ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

যে কারণে আড়াই কেজি মরিচ খান লি ইয়ংঝাই

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০১৫
  • ৬৪১ বার

এই পৃথিবীতে প্রায় ৭’শ কোটি মানুষের বসবাস। কিন্তু তাদের জাতীয়তা, ভাষা এমনকি খাওয়া দাওয়াও আলাদা। তবে এমন অদ্ভূত লোকও আছে যার খাবারের তালিকায় স্থান পায় শুধুই মরিচ। দিন-রাত, সকাল-দুপুর সব সময় কখনো গুঁড়া, কখনো কাঁচা, কখনো আবার সিদ্ধ মরিচ স্থান পায় তার খাবারের তালিকায়। শুধু কি তাই, সারাদিনে তিনি আড়াই কেজি মরিচ খেয়ে দিব্যি সুস্থ্য থাকছেন। আর এই মরিচ খাওয়ার কারণে তিনি সবার কাছে পরিচিতি পেয়েছেন `চিলি কিং` নামে। এমন অদ্ভূত খাদ্যাভ্যাসের কারণে রীতিমতো বিখ্যাত তিনি। সবার কাছে তিনি ‘চিলি কিং’ বা ‘লঙ্কা রাজা’ নামে সুপরিচিত। `চিলি কিং` নামে পরিচিতি পাওয়া ওই ব্যক্তির আসল নাম লি ইয়ংঝাই। বাড়ি চীনের হিনান প্রদেশে। প্রতিদিন আড়াই কেজি মরিচ না খেলে নাকি ঘুম আসে না তার। নিজের বাড়ির উঠানে শখ করে লাগিয়েছেন ৮টি ভিন্ন প্রজাতির মরিচের গাছ। সেই ছোটবেলা থেকেই তার এই অভ্যাস গড়ে তোলেছেন বলে জানিয়েছেন লি ইয়ংঝাই। লি ইয়ংঝাই এরকথায়, ছোটবেলায় গোড়ে তোলা এই অভ্যাস আজও আমি ছাড়তে পারিনি। এই মরিচ খাওয়ার পরিমান যেন আমার দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। মাছ, ডিম, কিংবা মাংস খাওয়া ছাড়া চলতে পারি লি কিন্তু মরিচ ছাড়া একদিনও চলা সম্ভব নয়। এজন্য দিনে আড়াই কেজি মরিচ আমার খাবারের তালিকায় থাকে। সকালে ঘুম থেকে উঠে মানুষ যখন দাঁত ব্রাশ করতে ব্যস্ত সেই সময় তিনি বসেন যান মরিচের প্লেট নিয়ে। অদ্ভুত বিষয়টি হলো, গত ৮ বছরে লঙ্কা রাজার কোনো ছোট-বড় রোগ হয়নি। খেতে খেতেই তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। জানালেন, লঙ্কা ছাড়া আর তার অন্যকোনো খাবার মোটেও মুখে রোচে না। গত ৬ মাস দারুণ ঝাল রয়েছে এমন কোনো মরিচ খেতে না পারায় মনটা খারাপ। ‘চিলি কিং’য়ের ছেলের অবশ্য বাবার মতো হননি। তিনি অবাক, বাবা এত ঝাল খায় কি করে বুঝি না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

যে কারণে আড়াই কেজি মরিচ খান লি ইয়ংঝাই

আপডেট টাইম : ১০:১৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০১৫

এই পৃথিবীতে প্রায় ৭’শ কোটি মানুষের বসবাস। কিন্তু তাদের জাতীয়তা, ভাষা এমনকি খাওয়া দাওয়াও আলাদা। তবে এমন অদ্ভূত লোকও আছে যার খাবারের তালিকায় স্থান পায় শুধুই মরিচ। দিন-রাত, সকাল-দুপুর সব সময় কখনো গুঁড়া, কখনো কাঁচা, কখনো আবার সিদ্ধ মরিচ স্থান পায় তার খাবারের তালিকায়। শুধু কি তাই, সারাদিনে তিনি আড়াই কেজি মরিচ খেয়ে দিব্যি সুস্থ্য থাকছেন। আর এই মরিচ খাওয়ার কারণে তিনি সবার কাছে পরিচিতি পেয়েছেন `চিলি কিং` নামে। এমন অদ্ভূত খাদ্যাভ্যাসের কারণে রীতিমতো বিখ্যাত তিনি। সবার কাছে তিনি ‘চিলি কিং’ বা ‘লঙ্কা রাজা’ নামে সুপরিচিত। `চিলি কিং` নামে পরিচিতি পাওয়া ওই ব্যক্তির আসল নাম লি ইয়ংঝাই। বাড়ি চীনের হিনান প্রদেশে। প্রতিদিন আড়াই কেজি মরিচ না খেলে নাকি ঘুম আসে না তার। নিজের বাড়ির উঠানে শখ করে লাগিয়েছেন ৮টি ভিন্ন প্রজাতির মরিচের গাছ। সেই ছোটবেলা থেকেই তার এই অভ্যাস গড়ে তোলেছেন বলে জানিয়েছেন লি ইয়ংঝাই। লি ইয়ংঝাই এরকথায়, ছোটবেলায় গোড়ে তোলা এই অভ্যাস আজও আমি ছাড়তে পারিনি। এই মরিচ খাওয়ার পরিমান যেন আমার দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। মাছ, ডিম, কিংবা মাংস খাওয়া ছাড়া চলতে পারি লি কিন্তু মরিচ ছাড়া একদিনও চলা সম্ভব নয়। এজন্য দিনে আড়াই কেজি মরিচ আমার খাবারের তালিকায় থাকে। সকালে ঘুম থেকে উঠে মানুষ যখন দাঁত ব্রাশ করতে ব্যস্ত সেই সময় তিনি বসেন যান মরিচের প্লেট নিয়ে। অদ্ভুত বিষয়টি হলো, গত ৮ বছরে লঙ্কা রাজার কোনো ছোট-বড় রোগ হয়নি। খেতে খেতেই তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। জানালেন, লঙ্কা ছাড়া আর তার অন্যকোনো খাবার মোটেও মুখে রোচে না। গত ৬ মাস দারুণ ঝাল রয়েছে এমন কোনো মরিচ খেতে না পারায় মনটা খারাপ। ‘চিলি কিং’য়ের ছেলের অবশ্য বাবার মতো হননি। তিনি অবাক, বাবা এত ঝাল খায় কি করে বুঝি না।