ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

বৈদেশিক সূত্র থেকে ২ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৯
  • ৩০৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে আগামী তিন অর্থবছরের জন্য সরকার বৈদেশিক সহায়তা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এক্ষেত্রে ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা ছাড় করা হবে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশের কাছ থেকে। এটি অর্জনের জন্য বৈদেশিক সহায়তাসংক্রান্ত নীতিমালা তৈরিসহ চার ধরনের কৌশল নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এ লক্ষ্যমাত্রা ও কৌশল নির্ধারণ করেছে।

ইআরডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৮ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ৮ দশমিক ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ ছাড়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অনুকূলে এসব অর্থ ছাড় হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে যেসব কৌশল নেওয়া হচ্ছে সেগুলো হলো অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের লক্ষ্য অর্জনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সেতু, রেলওয়ে, আইসিটি, সড়ক, বন্দরসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে অধিক হারে বৈদেশিক সহায়তা সংগ্রহ করা। এছাড়া বৈদেশিক সহায়তা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক নীতি ও অঙ্গীকার এবং জাতীয় উন্নয়ন চাহিদা ও নীতিমালার আলোকে উন্নয়ন সহযোগিতা ব্যবস্থাপনা করা হবে। উন্নয়ন সহযোগিতার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে সরকার এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করছে। এটি অচিরেই চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় অর্থায়নের জন্য ইউএন ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (ইউএনএফসিসিসি) আওতায় গঠিত গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের (জিসিএফ) সঙ্গে বাংলাদেশ সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করবে। সর্বশেষ কৌশল হচ্ছে, দীর্ঘমেয়াদি ও সহজ শর্তের ঋণ গ্রহণের নীতি অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে এবং ঋণের স্থিতির ক্ষেত্রে বর্তমানের সন্তোষজনক অবস্থা অক্ষুণ রেখে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের জন্য বাছাই করা কঠিন শর্তের ঋণ গ্রহণ করা হবে।

ইআরডি সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য নির্ধারিত তিনটি সূচকেই প্রথমবারের মতো লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মান অর্জনে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এরই মধ্যে বাংলাদেশ নি-মধ্যম আয়ের দেশের পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। আশা করা যায়, ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলোর আলোকে ২০০৯ সাল থেকে সরকার উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, সেতু, সড়ক ও রেলসহ অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বৈদেশিক সহায়তা সংগ্রহের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের জন্য বৈদেশিক অর্থায়ন সংগ্রহের কাজ করছে ইআরডি।

সূত্র জানায়, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বৈদেশিক সহায়তার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬০০ কোটি ডলার। তার মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত প্রতিশ্রুতি এসেছে ৬০১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এর মধ্যে ঋণ হিসেবে এসেছে ৪৮৯ কোটি ৩৪ লাখ ডলার এবং অনুদান হিসেবে ১১২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার। এক্ষেত্রে অর্থবছরের চার মাস বাকি থাকতে ৮ মাসেই লক্ষ্যমাত্রার বেশি অর্জন হয়েছে। অন্যদিকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত অর্থ ছাড় হয়েছে ৪০৭ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। এর মধ্যে ঋণ হিসেবে ছাড় হয় ৩৯০ কোটি ৬৩ লাখ ডলার এবং অনুদান হিসেবে ছাড় হয় ১৭ কোটি ৩২ লাখ ডলার। ইআরডি দাবি করেছে গত ৮ মাসে যে পরিমাণ বৈদেশিক সহায়তা ছাড় হয়েছে তা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ১৫ শতাংশ বেশি। এটি বৈদেশিক সহায়তা ব্যবহারে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত করে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উন্নয়ন সহযোগী দেশ বা সংস্থার ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে ৯৯ কোটি ২ লাখ ডলার। এর মধ্যে আসল হিসেবে শোধ করা হয় ৭৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলার এবং সুদ হিসেবে দেওয়া হয়েছে ২৪ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার। ইআরডি জানায়, এরই মধ্যে বৈদেশিক সহায়তার ব্যবহার বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে শ্লথগতির প্রকল্পগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলোর গতি বাড়াতে অর্থাৎ বৈদেশিক অর্থছাড় বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

বৈদেশিক সূত্র থেকে ২ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে

আপডেট টাইম : ১২:১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে আগামী তিন অর্থবছরের জন্য সরকার বৈদেশিক সহায়তা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এক্ষেত্রে ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা ছাড় করা হবে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশের কাছ থেকে। এটি অর্জনের জন্য বৈদেশিক সহায়তাসংক্রান্ত নীতিমালা তৈরিসহ চার ধরনের কৌশল নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এ লক্ষ্যমাত্রা ও কৌশল নির্ধারণ করেছে।

ইআরডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৮ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ৮ দশমিক ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ ছাড়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অনুকূলে এসব অর্থ ছাড় হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে যেসব কৌশল নেওয়া হচ্ছে সেগুলো হলো অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের লক্ষ্য অর্জনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সেতু, রেলওয়ে, আইসিটি, সড়ক, বন্দরসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে অধিক হারে বৈদেশিক সহায়তা সংগ্রহ করা। এছাড়া বৈদেশিক সহায়তা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক নীতি ও অঙ্গীকার এবং জাতীয় উন্নয়ন চাহিদা ও নীতিমালার আলোকে উন্নয়ন সহযোগিতা ব্যবস্থাপনা করা হবে। উন্নয়ন সহযোগিতার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে সরকার এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করছে। এটি অচিরেই চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় অর্থায়নের জন্য ইউএন ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (ইউএনএফসিসিসি) আওতায় গঠিত গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের (জিসিএফ) সঙ্গে বাংলাদেশ সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করবে। সর্বশেষ কৌশল হচ্ছে, দীর্ঘমেয়াদি ও সহজ শর্তের ঋণ গ্রহণের নীতি অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে এবং ঋণের স্থিতির ক্ষেত্রে বর্তমানের সন্তোষজনক অবস্থা অক্ষুণ রেখে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের জন্য বাছাই করা কঠিন শর্তের ঋণ গ্রহণ করা হবে।

ইআরডি সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য নির্ধারিত তিনটি সূচকেই প্রথমবারের মতো লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মান অর্জনে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এরই মধ্যে বাংলাদেশ নি-মধ্যম আয়ের দেশের পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। আশা করা যায়, ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলোর আলোকে ২০০৯ সাল থেকে সরকার উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, সেতু, সড়ক ও রেলসহ অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বৈদেশিক সহায়তা সংগ্রহের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের জন্য বৈদেশিক অর্থায়ন সংগ্রহের কাজ করছে ইআরডি।

সূত্র জানায়, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বৈদেশিক সহায়তার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬০০ কোটি ডলার। তার মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত প্রতিশ্রুতি এসেছে ৬০১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এর মধ্যে ঋণ হিসেবে এসেছে ৪৮৯ কোটি ৩৪ লাখ ডলার এবং অনুদান হিসেবে ১১২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার। এক্ষেত্রে অর্থবছরের চার মাস বাকি থাকতে ৮ মাসেই লক্ষ্যমাত্রার বেশি অর্জন হয়েছে। অন্যদিকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত অর্থ ছাড় হয়েছে ৪০৭ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। এর মধ্যে ঋণ হিসেবে ছাড় হয় ৩৯০ কোটি ৬৩ লাখ ডলার এবং অনুদান হিসেবে ছাড় হয় ১৭ কোটি ৩২ লাখ ডলার। ইআরডি দাবি করেছে গত ৮ মাসে যে পরিমাণ বৈদেশিক সহায়তা ছাড় হয়েছে তা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ১৫ শতাংশ বেশি। এটি বৈদেশিক সহায়তা ব্যবহারে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত করে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উন্নয়ন সহযোগী দেশ বা সংস্থার ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে ৯৯ কোটি ২ লাখ ডলার। এর মধ্যে আসল হিসেবে শোধ করা হয় ৭৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলার এবং সুদ হিসেবে দেওয়া হয়েছে ২৪ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার। ইআরডি জানায়, এরই মধ্যে বৈদেশিক সহায়তার ব্যবহার বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে শ্লথগতির প্রকল্পগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলোর গতি বাড়াতে অর্থাৎ বৈদেশিক অর্থছাড় বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।