ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ম্যাজিস্ট্রেসি ছেড়ে রাজনীতিতে, সালাহউদ্দিনের একাল-সেকাল উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া প্রশাসনের নাকের ডগায় ভুয়া জার্মান ক্লাব বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা ঢাকা উত্তরে দুই, দক্ষিণে চার নেতা আলোচনায় বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী নয় বছর পর খুলল ওসমানী উদ্যান পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘সেরা পরামর্শ’ দিয়েছিলেন: ইশরাক প্রশাসনের নাকের ডগায় অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি’ বলে অভয় দেওয়া হয় আমন্ত্রিতদের ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাইবার সুরক্ষাসহ গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

ব্রিজ আছে, তবুও একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৮
  • ৪০৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সড়ক আছে, সরকারিভাবে জনসাধারণের চলাচলের জন্য ব্রিজও নির্মাণ করা হয়েছে। তারপরও প্রায় ৩ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো! প্রতিদিনই বাঁশোর সাঁকো দিয়ে স্কুল, কলেজের শিশু থেকে সকল বয়সী মানুষের দুর্ভোগের মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে ব্রিজের সাথে বাঁশের সাঁকো দিয়ে।

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের সাঙ্গুরা-রতনদিয়া সড়কের কেদার হালটের উপর ব্রিজটি স্থাপন করা হয় ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভার্ট কর্মসূচির আওতায় উপজেলার সাগুরা-রতনদিয়া রাস্তার কেদার হালটে ১৭,৯৩,৬৭৯ টাকা ব্যয়ে ২২ ফুট দৈর্ঘ্যর ব্রিজ নির্মাণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাঙ্গুরা, সিন্নাতপুর, সন্ধ্যা, রতনদিয়া গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষের মাঠ থেকে ফসল আনতে হলে ব্রিজটি একমাত্র ভরসা। এছাড়া সাঙ্গুড়া থেকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার কোলারহাট যাতায়াতের সহজ পথ হিসেবে এই ব্রিজটি একমাত্র মাধ্যম।

এই বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভার্ট কর্মসূচির আওতায় ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের পরই ব্রিজটি কিছুটা দেবে যায়। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে সাথে তীব্র পানির স্রোতের কারণে ব্রিজের এক অংশ থেকে মাটি ভেঙে আবার খালের সৃষ্টি হয়। এতে ব্রিজটি দিয়ে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলসহ মাঠ থেকে ফসল আনতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। চলাচলের জন্য স্থানীয়ভাবে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। ব্রিজটির এ অবস্থার কারণে সাঙ্গুরা, সিন্নাতপুর, সন্ধ্যা, রতনদিয়া গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষের দুর্ভোগ এখন নিত্য দিনের হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আকাশ আহম্মেদ, গিয়াস মিয়া, নিজাম তালুকদার, মতিয়ার মোল্যা জানান, ব্রিজটি নির্মাণ করার পর খুব বেশি দিন আমরা ব্যবহর করতে পারি নাই। বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রিজটি দিয়ে চলাচল উপযোগী করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ব্রিজটি দিয়ে সাঙ্গুরা থেকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার কোলারহাট যাতায়াতের সহজ পথ হওয়ার কারণে আমাদের জন্য ব্রিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তাছাড়াও সাঙ্গুরা, সিন্নাতপুর, সন্ধ্যা, রতনদিয়া গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষের দুর্ভোগ এখন আমাদের নিত্য দিনের হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রিজটি যাতে দ্রুত সংস্কার পূর্বক চলাচলের উপযোগী করা হয় তার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা বলেন, ব্রিজের বর্তমান অবস্থা আমার জানা নেই। বছর খানেক আগে হেড অফিস থেকে লোক এসে তদন্ত করে গেছে। তারা এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা আমাকে দেয় নাই। ব্রিজ দিয়ে চলাচল উপযোগী করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ম্যাজিস্ট্রেসি ছেড়ে রাজনীতিতে, সালাহউদ্দিনের একাল-সেকাল

ব্রিজ আছে, তবুও একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো

আপডেট টাইম : ১০:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সড়ক আছে, সরকারিভাবে জনসাধারণের চলাচলের জন্য ব্রিজও নির্মাণ করা হয়েছে। তারপরও প্রায় ৩ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো! প্রতিদিনই বাঁশোর সাঁকো দিয়ে স্কুল, কলেজের শিশু থেকে সকল বয়সী মানুষের দুর্ভোগের মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে ব্রিজের সাথে বাঁশের সাঁকো দিয়ে।

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের সাঙ্গুরা-রতনদিয়া সড়কের কেদার হালটের উপর ব্রিজটি স্থাপন করা হয় ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভার্ট কর্মসূচির আওতায় উপজেলার সাগুরা-রতনদিয়া রাস্তার কেদার হালটে ১৭,৯৩,৬৭৯ টাকা ব্যয়ে ২২ ফুট দৈর্ঘ্যর ব্রিজ নির্মাণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাঙ্গুরা, সিন্নাতপুর, সন্ধ্যা, রতনদিয়া গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষের মাঠ থেকে ফসল আনতে হলে ব্রিজটি একমাত্র ভরসা। এছাড়া সাঙ্গুড়া থেকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার কোলারহাট যাতায়াতের সহজ পথ হিসেবে এই ব্রিজটি একমাত্র মাধ্যম।

এই বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভার্ট কর্মসূচির আওতায় ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের পরই ব্রিজটি কিছুটা দেবে যায়। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে সাথে তীব্র পানির স্রোতের কারণে ব্রিজের এক অংশ থেকে মাটি ভেঙে আবার খালের সৃষ্টি হয়। এতে ব্রিজটি দিয়ে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলসহ মাঠ থেকে ফসল আনতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। চলাচলের জন্য স্থানীয়ভাবে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। ব্রিজটির এ অবস্থার কারণে সাঙ্গুরা, সিন্নাতপুর, সন্ধ্যা, রতনদিয়া গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষের দুর্ভোগ এখন নিত্য দিনের হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আকাশ আহম্মেদ, গিয়াস মিয়া, নিজাম তালুকদার, মতিয়ার মোল্যা জানান, ব্রিজটি নির্মাণ করার পর খুব বেশি দিন আমরা ব্যবহর করতে পারি নাই। বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রিজটি দিয়ে চলাচল উপযোগী করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ব্রিজটি দিয়ে সাঙ্গুরা থেকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার কোলারহাট যাতায়াতের সহজ পথ হওয়ার কারণে আমাদের জন্য ব্রিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তাছাড়াও সাঙ্গুরা, সিন্নাতপুর, সন্ধ্যা, রতনদিয়া গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষের দুর্ভোগ এখন আমাদের নিত্য দিনের হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রিজটি যাতে দ্রুত সংস্কার পূর্বক চলাচলের উপযোগী করা হয় তার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা বলেন, ব্রিজের বর্তমান অবস্থা আমার জানা নেই। বছর খানেক আগে হেড অফিস থেকে লোক এসে তদন্ত করে গেছে। তারা এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা আমাকে দেয় নাই। ব্রিজ দিয়ে চলাচল উপযোগী করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।