ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জেবিএবি নির্বাচনে সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সম্পাদক শাহ জাহান সিলেটে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় থানায় অভিযোগ, পরিবারের দাবি জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যা বিএনপিকে গণতান্ত্রিক দল হিসেবে গড়ার কারিগর খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল আগামী অক্টোবরে শিশুদের জন্য পাঁচটি বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ কম খরচে আগাম শিম চাষ, এক কৃষকেরই ২ লাখ টাকা বিক্রির আশা ভালোবাসার মূল্যে কখনোই মানসিক শান্তি হারানো ঠিক নয় ভারতের আন্দোলনে সম্প্রীতির শিক্ষা স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে খোলাবাজারে নিত্যপণ্য বিক্রির পরিকল্পনা করছে টিসিবি দেশের মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

চামড়া নিয়ে সংকটের তিন কারণ জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৮
  • ৪৮৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঈদের আগে চামড়ার দাম কমানোর যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল সেটা সঠিক ছিল বলে দাবি করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, এবার তিন কারণে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দরপতন হয়ে সংকট দেখা দিয়েছে।

রোববার (২৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

গত বুধবার দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়েছে। এবার কোরবানি করা পশুর কাঁচা চামড়ার ন্যায্যমূল্য পায়নি কোরবানিদাতারা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা।

কোরবানির পশুর চামড়ার দামের সংকটের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে পত্র-পত্রিকায় দেখলাম চামড়া নিয়ে একটা সংকট দেখা দিয়েছে। আমি যখন দামটা কমালাম তখন সাংবাদিকদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখেছি দাম কেন কমালাম।’

তিন কারণে চামড়া বিক্রি হচ্ছে না জানিয়ে তোফায়েল বলেন, ‘দাম কমানোর পরও কিন্তু এখন বিক্রি হচ্ছে না এর কারণ হলো- এক নম্বর গতবারের চামড়া রয়ে গেছে, দুই যারা ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের মালিক তারা বলছে ব্যাংকের ঋণ সঠিক সময়ে পাইনি, তিন সাভার যে শিল্পগুলো হওয়ার কথা সে শিল্গগুলো গড়ে উঠেনি। এসব নানা কারণে চামড়া কেনা-বেচা নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তবে ব্যবসায়ীরা গতকাল আশ্বাস দিয়েছেন এটা থাকবে না ঠিক হয়ে যাবে। আমরা যে দামটা কমিয়েছিলাম সেই সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।’

গত ৯ আগস্ট কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের জন্য গত বছরের চেয়ে কম দাম নির্ধারণ করে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম পাঁচ টাকা কমিয়ে ধরা হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা, ঢাকার বাইরে ৩৫-৪০ টাকা। গত বছর এ দাম ছিল ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৫০-৫৫ টাকা, ঢাকার বাইরে ৪০-৪৫ টাকা।

অপরদিকে প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়ার দাম সারাদেশে ১৮-২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ২০-২২ টাকা। আর বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩-১৫ টাকা। যা গত বছর ছিল ১৫-১৭ টাকা।

ব্যাংক ঋণের বিষয় ব্যবসায়ীদের কোন সহায়তা করা হবে কি না- জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংক ঋণ নেয়া-পাওয়া নিয়ে আমাদের মধ্যে কোন হাত নেই, এটি গ্রাহক ও ব্যাংকের মধ্যকার বিষয়। গতকাল ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহিন বলেছেন যে সংকট দেখা দিয়েছে তা থাকবে না, দুই একদিনের মধ্যে অবসান হবে। আজ থেকে অফিস খোলা ব্যাংক খোলা আমার মনে হয় সংকটের সমাধান হবে।’

কাঁচা চামড়া রফতানির কোন সুযোগ দেয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে কি না- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা চালু করলে আমাদের চামড়া শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। এ রকম কোন পরিকল্পনা সরকারের নেই।’

আগামী নির্বাচন নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কারো জন্য থেমে থাকবে না। বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তাহলে বিএনপি নামক দলটি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও নির্বাচন যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। একটি দল বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে করি না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জেবিএবি নির্বাচনে সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সম্পাদক শাহ জাহান

চামড়া নিয়ে সংকটের তিন কারণ জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৪:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঈদের আগে চামড়ার দাম কমানোর যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল সেটা সঠিক ছিল বলে দাবি করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, এবার তিন কারণে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দরপতন হয়ে সংকট দেখা দিয়েছে।

রোববার (২৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

গত বুধবার দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়েছে। এবার কোরবানি করা পশুর কাঁচা চামড়ার ন্যায্যমূল্য পায়নি কোরবানিদাতারা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা।

কোরবানির পশুর চামড়ার দামের সংকটের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে পত্র-পত্রিকায় দেখলাম চামড়া নিয়ে একটা সংকট দেখা দিয়েছে। আমি যখন দামটা কমালাম তখন সাংবাদিকদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখেছি দাম কেন কমালাম।’

তিন কারণে চামড়া বিক্রি হচ্ছে না জানিয়ে তোফায়েল বলেন, ‘দাম কমানোর পরও কিন্তু এখন বিক্রি হচ্ছে না এর কারণ হলো- এক নম্বর গতবারের চামড়া রয়ে গেছে, দুই যারা ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের মালিক তারা বলছে ব্যাংকের ঋণ সঠিক সময়ে পাইনি, তিন সাভার যে শিল্পগুলো হওয়ার কথা সে শিল্গগুলো গড়ে উঠেনি। এসব নানা কারণে চামড়া কেনা-বেচা নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তবে ব্যবসায়ীরা গতকাল আশ্বাস দিয়েছেন এটা থাকবে না ঠিক হয়ে যাবে। আমরা যে দামটা কমিয়েছিলাম সেই সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।’

গত ৯ আগস্ট কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের জন্য গত বছরের চেয়ে কম দাম নির্ধারণ করে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম পাঁচ টাকা কমিয়ে ধরা হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা, ঢাকার বাইরে ৩৫-৪০ টাকা। গত বছর এ দাম ছিল ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৫০-৫৫ টাকা, ঢাকার বাইরে ৪০-৪৫ টাকা।

অপরদিকে প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়ার দাম সারাদেশে ১৮-২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ২০-২২ টাকা। আর বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩-১৫ টাকা। যা গত বছর ছিল ১৫-১৭ টাকা।

ব্যাংক ঋণের বিষয় ব্যবসায়ীদের কোন সহায়তা করা হবে কি না- জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংক ঋণ নেয়া-পাওয়া নিয়ে আমাদের মধ্যে কোন হাত নেই, এটি গ্রাহক ও ব্যাংকের মধ্যকার বিষয়। গতকাল ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহিন বলেছেন যে সংকট দেখা দিয়েছে তা থাকবে না, দুই একদিনের মধ্যে অবসান হবে। আজ থেকে অফিস খোলা ব্যাংক খোলা আমার মনে হয় সংকটের সমাধান হবে।’

কাঁচা চামড়া রফতানির কোন সুযোগ দেয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে কি না- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা চালু করলে আমাদের চামড়া শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। এ রকম কোন পরিকল্পনা সরকারের নেই।’

আগামী নির্বাচন নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কারো জন্য থেমে থাকবে না। বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তাহলে বিএনপি নামক দলটি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও নির্বাচন যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। একটি দল বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে করি না।