ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মহাসড়কের বুক চিরে প্রকৃতির রঙিন সৌন্দর্য বিদ্যালয়ে ভর্তিতে লটারি বাতিলের দাবি মেধাভিত্তিক মূল্যায়নের দাবিতে ভিকারুননিসা অ্যালামনাইয়ের ব্যাখ্যা যে ৭ সবজি অতিরিক্ত খেলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে যে পাঁচটি সিনেমা ভ্রমণপিপাসুদের অবশ্যই দেখা উচিত সৌদিতে মিসাইল হামলায় দগ্ধ প্রবাসী মামুনের মৃত্যু ঈদের ছুটিতে প্রায় ফাঁকা রাজধানী দেশে প্রথমবারের মতো চালু পেট অ্যাম্বুলেন্স, নেটিজেনদের প্রশংসা নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের অনলাইন প্রতারণা ঠেকাতে নুতন এআই টুল আনছে মেটা

সৈয়দ আশরাফ সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:২০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮
  • ৩৭১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমরা আশা করছি, তিনি সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন’, কয়েক মাস ধরে বিদেশের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সম্পর্কে বললেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা এ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হক।

কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা সাংবাদিককে জানান, ‘স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সকলেই প্রত্যাশা করছেন, তিনি এসে এই আসনে নির্বাচন করবেন।’

কিন্তু সৈয়দ আশরাফ যদি শারীরিক কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, তাহলে কেমন হবে কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগের ভোটযুদ্ধের চেহারা? আশরাফের অনুপস্থিতিতে কে ধরবেন নৌকার হাল? জাতীয় সংসদ নির্বাচন দোরগোড়ায় উপস্থিত হলেও এসব প্রশ্নের উত্তর কেউ দিতে পারছেন না।

কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সঙ্গে কথা বলে সুস্পষ্ট কোনো বিকল্পের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সবাই একটি কথা জোর দিয়ে বলেছেন, ‘সৈয়দ আশরাফ সুস্থ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলে কোনো বিকল্পের প্রয়োজন হবে না। তবে তিনি যদি অগত্যা আসতেই না পারেন, তাহলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষে সম্মিলিত হয়ে একক প্রার্থী বাছাই করা কষ্টকর হবে।’

কিশোরগঞ্জের রাজনীতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র মনে করছে, ‘সৈয়দ আশরাফের স্থলে সৈয়দ পরিবারের কেউ একজন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইবেন, যদিও তেমন কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে আসেননি।’ বিশ্লেষকরা আরও মনে করেন, ‘জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের এলাকার এই আসনটি সৈয়দ পরিবার নিজেদের মধ্যে ধরে রাখতে চাইবে।’

অন্যদিকে, সৈয়দ আশরাফের অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির মেজো পুত্র রাসেল আহমেদ তুহিন কয়েক মাসধরে ব্যাপক জনসংযোগ ও জনসমাবেশ করে চলেছেন। সরাসরি নিজের প্রার্থীতা উত্থাপন না করলেও দল মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

উপরন্তু মাঠে নানা ধরনের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ এবং প্রচার-প্রচারণা নিয়ে সরব রয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক কৃষিবিদ মশিয়ূর রহমান হুমায়ূন।

কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র সাংবাদিককে নিশ্চিত করেছে, ‘প্রকাশ্যে একাধিক প্রার্থী ছাড়াও আওয়ামী লীগের জেলা স্তরের বেশ কয়েকজন নেতা তৃণমূলে নিজের প্রার্থীতা নিয়ে কাজ করছেন। কিশোরগঞ্জ সদরের বাসিন্দা হিসাবে তারা প্রতিনিয়ত জনসংযোগ করছেন, যা প্রচারের আলোয় আসছে না। দলের ইউনিয়ন ও গ্রামে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সময় তাদের নামও সামনে চলে আসবে।’

বস্তুত পক্ষে, সৈয়দ আশরাফের অবর্তমানে কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগে প্রকাশ্যে ও গোপনে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজ করায় এদের মধ্যে ঐক্যমতের ভিত্তিতে একজন প্রার্থী নির্ধারণ করা কতটুকু সম্ভব হবে, এ ব্যাপারেও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন, ‘বড় দল হিসেবে আওয়ামী লীগে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকা অস্বাভাবিক নয়। তবে শেষ পর্যন্ত স্থানীয় নেতা-কর্মী ও জনগণের মধ্যে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার নিরিখে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপরই সব কিছু নির্ভর করবে।’

এদিকে জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রার্থীতার বিষয়ে দলের স্পষ্ট ইঙ্গিত না থাকায় কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগে সাংগঠনিক স্থবিরতা বিরাজ করছে। দলের নেতা-কর্মীরা দিক-নির্দেশনা ও উৎসাহ না পেয়ে এক ধরনের অপেক্ষার প্রহর কাটাচ্ছে। কেউ কেউ বিভিন্ন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে জুটে প্রচারণার কাজ চালালেও দলের জেলা, উপজেলা, শহর কমিটিগুলো রয়েছে নীরব।

কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র নেতা সাংবাদিককে জানান, ‘দলের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে এখনো কোনো প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়নি। সবাই আশা করছি দলের সিনিয়র নেতা সৈয়দ আশরাফ অচিরেই সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে এসে নির্বাচন করবেন। যদি তা একেবারেই সম্ভব না হয়, তাহলে আমরা দলীয় ফোরামে আলাপ-আলোচনা করে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবো। আমরা চেষ্টা করবো, মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্য থেকে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্যতম কাউকে বেছে নিতে।’

‘এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে মূল বিষয় হলো- সৈয়দ আশরাফের সুস্থতা। কারণ কিশোরগঞ্জ-১ আসনের জনগণ ও নেতা-কর্মীরা তার ফিরে আসার অপেক্ষায় উন্মুখ। তিনি আসতে পারবেন না মর্মে নিশ্চিত হলেই এই আসনে অন্য বিকল্প প্রার্থীর প্রসঙ্গ দলীয় আলোচনায় স্থান পাবে, তার আগে নয়’, বললেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের একাংশ।

অন্য একটি অংশ মনে করে, ‘কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের এই আসনটি দলীয় রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সৈয়দ আশরাফের পাশাপাশি এখানে অবশ্যই বিকল্প নেতৃত্ব গড়ে তোলা দরকার। তাহলে নেতৃত্বের শূন্যতা হবে না ও মনোনয়ন প্রত্যাশী বিভিন্ন প্রার্থীর মধ্যে গ্রুপিং-এর কোনো সুযোগ থাকবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মহাসড়কের বুক চিরে প্রকৃতির রঙিন সৌন্দর্য

সৈয়দ আশরাফ সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন

আপডেট টাইম : ০৫:২০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমরা আশা করছি, তিনি সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন’, কয়েক মাস ধরে বিদেশের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সম্পর্কে বললেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা এ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হক।

কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা সাংবাদিককে জানান, ‘স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সকলেই প্রত্যাশা করছেন, তিনি এসে এই আসনে নির্বাচন করবেন।’

কিন্তু সৈয়দ আশরাফ যদি শারীরিক কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, তাহলে কেমন হবে কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগের ভোটযুদ্ধের চেহারা? আশরাফের অনুপস্থিতিতে কে ধরবেন নৌকার হাল? জাতীয় সংসদ নির্বাচন দোরগোড়ায় উপস্থিত হলেও এসব প্রশ্নের উত্তর কেউ দিতে পারছেন না।

কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সঙ্গে কথা বলে সুস্পষ্ট কোনো বিকল্পের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সবাই একটি কথা জোর দিয়ে বলেছেন, ‘সৈয়দ আশরাফ সুস্থ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলে কোনো বিকল্পের প্রয়োজন হবে না। তবে তিনি যদি অগত্যা আসতেই না পারেন, তাহলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষে সম্মিলিত হয়ে একক প্রার্থী বাছাই করা কষ্টকর হবে।’

কিশোরগঞ্জের রাজনীতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র মনে করছে, ‘সৈয়দ আশরাফের স্থলে সৈয়দ পরিবারের কেউ একজন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইবেন, যদিও তেমন কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে আসেননি।’ বিশ্লেষকরা আরও মনে করেন, ‘জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের এলাকার এই আসনটি সৈয়দ পরিবার নিজেদের মধ্যে ধরে রাখতে চাইবে।’

অন্যদিকে, সৈয়দ আশরাফের অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির মেজো পুত্র রাসেল আহমেদ তুহিন কয়েক মাসধরে ব্যাপক জনসংযোগ ও জনসমাবেশ করে চলেছেন। সরাসরি নিজের প্রার্থীতা উত্থাপন না করলেও দল মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

উপরন্তু মাঠে নানা ধরনের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ এবং প্রচার-প্রচারণা নিয়ে সরব রয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক কৃষিবিদ মশিয়ূর রহমান হুমায়ূন।

কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র সাংবাদিককে নিশ্চিত করেছে, ‘প্রকাশ্যে একাধিক প্রার্থী ছাড়াও আওয়ামী লীগের জেলা স্তরের বেশ কয়েকজন নেতা তৃণমূলে নিজের প্রার্থীতা নিয়ে কাজ করছেন। কিশোরগঞ্জ সদরের বাসিন্দা হিসাবে তারা প্রতিনিয়ত জনসংযোগ করছেন, যা প্রচারের আলোয় আসছে না। দলের ইউনিয়ন ও গ্রামে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সময় তাদের নামও সামনে চলে আসবে।’

বস্তুত পক্ষে, সৈয়দ আশরাফের অবর্তমানে কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগে প্রকাশ্যে ও গোপনে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজ করায় এদের মধ্যে ঐক্যমতের ভিত্তিতে একজন প্রার্থী নির্ধারণ করা কতটুকু সম্ভব হবে, এ ব্যাপারেও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন, ‘বড় দল হিসেবে আওয়ামী লীগে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকা অস্বাভাবিক নয়। তবে শেষ পর্যন্ত স্থানীয় নেতা-কর্মী ও জনগণের মধ্যে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার নিরিখে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপরই সব কিছু নির্ভর করবে।’

এদিকে জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রার্থীতার বিষয়ে দলের স্পষ্ট ইঙ্গিত না থাকায় কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগে সাংগঠনিক স্থবিরতা বিরাজ করছে। দলের নেতা-কর্মীরা দিক-নির্দেশনা ও উৎসাহ না পেয়ে এক ধরনের অপেক্ষার প্রহর কাটাচ্ছে। কেউ কেউ বিভিন্ন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে জুটে প্রচারণার কাজ চালালেও দলের জেলা, উপজেলা, শহর কমিটিগুলো রয়েছে নীরব।

কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র নেতা সাংবাদিককে জানান, ‘দলের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে এখনো কোনো প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়নি। সবাই আশা করছি দলের সিনিয়র নেতা সৈয়দ আশরাফ অচিরেই সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে এসে নির্বাচন করবেন। যদি তা একেবারেই সম্ভব না হয়, তাহলে আমরা দলীয় ফোরামে আলাপ-আলোচনা করে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবো। আমরা চেষ্টা করবো, মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্য থেকে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্যতম কাউকে বেছে নিতে।’

‘এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে মূল বিষয় হলো- সৈয়দ আশরাফের সুস্থতা। কারণ কিশোরগঞ্জ-১ আসনের জনগণ ও নেতা-কর্মীরা তার ফিরে আসার অপেক্ষায় উন্মুখ। তিনি আসতে পারবেন না মর্মে নিশ্চিত হলেই এই আসনে অন্য বিকল্প প্রার্থীর প্রসঙ্গ দলীয় আলোচনায় স্থান পাবে, তার আগে নয়’, বললেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের একাংশ।

অন্য একটি অংশ মনে করে, ‘কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের এই আসনটি দলীয় রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সৈয়দ আশরাফের পাশাপাশি এখানে অবশ্যই বিকল্প নেতৃত্ব গড়ে তোলা দরকার। তাহলে নেতৃত্বের শূন্যতা হবে না ও মনোনয়ন প্রত্যাশী বিভিন্ন প্রার্থীর মধ্যে গ্রুপিং-এর কোনো সুযোগ থাকবে না।