ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬২৩, নিখোঁজ ২৪৮২ অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ জেনে নিন বিনাখরচে কিভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়া যাবে নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে তাণ্ডবের মুখোমুখি অপু, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা ৪২ কি.মি. যানজট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আটকা শত শত গাড়ি ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

১৬ বছর বয়সী জার্মানি যুবতীরা বিবেচনায়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০১৫
  • ৩৪৩ বার

আঠারো বছরের কম বয়সে কারো বিয়ে হলে বাল্যবিয়ে হিসেবে গণ্য করা হয়৷ অথচ ১৬ বছর বয়সে বিয়ে ইউরোপেও সম্ভব৷ জার্মানিতে ১৬ বছর বয়সে বিশেষ বিবেচনায় বিয়ে হয়৷ ইউরোপের দেশ স্পেনে আগে ১৪ বছর বয়সেই বিয়ে বৈধ ছিল৷ গত জুলাইয়ে সেটা বাড়িয়ে ১৬ করা হয়েছে৷ আর জার্মানিতে ১৬ বছর বয়সীর বাবা-মা চাইলে এবং আদালত অনুমতি দিলে বিয়ে সম্ভব৷ তবে যার সঙ্গে বিয়ে হবে তার বয়স আঠারো হতে হবে৷ স্বাভাবিক নিয়মে আঠারোর নিচে বিয়ে সম্ভব নয়৷ এতটুকু পড়েই হয়তো অনেকে বলে বসবেন, আরে বাংলাদেশে তাহলে ১৬ বছর বয়সে বিয়ে নিয়ে এত হৈচৈ কেন? এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগে চলুন আরেকবার দেখে নেই, নারীর জন্য বাল্যবিয়ে কেন ক্ষতিকর- বাল্যবিয়ের শিকার মেয়েদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে প্রসবকালীন মৃত্যু৷ অধিকাংশক্ষেত্রে দেখা যায় মেয়েটির শরীর সন্তান ধারনে সক্ষম হবার আগেই সে গর্ভধারণ করছে৷ ফলে প্রসবকালীন মৃত্যুর শঙ্কা অনেক বেশি থাকে৷ অল্পবয়সে মৃত্যুর হারও তাদের মধ্যে বেশি৷ শিশুমৃত্যুর হারও অল্প বয়সে যারা গর্ভধারণ করছেন তাদের ক্ষেত্রে বেশি৷ প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অল্পবয়সী মায়েদের ক্ষেত্রে ‘প্রিমেচিউর’ শিশু এবং মৃতশিশু জন্মের হার বেশি৷ তাদের বাচ্চাদের অল্প বয়সে মৃত্যুর আশঙ্কাও বেশি থাকে৷ বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বাল্যবিয়ের শিকার হওয়া মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ বিয়ের সঙ্গে সঙ্গেই কার্যত শেষ হয়ে যায়৷ বিয়ের পর তারা বরং সন্তান নেয়া এবং পরিবারের কাজের প্রতি বেশি মনোযোগী হতে বাধ্য হয়৷ অল্প বয়সে মা হওয়া মেয়েদের ক্ষেত্রেও স্কুল ত্যাগ করার এবং অল্প বয়সে বিয়ে বসার প্রবণতা বেশি৷ পরিসংখ্যান বলছে, অল্প বয়সে বিয়ের শিকার মেয়েরা অল্প বয়সেই নিজেদের সব অধিকার হারান৷ নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবার সুযোগ তারা পান না৷ বরং পারিবারিক সহিংসতা এবং অনৈতিক নিগ্রহের শিকার হওয়ার আশঙ্কায় তারা বেশি থাকেন৷ এরকম আরো অনেক বিজ্ঞানসম্মত, সামাজিক কারণ আছে যা বাল্যবিয়ের অনুকূলে যায় না৷ আর উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে সেটা আরো অনেক বেশি প্রযোজ্য৷ শেষ করার আগে যা জানানো প্রয়োজন, জার্মানিতে ১৬ বছর বয়সে বিশেষ বিবেচনায় বিয়ের সুযোগ থাকলেও সেই সুযোগ বলতে গেলে কেউই নেন না৷ দেশটির সামাজিক ব্যবস্থা অনেক বেশি আধুনিক এবং বাস্তবসম্মত

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

১৬ বছর বয়সী জার্মানি যুবতীরা বিবেচনায়

আপডেট টাইম : ১১:২৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০১৫

আঠারো বছরের কম বয়সে কারো বিয়ে হলে বাল্যবিয়ে হিসেবে গণ্য করা হয়৷ অথচ ১৬ বছর বয়সে বিয়ে ইউরোপেও সম্ভব৷ জার্মানিতে ১৬ বছর বয়সে বিশেষ বিবেচনায় বিয়ে হয়৷ ইউরোপের দেশ স্পেনে আগে ১৪ বছর বয়সেই বিয়ে বৈধ ছিল৷ গত জুলাইয়ে সেটা বাড়িয়ে ১৬ করা হয়েছে৷ আর জার্মানিতে ১৬ বছর বয়সীর বাবা-মা চাইলে এবং আদালত অনুমতি দিলে বিয়ে সম্ভব৷ তবে যার সঙ্গে বিয়ে হবে তার বয়স আঠারো হতে হবে৷ স্বাভাবিক নিয়মে আঠারোর নিচে বিয়ে সম্ভব নয়৷ এতটুকু পড়েই হয়তো অনেকে বলে বসবেন, আরে বাংলাদেশে তাহলে ১৬ বছর বয়সে বিয়ে নিয়ে এত হৈচৈ কেন? এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগে চলুন আরেকবার দেখে নেই, নারীর জন্য বাল্যবিয়ে কেন ক্ষতিকর- বাল্যবিয়ের শিকার মেয়েদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে প্রসবকালীন মৃত্যু৷ অধিকাংশক্ষেত্রে দেখা যায় মেয়েটির শরীর সন্তান ধারনে সক্ষম হবার আগেই সে গর্ভধারণ করছে৷ ফলে প্রসবকালীন মৃত্যুর শঙ্কা অনেক বেশি থাকে৷ অল্পবয়সে মৃত্যুর হারও তাদের মধ্যে বেশি৷ শিশুমৃত্যুর হারও অল্প বয়সে যারা গর্ভধারণ করছেন তাদের ক্ষেত্রে বেশি৷ প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অল্পবয়সী মায়েদের ক্ষেত্রে ‘প্রিমেচিউর’ শিশু এবং মৃতশিশু জন্মের হার বেশি৷ তাদের বাচ্চাদের অল্প বয়সে মৃত্যুর আশঙ্কাও বেশি থাকে৷ বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বাল্যবিয়ের শিকার হওয়া মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ বিয়ের সঙ্গে সঙ্গেই কার্যত শেষ হয়ে যায়৷ বিয়ের পর তারা বরং সন্তান নেয়া এবং পরিবারের কাজের প্রতি বেশি মনোযোগী হতে বাধ্য হয়৷ অল্প বয়সে মা হওয়া মেয়েদের ক্ষেত্রেও স্কুল ত্যাগ করার এবং অল্প বয়সে বিয়ে বসার প্রবণতা বেশি৷ পরিসংখ্যান বলছে, অল্প বয়সে বিয়ের শিকার মেয়েরা অল্প বয়সেই নিজেদের সব অধিকার হারান৷ নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবার সুযোগ তারা পান না৷ বরং পারিবারিক সহিংসতা এবং অনৈতিক নিগ্রহের শিকার হওয়ার আশঙ্কায় তারা বেশি থাকেন৷ এরকম আরো অনেক বিজ্ঞানসম্মত, সামাজিক কারণ আছে যা বাল্যবিয়ের অনুকূলে যায় না৷ আর উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে সেটা আরো অনেক বেশি প্রযোজ্য৷ শেষ করার আগে যা জানানো প্রয়োজন, জার্মানিতে ১৬ বছর বয়সে বিশেষ বিবেচনায় বিয়ের সুযোগ থাকলেও সেই সুযোগ বলতে গেলে কেউই নেন না৷ দেশটির সামাজিক ব্যবস্থা অনেক বেশি আধুনিক এবং বাস্তবসম্মত