ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

শৈত্যপ্রবাহ থাকবে আরো এক সপ্তাহ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:২২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৯
  • ৩৯৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঢাকার কিছু অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহেও এটি অব্যাহত থাকতে পারে। আজ শনিবার সকালে আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আগামী ছয় থেকে সাত দিন মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। তবে মাঝখানে একদিন শীতের প্রকোপ কম থাকতে পারে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ বিভাগসহ ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, সৈয়দপুর, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল ও ভোলা অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

তিনি আরো জানান, সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়ার রূপ ও তাপমাত্রা একই থাকতে পারে।

এদিকে আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত অবস্থান করছে। ফলে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের যে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তা অব্যাহত থাকতে পারে।

শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রাজধানীতে সর্বনিম্ন ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ ছিল উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ কিলোমিটার। এ ছাড়া বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫৬ শতাংশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শৈত্যপ্রবাহ থাকবে আরো এক সপ্তাহ

আপডেট টাইম : ০১:২২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঢাকার কিছু অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহেও এটি অব্যাহত থাকতে পারে। আজ শনিবার সকালে আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আগামী ছয় থেকে সাত দিন মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। তবে মাঝখানে একদিন শীতের প্রকোপ কম থাকতে পারে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ বিভাগসহ ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, সৈয়দপুর, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল ও ভোলা অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

তিনি আরো জানান, সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়ার রূপ ও তাপমাত্রা একই থাকতে পারে।

এদিকে আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত অবস্থান করছে। ফলে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের যে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তা অব্যাহত থাকতে পারে।

শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রাজধানীতে সর্বনিম্ন ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ ছিল উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ কিলোমিটার। এ ছাড়া বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫৬ শতাংশ।