ঢাকা ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

দুই সাহিত্যিক পেলেন শওকত ওসমান সাহিত্য পুরস্কার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারী ২০১৯
  • ৩৮০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী ছিল বুধবার। এ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো দেওয়া হলো কথাশিল্পী শওকত ওসমান সাহিত্য পুরস্কার-২০১৯। যৌথভাবে এ পুরস্কার পেয়েছেন কথাসাহিত্যিক হারুন পাশা ও রাশেদ রহমান।

বুধবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও অর্থমূল্য তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় শওকত ওসমান ডাকটিকিট অবমুক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাষাসংগ্রামী কবি আহমদ রফিক। সম্মানিত অতিথি ছিলেন প্রাক্তন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মণ্ডল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ আকবর হুসাইন, সাহিত্যিক আন্দালিব রাশদী প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রকিবুল ইসলাম লিটু।

আহমদ রফিক বলেন, বাংলা কথাসাহিত্যে শওকত ওসমান মহান পুরুষ ছিলেন। সাহিত্যচর্চার বাইরেও তার ব্যক্তিগত আচরণ ও জীবনধারণের পদ্ধতি আকৃষ্ট করত। শওকত ওসমানের প্রিয় বিষয় ছিল দেশ। পাকিস্তানের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ নিয়ে তিনি কখনও আবেগ-বিহ্বল ছিলেন না। বরং পাকিস্তানের দুই অংশের বন্ধনের দৃঢ়তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন।

বক্তারা বলেন, সাহিত্যের বিভিন্ন ঘরানায় প্রায় ছয় দশক শওকত ওসমানের সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। শুরু থেকেই তার গল্প ও উপন্যাসে সব ধরনের অন্যায়, অবিচার, শোষণের বিরুদ্ধে গণমানুষের কথামালা এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ওঠে আসে।

প্রসঙ্গত, হারুন পাশা পেয়েছেন ‘তিস্তা’ উপন্যাসের জন্য, আর রাশেদ রহমান পেয়েছেন ‘বিষলক্ষার ছুরি’ গ্রন্থের জন্য।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

দুই সাহিত্যিক পেলেন শওকত ওসমান সাহিত্য পুরস্কার

আপডেট টাইম : ০২:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারী ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী ছিল বুধবার। এ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো দেওয়া হলো কথাশিল্পী শওকত ওসমান সাহিত্য পুরস্কার-২০১৯। যৌথভাবে এ পুরস্কার পেয়েছেন কথাসাহিত্যিক হারুন পাশা ও রাশেদ রহমান।

বুধবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও অর্থমূল্য তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় শওকত ওসমান ডাকটিকিট অবমুক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাষাসংগ্রামী কবি আহমদ রফিক। সম্মানিত অতিথি ছিলেন প্রাক্তন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মণ্ডল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ আকবর হুসাইন, সাহিত্যিক আন্দালিব রাশদী প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রকিবুল ইসলাম লিটু।

আহমদ রফিক বলেন, বাংলা কথাসাহিত্যে শওকত ওসমান মহান পুরুষ ছিলেন। সাহিত্যচর্চার বাইরেও তার ব্যক্তিগত আচরণ ও জীবনধারণের পদ্ধতি আকৃষ্ট করত। শওকত ওসমানের প্রিয় বিষয় ছিল দেশ। পাকিস্তানের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ নিয়ে তিনি কখনও আবেগ-বিহ্বল ছিলেন না। বরং পাকিস্তানের দুই অংশের বন্ধনের দৃঢ়তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন।

বক্তারা বলেন, সাহিত্যের বিভিন্ন ঘরানায় প্রায় ছয় দশক শওকত ওসমানের সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। শুরু থেকেই তার গল্প ও উপন্যাসে সব ধরনের অন্যায়, অবিচার, শোষণের বিরুদ্ধে গণমানুষের কথামালা এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ওঠে আসে।

প্রসঙ্গত, হারুন পাশা পেয়েছেন ‘তিস্তা’ উপন্যাসের জন্য, আর রাশেদ রহমান পেয়েছেন ‘বিষলক্ষার ছুরি’ গ্রন্থের জন্য।