-সাকিবরা। তবে বাংলাদেশ যদি বাকি ৪ ম্যাচের দুটিতে হেরে যায় তাহলে শেষ হয়ে যেতে পারে সেমি ফাইনালের সম্ভাবনা।

তবে সব সমীকরণ এলোমেলো করে দিতে পারে বৃষ্টি। কারণ পয়েন্ট ভাগাভাগি হলেই ওলট পালট হয়ে যাবে টেবিলের সমীকরণ। তাই প্রতিটি ম্যাচেই এখন থেকে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে। কারণ দুটো দলের যদি পয়েন্ট সমান হয় তাহলে সবার আগে দেখা হবে কে কতটি ম্যাচ জিতেছে। জয়ের সংখ্যার হিসেবে নির্ধারণ হবে সেমিফাইনাল। যদি সেটাও সমান সমান হয় তাহলে আসবে নেট রান রেট। এদিক থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ৪১.৩ ওভারেই ৩২১ রান তাড়া করে জয় অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে মাশরাফীদের।

সেমিফাইনাল খেলার বিষয়ে সাকিব আল হাসান বলেন,‘বাংলাদেশের সেমিফাইনাল খেলার লক্ষ্য পূরণে আগামী ম্যাচগুলোতেও বাংলাদেশকে ভাল খেলতে হবে। আর চারটি ম্যাচ আছে। আমরা সেমিফাইনাল খেলতে চাই। সেমিফাইনাল খেলতে হলে আমাদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে পাশাপাশি আমাদেরকে প্রত্যেককে অবদান রাখতে হবে। এখন ভালো করছি। সামনেও ভালো করবো সেটাও নিশ্চিত হতে হবে।’

ম্যাচ জয়ের জন্য শুধুমাত্র ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং’ই যথেষ্ট নয়, মানসিকভাবে শক্ত অবস্থানে থাকাটাও খুব বেশি জরুরি বলে মনে করেন সাকিব।

তিনি বলেন, ‘মাইন্ড সেট খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে মানসিক ফিটনেসটা বেশি কাজ করে। ফিটনেসটা ভালো থাকলে খুবই ভালো। যত বেশি শক্ত ও সাহস রাখা যায়, মাঠে তত বেশি ব্যাটিং করেন বা বোলিং করবেন ওই সময়টায় হেল্প করবে। নিজ থেকে যদি মনে না করেন জিততে পারবেন না, তাহলে জিততে পারবেন না। যখন মন থেকে চাইবেন যে জেতা সম্ভব, আমি জিততে চাই তাহলে দেখবেন জিতবেন। হয়তো সব সময় হবে না। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই হবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মদন পৌর শহর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা অনেকদূর এগিয়েছে

আপডেট টাইম : ১১:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ টনটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৭ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেকদূর এগিয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর পূর্বে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো পয়েন্ট টেবিলের সাতে। আর পয়েন্ট ছিলো ৩। আর এই ম্যাচ জেতার কারণে বাংলাদেশের অবস্থান এখন পয়েন্ট টেবিলের ৫ নাম্বারে। এবার তাদের পাল্লা দিতে হবে, বিশ্বকাপে বড় ফেভারিট দল অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভারত এবং ইংল্যান্ডের সঙ্গে। যারা সেমিফাইনালের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। বাংলাদেশের সামনে আর বাকি চারটি ম্যাচ।

আর তা হলো, ২০শে জুন প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। পরের ম্যাচ ২৪ শে জুন প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। এরপর ২রা জুলাই প্রতিপক্ষ ভারত। আর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ৫ই জুলাই লর্ডসে পাকিস্তানের বিপক্ষে। বাংলাদেশ যদি এ ৪ ম্যাচের সবগুলো জিতে তাহলে আর কোন সমীকরণেরই দরকার হবেনা। সোজা চলে যাবে তারা সেমিফাইনালে। এমনকি ৩ ম্যাচ জিতলেও পয়েন্ট হবে ১১। সেক্ষেত্রেও সেমিফাইনালের পথ খুলে যাবে বাংলাদেশের সামনে। কারণ তাহলে নিচের কোন দলেরই আর বাংলাদেশকে টপকানোর সুযোগ থাকবে না। আর উপরের সারির চার দল যেহেতু নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেলবে তাই তারা কেউ পয়েন্ট হারালেই উপরে উঠে আসবে মাশরাফী-সাকিবরা। তবে বাংলাদেশ যদি বাকি ৪ ম্যাচের দুটিতে হেরে যায় তাহলে শেষ হয়ে যেতে পারে সেমি ফাইনালের সম্ভাবনা।

তবে সব সমীকরণ এলোমেলো করে দিতে পারে বৃষ্টি। কারণ পয়েন্ট ভাগাভাগি হলেই ওলট পালট হয়ে যাবে টেবিলের সমীকরণ। তাই প্রতিটি ম্যাচেই এখন থেকে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে। কারণ দুটো দলের যদি পয়েন্ট সমান হয় তাহলে সবার আগে দেখা হবে কে কতটি ম্যাচ জিতেছে। জয়ের সংখ্যার হিসেবে নির্ধারণ হবে সেমিফাইনাল। যদি সেটাও সমান সমান হয় তাহলে আসবে নেট রান রেট। এদিক থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ৪১.৩ ওভারেই ৩২১ রান তাড়া করে জয় অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে মাশরাফীদের।

সেমিফাইনাল খেলার বিষয়ে সাকিব আল হাসান বলেন,‘বাংলাদেশের সেমিফাইনাল খেলার লক্ষ্য পূরণে আগামী ম্যাচগুলোতেও বাংলাদেশকে ভাল খেলতে হবে। আর চারটি ম্যাচ আছে। আমরা সেমিফাইনাল খেলতে চাই। সেমিফাইনাল খেলতে হলে আমাদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে পাশাপাশি আমাদেরকে প্রত্যেককে অবদান রাখতে হবে। এখন ভালো করছি। সামনেও ভালো করবো সেটাও নিশ্চিত হতে হবে।’

ম্যাচ জয়ের জন্য শুধুমাত্র ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং’ই যথেষ্ট নয়, মানসিকভাবে শক্ত অবস্থানে থাকাটাও খুব বেশি জরুরি বলে মনে করেন সাকিব।

তিনি বলেন, ‘মাইন্ড সেট খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে মানসিক ফিটনেসটা বেশি কাজ করে। ফিটনেসটা ভালো থাকলে খুবই ভালো। যত বেশি শক্ত ও সাহস রাখা যায়, মাঠে তত বেশি ব্যাটিং করেন বা বোলিং করবেন ওই সময়টায় হেল্প করবে। নিজ থেকে যদি মনে না করেন জিততে পারবেন না, তাহলে জিততে পারবেন না। যখন মন থেকে চাইবেন যে জেতা সম্ভব, আমি জিততে চাই তাহলে দেখবেন জিতবেন। হয়তো সব সময় হবে না। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই হবে।’