ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: মির্জা ফখরুল কিশোরগঞ্জের স্বাস্থ্যখাতসহ সার্বিক উন্নয়নে কাজ চলছে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম সংসদ থেকে ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা সংসদ থেকে শুরু করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বাড়ল দেশের রিজার্ভ দায়িত্বের বাইরে কেউ যেন মন্তব্য না করে : প্রধানমন্ত্রী সংসদে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করতে চাই যুদ্ধের মধ্যেই সেনাদের জানাজায় লাখো ইরানির ঢল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার সবার আগে : ডিএসসিসি প্রশাসক প্রথম অধিবেশন ঘিরে অতিথিদের প্রবেশ ও গাড়ি পার্কিং নির্দেশনা ইরাকের মাটির নীচে ইরানের ‘মিসাইল সিটি’

বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮
  • ৩৬৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নাশকতার ও পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে এবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে হাতির ঝিল থানা পুলিশ। গতকাল বিকালে পুলিশের করা মামলা নম্বর ৫০। মামলার বাদী হয়েছেন হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক শরীফুল ইসলাম। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্ধ্যায় সাংবাদিককে বলেন, বিএনপির সমাবেশের দিন ৭ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছিল। এজাহারে তাদের নাম উল্লেখ করে ৫০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

থানা সূত্র জানিয়েছে, মামলায় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমানকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ দেয়া হয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির এসব নেতারা উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন। তাদের বক্তব্যের পর রাত আটটার দিকে হাতিরঝিল থানায় মগবাজার রেলগেট এলাকায় বিএনপি, অঙ্গ সংগঠন ও ছাত্রশিবিরের ৭০ থেকে ৮০ জন জড়ো হন। তারা রাস্তায় যান চলাচলে বাধা দেন।

এ সময় পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে দুটি সিএনজি অটোরিকশা ও একটি বাস ভাঙচুর করে তারা। পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যে ইটপাটকেল ছুড়ে। তারা লাঠি দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মারধর করে এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এজাহারে বলা হয়, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কুমিল্লা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়া, বাড্ডা যুবদলের নেতা আওলাদ হোসেন, গাজীপুর ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিউদ্দিন, গুলশান ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির রাশেদ বিন সোলায়মান, ভালুকা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন, বাড্ডা যুবদল নেতা সামছুল হক, কুমিল্লার লাঙ্গলকোট থানা ছাত্রদলের সাবেক নেতা শিহাব খন্দকারকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল গ্রেপ্তারকৃত সাত জনকে আদালতে নিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ।

আদালত তাদের ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে রাজধানীর শাহবাগ, রমনা, পল্টনসহ বিভিন্ন থানায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ১লা সেপ্টেম্বর ঢাকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশ ও পরে দলীয় চেয়ারপারসনের মুক্তি দাবিতে প্রতীকী মানববন্ধন কর্মসূচির পর এসব মামলা করা হয়। মামলায় গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশের কাজে বাধা দেয়া ও সড়ক অবরোধের কথা বলা হলেও এজাহারে উল্লিখিত স্থানে এ ধরনের ঘটনার কোনো তথ্য দিতে পারেননি প্রত্যক্ষদর্শীরা। বিএনপি নেতারা এসব মামলাকে ভৌতিক ও গায়েবি মামলা বলে উল্লেখ করে আসছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে

আপডেট টাইম : ১২:৫১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নাশকতার ও পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে এবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে হাতির ঝিল থানা পুলিশ। গতকাল বিকালে পুলিশের করা মামলা নম্বর ৫০। মামলার বাদী হয়েছেন হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক শরীফুল ইসলাম। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্ধ্যায় সাংবাদিককে বলেন, বিএনপির সমাবেশের দিন ৭ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছিল। এজাহারে তাদের নাম উল্লেখ করে ৫০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

থানা সূত্র জানিয়েছে, মামলায় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমানকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ দেয়া হয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির এসব নেতারা উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন। তাদের বক্তব্যের পর রাত আটটার দিকে হাতিরঝিল থানায় মগবাজার রেলগেট এলাকায় বিএনপি, অঙ্গ সংগঠন ও ছাত্রশিবিরের ৭০ থেকে ৮০ জন জড়ো হন। তারা রাস্তায় যান চলাচলে বাধা দেন।

এ সময় পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে দুটি সিএনজি অটোরিকশা ও একটি বাস ভাঙচুর করে তারা। পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যে ইটপাটকেল ছুড়ে। তারা লাঠি দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মারধর করে এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এজাহারে বলা হয়, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কুমিল্লা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়া, বাড্ডা যুবদলের নেতা আওলাদ হোসেন, গাজীপুর ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিউদ্দিন, গুলশান ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির রাশেদ বিন সোলায়মান, ভালুকা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন, বাড্ডা যুবদল নেতা সামছুল হক, কুমিল্লার লাঙ্গলকোট থানা ছাত্রদলের সাবেক নেতা শিহাব খন্দকারকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল গ্রেপ্তারকৃত সাত জনকে আদালতে নিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ।

আদালত তাদের ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে রাজধানীর শাহবাগ, রমনা, পল্টনসহ বিভিন্ন থানায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ১লা সেপ্টেম্বর ঢাকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশ ও পরে দলীয় চেয়ারপারসনের মুক্তি দাবিতে প্রতীকী মানববন্ধন কর্মসূচির পর এসব মামলা করা হয়। মামলায় গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশের কাজে বাধা দেয়া ও সড়ক অবরোধের কথা বলা হলেও এজাহারে উল্লিখিত স্থানে এ ধরনের ঘটনার কোনো তথ্য দিতে পারেননি প্রত্যক্ষদর্শীরা। বিএনপি নেতারা এসব মামলাকে ভৌতিক ও গায়েবি মামলা বলে উল্লেখ করে আসছেন।