ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মদন পৌর শহর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল

ক্ষেত থেকে তুলে নিয়ে কৃষককে দিনভর নির্যাতন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:২৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৮
  • ৪৭৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ছাতকে ক্ষেত থেকে তুলে নিয়ে হাত-পা বেঁধে এক কৃষককে দিনভর নির্যাতনের ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনার পর আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত রোববার ছাতক সদর ইউনিয়নের রাতগাঁও গ্রামে দিনদুপুরে জমি থেকে ধরে এনে কৃষক সুনু মিয়াকে পিলারের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার প্রায় ৬ ঘণ্টা পর স্থানীয় লোকজন নির্যাতিত সুনু মিয়াকে উদ্ধার করে ছাতক হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।

জানা যায়, জমিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে রাতগাঁও গ্রামের মৃত নুর উদ্দিনের ছেলে কৃষক সুনু মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের আজমান আলীর ছেলে নজির উদ্দিন ও ছমির উদ্দিনের ছেলে রুহেল মিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

প্রায় এক মাস আগে তাদের ক্ষেতের জমিসংক্রান্ত বিরোধটি এলাকার লোকজনদের নিয়ে নিষ্পত্তি করে দেন ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম। গত রোববার দুপুরে সুনু মিয়া রোপণকৃত জমি দেখাশোনা করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে আহত করে।

একপর্যায়ে তার হাত-পা বেঁধে তাকে টেনেহিঁচড়ে নজির উদ্দিনের বাড়ির আঙিনায় এনে একটি পিলারের সঙ্গে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় দিনভর শারীরিক নির্যাতন চালায়। ওই দিন বিকালে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় নির্যাতিত কৃষক সুনু মিয়া সোমবার রাতে বাদী হয়ে একই গ্রামের রুবেল মিয়া, মনির উদ্দিন, নজির উদ্দিন, সুলতান আলী, তাজ উদ্দিন, সুরুজ আলী, জয়নাল আবেদীনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় এখনো কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি।

এ ব্যাপারে ওসি আতিকুর রহমান জানান, মামলার পর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছে। তাদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মদন পৌর শহর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

ক্ষেত থেকে তুলে নিয়ে কৃষককে দিনভর নির্যাতন

আপডেট টাইম : ০৬:২৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ছাতকে ক্ষেত থেকে তুলে নিয়ে হাত-পা বেঁধে এক কৃষককে দিনভর নির্যাতনের ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনার পর আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত রোববার ছাতক সদর ইউনিয়নের রাতগাঁও গ্রামে দিনদুপুরে জমি থেকে ধরে এনে কৃষক সুনু মিয়াকে পিলারের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার প্রায় ৬ ঘণ্টা পর স্থানীয় লোকজন নির্যাতিত সুনু মিয়াকে উদ্ধার করে ছাতক হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।

জানা যায়, জমিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে রাতগাঁও গ্রামের মৃত নুর উদ্দিনের ছেলে কৃষক সুনু মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের আজমান আলীর ছেলে নজির উদ্দিন ও ছমির উদ্দিনের ছেলে রুহেল মিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

প্রায় এক মাস আগে তাদের ক্ষেতের জমিসংক্রান্ত বিরোধটি এলাকার লোকজনদের নিয়ে নিষ্পত্তি করে দেন ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম। গত রোববার দুপুরে সুনু মিয়া রোপণকৃত জমি দেখাশোনা করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে আহত করে।

একপর্যায়ে তার হাত-পা বেঁধে তাকে টেনেহিঁচড়ে নজির উদ্দিনের বাড়ির আঙিনায় এনে একটি পিলারের সঙ্গে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় দিনভর শারীরিক নির্যাতন চালায়। ওই দিন বিকালে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় নির্যাতিত কৃষক সুনু মিয়া সোমবার রাতে বাদী হয়ে একই গ্রামের রুবেল মিয়া, মনির উদ্দিন, নজির উদ্দিন, সুলতান আলী, তাজ উদ্দিন, সুরুজ আলী, জয়নাল আবেদীনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় এখনো কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি।

এ ব্যাপারে ওসি আতিকুর রহমান জানান, মামলার পর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছে। তাদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।