ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

চামড়া নিয়ে সংকটের তিন কারণ জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৮
  • ৪৭৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঈদের আগে চামড়ার দাম কমানোর যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল সেটা সঠিক ছিল বলে দাবি করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, এবার তিন কারণে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দরপতন হয়ে সংকট দেখা দিয়েছে।

রোববার (২৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

গত বুধবার দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়েছে। এবার কোরবানি করা পশুর কাঁচা চামড়ার ন্যায্যমূল্য পায়নি কোরবানিদাতারা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা।

কোরবানির পশুর চামড়ার দামের সংকটের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে পত্র-পত্রিকায় দেখলাম চামড়া নিয়ে একটা সংকট দেখা দিয়েছে। আমি যখন দামটা কমালাম তখন সাংবাদিকদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখেছি দাম কেন কমালাম।’

তিন কারণে চামড়া বিক্রি হচ্ছে না জানিয়ে তোফায়েল বলেন, ‘দাম কমানোর পরও কিন্তু এখন বিক্রি হচ্ছে না এর কারণ হলো- এক নম্বর গতবারের চামড়া রয়ে গেছে, দুই যারা ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের মালিক তারা বলছে ব্যাংকের ঋণ সঠিক সময়ে পাইনি, তিন সাভার যে শিল্পগুলো হওয়ার কথা সে শিল্গগুলো গড়ে উঠেনি। এসব নানা কারণে চামড়া কেনা-বেচা নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তবে ব্যবসায়ীরা গতকাল আশ্বাস দিয়েছেন এটা থাকবে না ঠিক হয়ে যাবে। আমরা যে দামটা কমিয়েছিলাম সেই সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।’

গত ৯ আগস্ট কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের জন্য গত বছরের চেয়ে কম দাম নির্ধারণ করে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম পাঁচ টাকা কমিয়ে ধরা হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা, ঢাকার বাইরে ৩৫-৪০ টাকা। গত বছর এ দাম ছিল ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৫০-৫৫ টাকা, ঢাকার বাইরে ৪০-৪৫ টাকা।

অপরদিকে প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়ার দাম সারাদেশে ১৮-২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ২০-২২ টাকা। আর বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩-১৫ টাকা। যা গত বছর ছিল ১৫-১৭ টাকা।

ব্যাংক ঋণের বিষয় ব্যবসায়ীদের কোন সহায়তা করা হবে কি না- জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংক ঋণ নেয়া-পাওয়া নিয়ে আমাদের মধ্যে কোন হাত নেই, এটি গ্রাহক ও ব্যাংকের মধ্যকার বিষয়। গতকাল ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহিন বলেছেন যে সংকট দেখা দিয়েছে তা থাকবে না, দুই একদিনের মধ্যে অবসান হবে। আজ থেকে অফিস খোলা ব্যাংক খোলা আমার মনে হয় সংকটের সমাধান হবে।’

কাঁচা চামড়া রফতানির কোন সুযোগ দেয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে কি না- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা চালু করলে আমাদের চামড়া শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। এ রকম কোন পরিকল্পনা সরকারের নেই।’

আগামী নির্বাচন নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কারো জন্য থেমে থাকবে না। বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তাহলে বিএনপি নামক দলটি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও নির্বাচন যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। একটি দল বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে করি না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

চামড়া নিয়ে সংকটের তিন কারণ জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৪:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঈদের আগে চামড়ার দাম কমানোর যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল সেটা সঠিক ছিল বলে দাবি করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, এবার তিন কারণে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দরপতন হয়ে সংকট দেখা দিয়েছে।

রোববার (২৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

গত বুধবার দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়েছে। এবার কোরবানি করা পশুর কাঁচা চামড়ার ন্যায্যমূল্য পায়নি কোরবানিদাতারা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা।

কোরবানির পশুর চামড়ার দামের সংকটের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে পত্র-পত্রিকায় দেখলাম চামড়া নিয়ে একটা সংকট দেখা দিয়েছে। আমি যখন দামটা কমালাম তখন সাংবাদিকদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখেছি দাম কেন কমালাম।’

তিন কারণে চামড়া বিক্রি হচ্ছে না জানিয়ে তোফায়েল বলেন, ‘দাম কমানোর পরও কিন্তু এখন বিক্রি হচ্ছে না এর কারণ হলো- এক নম্বর গতবারের চামড়া রয়ে গেছে, দুই যারা ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের মালিক তারা বলছে ব্যাংকের ঋণ সঠিক সময়ে পাইনি, তিন সাভার যে শিল্পগুলো হওয়ার কথা সে শিল্গগুলো গড়ে উঠেনি। এসব নানা কারণে চামড়া কেনা-বেচা নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তবে ব্যবসায়ীরা গতকাল আশ্বাস দিয়েছেন এটা থাকবে না ঠিক হয়ে যাবে। আমরা যে দামটা কমিয়েছিলাম সেই সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।’

গত ৯ আগস্ট কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের জন্য গত বছরের চেয়ে কম দাম নির্ধারণ করে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম পাঁচ টাকা কমিয়ে ধরা হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা, ঢাকার বাইরে ৩৫-৪০ টাকা। গত বছর এ দাম ছিল ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৫০-৫৫ টাকা, ঢাকার বাইরে ৪০-৪৫ টাকা।

অপরদিকে প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়ার দাম সারাদেশে ১৮-২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ২০-২২ টাকা। আর বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩-১৫ টাকা। যা গত বছর ছিল ১৫-১৭ টাকা।

ব্যাংক ঋণের বিষয় ব্যবসায়ীদের কোন সহায়তা করা হবে কি না- জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংক ঋণ নেয়া-পাওয়া নিয়ে আমাদের মধ্যে কোন হাত নেই, এটি গ্রাহক ও ব্যাংকের মধ্যকার বিষয়। গতকাল ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহিন বলেছেন যে সংকট দেখা দিয়েছে তা থাকবে না, দুই একদিনের মধ্যে অবসান হবে। আজ থেকে অফিস খোলা ব্যাংক খোলা আমার মনে হয় সংকটের সমাধান হবে।’

কাঁচা চামড়া রফতানির কোন সুযোগ দেয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে কি না- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা চালু করলে আমাদের চামড়া শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। এ রকম কোন পরিকল্পনা সরকারের নেই।’

আগামী নির্বাচন নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কারো জন্য থেমে থাকবে না। বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তাহলে বিএনপি নামক দলটি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও নির্বাচন যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। একটি দল বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে করি না।