ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

পৌর ও ইউপি নির্বাচন করতে পারবে না জামায়াত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০১৫
  • ২৮৮ বার

নিবন্ধন বাতিলের কারণে আগামী ডিসেম্বর ও মার্চে অনুষ্ঠিতব্য পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবে না বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি সংশোধিত আইনেও দলের নিবন্ধন বাতিল হওয়া দলের প্রতীকে কেউ অংশ নিতে পারবে না; এমন বিধান থাকবে বলে জানিয়েছে ইসি।
নভেম্বরে সারাদেশের পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। আর নির্বাচন হবে ডিসেম্বরে। আর ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হবে ইউপি নির্বাচন। কিন্তু নিবন্ধন বাতিল হওয়ার কারণে এ নির্বাচনে দলীয় প্রতিক দাড়িপাল্লা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না দলটি।
প্রসঙ্গত,২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট। ২০০৯ সালে দলটির নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অন্য কয়েকটি ইসলামপন্থী সংগঠনের ২৫ জন নেতার আবেদনের ওপর শুনানি শেষে ওই রায় দেওয়া হয়। এর আগের বছর ২০০৮ সালে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধিত হয়। আইনানুযায়ী কোনো দল নিবন্ধিত না হয়ে সংগঠন হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে কোনো ধরণের নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। খবর চ্যানেল আই’র।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, নভেম্বরের কোনো একটি সময়ে তফসিল ঘোষণা করে ডিসম্বরে নির্বাচনটি করতে চাই আমরা। বিধিমালার খসড়াটি করে ফেলা যায় কি না সেই চেষ্টা নির্বাচন কমিশন করে যাচ্ছে। কারণ আইন পরিবর্তন করতে যেয়ে যেনো নির্বাচনটি করতে দেরি না হয়ে যায় সেই ব্যাপারটি লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।
বিভিন্ন সময় নির্দলীয় নির্বাচনগুলোতে একাধিক প্রার্থী অংশ নেওয়ার ফলে প্রার্থী সমর্থন দিতে একদিকে দলগুলোকে যেমন হিমশিম খেতে হয়। অন্যদিকে নির্বাচনে সহিংসতায় শৃংক্সখলাও ভঙ্গ হয়। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে তৃণমূলে সঠিক নেতৃত্ব আসবে, সহিংসতাও কমবে বলেও মনে করেন ইসি।
সচিব আরো বলেন, নির্বাচনটি যেহেতু রাজনৈতিক ভিত্তিতে হবে সেহেতু রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নিদিষ্ট প্রতীক নির্ধারিত থাকবে। আমাদের ধারনা রাজেনৈতিক দলের প্রতীক ব্যবহার করা সমীচীন হবে। জামায়াত ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আদালত যেহেতু জামায়াত দলের নিবন্ধন বাতিল করেছে সেক্ষেত্রে এই নির্বাচনে তাদের অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। পৌরসভা নির্বাচনে পরীক্ষামূলক ভাবে আবারো ইভিএম ব্যবহারের কথা চিন্তা ভাবনা করছে নির্বাচন কমিশন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

পৌর ও ইউপি নির্বাচন করতে পারবে না জামায়াত

আপডেট টাইম : ১২:০০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০১৫

নিবন্ধন বাতিলের কারণে আগামী ডিসেম্বর ও মার্চে অনুষ্ঠিতব্য পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবে না বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি সংশোধিত আইনেও দলের নিবন্ধন বাতিল হওয়া দলের প্রতীকে কেউ অংশ নিতে পারবে না; এমন বিধান থাকবে বলে জানিয়েছে ইসি।
নভেম্বরে সারাদেশের পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। আর নির্বাচন হবে ডিসেম্বরে। আর ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হবে ইউপি নির্বাচন। কিন্তু নিবন্ধন বাতিল হওয়ার কারণে এ নির্বাচনে দলীয় প্রতিক দাড়িপাল্লা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না দলটি।
প্রসঙ্গত,২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট। ২০০৯ সালে দলটির নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অন্য কয়েকটি ইসলামপন্থী সংগঠনের ২৫ জন নেতার আবেদনের ওপর শুনানি শেষে ওই রায় দেওয়া হয়। এর আগের বছর ২০০৮ সালে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধিত হয়। আইনানুযায়ী কোনো দল নিবন্ধিত না হয়ে সংগঠন হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে কোনো ধরণের নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। খবর চ্যানেল আই’র।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, নভেম্বরের কোনো একটি সময়ে তফসিল ঘোষণা করে ডিসম্বরে নির্বাচনটি করতে চাই আমরা। বিধিমালার খসড়াটি করে ফেলা যায় কি না সেই চেষ্টা নির্বাচন কমিশন করে যাচ্ছে। কারণ আইন পরিবর্তন করতে যেয়ে যেনো নির্বাচনটি করতে দেরি না হয়ে যায় সেই ব্যাপারটি লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।
বিভিন্ন সময় নির্দলীয় নির্বাচনগুলোতে একাধিক প্রার্থী অংশ নেওয়ার ফলে প্রার্থী সমর্থন দিতে একদিকে দলগুলোকে যেমন হিমশিম খেতে হয়। অন্যদিকে নির্বাচনে সহিংসতায় শৃংক্সখলাও ভঙ্গ হয়। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে তৃণমূলে সঠিক নেতৃত্ব আসবে, সহিংসতাও কমবে বলেও মনে করেন ইসি।
সচিব আরো বলেন, নির্বাচনটি যেহেতু রাজনৈতিক ভিত্তিতে হবে সেহেতু রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নিদিষ্ট প্রতীক নির্ধারিত থাকবে। আমাদের ধারনা রাজেনৈতিক দলের প্রতীক ব্যবহার করা সমীচীন হবে। জামায়াত ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আদালত যেহেতু জামায়াত দলের নিবন্ধন বাতিল করেছে সেক্ষেত্রে এই নির্বাচনে তাদের অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। পৌরসভা নির্বাচনে পরীক্ষামূলক ভাবে আবারো ইভিএম ব্যবহারের কথা চিন্তা ভাবনা করছে নির্বাচন কমিশন।