ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পুলিশের তদন্ত কমিটি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯
  • ২৭০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিতর্কিত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত প্রতিবেদন প্রভাবিত করার জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে ঘুষ দেয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি করেছে পুলিশ সদর দফতর। মঙ্গলবার তদন্তে কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা।

এটি সূত্র জানায়, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডমিন অ্যান্ড অপারেশন) ড. মইনুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের এ তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) শাহাবুদ্দীন কোরেশী ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার মিয়া মাসুদ হোসেন।

এআইজি সোহেল রানা বলেন, ‘কমিটির কাছ থেকে প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, ডিআইজি মিজানুর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

মিজানুরের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া নারী নির্যাতনেরও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের প্রমাণ পায় পুলিশের তদন্ত কমিটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।

সবশেষ মিজানুরের বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ আনেন এক সংবাদ পাঠিকা।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৫ এপ্রিল দুদক থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর চিঠি পাঠিয়ে মিজানুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে দুদক।

এরই প্রেক্ষিতে গত ৩ মে দুদক কার্যালয়ে আসেন ডিআইজি মিজানুর। ওইদিন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তার কোনো অবৈধ সম্পদ নেই। তদন্তের জন্য দুদককে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করবেন।

সম্প্রতি দুদকের প্রতিবেদনে তার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির তার (মিজান) কাছ থেকে রিপোর্ট পরিবর্তনের জন্য ৪০ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তথ্য পাচারের অভিযোগে ইতিমধ্যে তদন্ত কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে দুদক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার নারীর স্বাস্থ্যকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে

ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পুলিশের তদন্ত কমিটি

আপডেট টাইম : ১১:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিতর্কিত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত প্রতিবেদন প্রভাবিত করার জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে ঘুষ দেয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি করেছে পুলিশ সদর দফতর। মঙ্গলবার তদন্তে কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা।

এটি সূত্র জানায়, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডমিন অ্যান্ড অপারেশন) ড. মইনুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের এ তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) শাহাবুদ্দীন কোরেশী ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার মিয়া মাসুদ হোসেন।

এআইজি সোহেল রানা বলেন, ‘কমিটির কাছ থেকে প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, ডিআইজি মিজানুর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

মিজানুরের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া নারী নির্যাতনেরও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের প্রমাণ পায় পুলিশের তদন্ত কমিটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।

সবশেষ মিজানুরের বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ আনেন এক সংবাদ পাঠিকা।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৫ এপ্রিল দুদক থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর চিঠি পাঠিয়ে মিজানুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে দুদক।

এরই প্রেক্ষিতে গত ৩ মে দুদক কার্যালয়ে আসেন ডিআইজি মিজানুর। ওইদিন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তার কোনো অবৈধ সম্পদ নেই। তদন্তের জন্য দুদককে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করবেন।

সম্প্রতি দুদকের প্রতিবেদনে তার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির তার (মিজান) কাছ থেকে রিপোর্ট পরিবর্তনের জন্য ৪০ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তথ্য পাচারের অভিযোগে ইতিমধ্যে তদন্ত কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে দুদক।