ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

সাহস থাকলে গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করুক, মোদিকে চ্যালেঞ্জ অখিলেশের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০১৫
  • ৪৫৯ বার

গোমাংস গুজবে দাদরি হত্যাকাণ্ড নিয়ে নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিংহ যাদব। ওই নৃশংস হত্যার ঘটনা সম্পর্কে প্রথমবার মুখ খুললেন অখিলেশ। তিনি বলেছেন, লোকসভা ভোটের আগে প্রচারের সময় যাঁরা গো-মাংস রপ্তানি নিয়ে ইউপিএ সরকারকে আক্রমণ করেছিলেন তাঁরা এখন ক্ষমতায়। সাহস থাকলে তারা গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করুক।
উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের প্রচারে গো-মাংস রপ্তানি নিয়ে সরব হয়েছিল বিজেপি। মোদি সেই সময় ইউপিএ সরকারকে তোপ দেগে বলেছিলেন, গো-মাংস রপ্তানি দেশে কসাই খানার বাড়বাড়ন্ত ঘটাচ্ছে। এই বিষয়টিকেই তিনি ‘পিঙ্ক রেভোলিউন’ বলেছিলেন। কারণ, পশু মাংসের রঙ গোলাপি। এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলেই মোদির নাম উল্লেখ না করেই অখিলেশ বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁর নিশানা মোদীই। তিনি বলেছেন, ‘পিঙ্ক রেভোলিউশনে’র বিরোধীরা দেশের ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিপন্ন করতে চাইছে।
অখিলেশ বলেন, আমাদের ধর্ম ও আমাদের দেশ প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজের মতো করে জীবনধারণের অধিকার দিয়েছে। কিন্তু কিছু শক্তি দেশের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোকে বিপন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তারাই পিঙ্ক রেভোলিউশনের মতো বিষয় তুলে ধরছে। এখন তো তারাই ক্ষমতায়। নাম উল্লেখ না করে তিনি মোদির কাছে গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।
দাদরির ঘটনায় গুজবের প্রসঙ্গ টেনে অখিলেশ বলেন, গুজবে কিছুই থাকে না। কিন্তু এর ফলে অনেক কিছুই ঘটে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, দাদরিতে গো-মাংস খাওয়ার গুজব ছড়িয়ে ৫০ বছরের আখলাককে খুন করা হয়। ওই ঘটনা নিয়ে বিজেপি ও সমাজবাদী পার্টির মধ্যে বাকযুদ্ধ শুরু হয়। বিজেপি এ জন্য রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে দায়ী করেছে। অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির অভিযোগ, ভোটের আগে ভোটারদের মেরুকরণ ঘটানোর জন্য বিজেপি হিংসা মদত দিচ্ছে।সূত্র: এপিবি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

সাহস থাকলে গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করুক, মোদিকে চ্যালেঞ্জ অখিলেশের

আপডেট টাইম : ১১:২৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০১৫

গোমাংস গুজবে দাদরি হত্যাকাণ্ড নিয়ে নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিংহ যাদব। ওই নৃশংস হত্যার ঘটনা সম্পর্কে প্রথমবার মুখ খুললেন অখিলেশ। তিনি বলেছেন, লোকসভা ভোটের আগে প্রচারের সময় যাঁরা গো-মাংস রপ্তানি নিয়ে ইউপিএ সরকারকে আক্রমণ করেছিলেন তাঁরা এখন ক্ষমতায়। সাহস থাকলে তারা গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করুক।
উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের প্রচারে গো-মাংস রপ্তানি নিয়ে সরব হয়েছিল বিজেপি। মোদি সেই সময় ইউপিএ সরকারকে তোপ দেগে বলেছিলেন, গো-মাংস রপ্তানি দেশে কসাই খানার বাড়বাড়ন্ত ঘটাচ্ছে। এই বিষয়টিকেই তিনি ‘পিঙ্ক রেভোলিউন’ বলেছিলেন। কারণ, পশু মাংসের রঙ গোলাপি। এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলেই মোদির নাম উল্লেখ না করেই অখিলেশ বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁর নিশানা মোদীই। তিনি বলেছেন, ‘পিঙ্ক রেভোলিউশনে’র বিরোধীরা দেশের ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিপন্ন করতে চাইছে।
অখিলেশ বলেন, আমাদের ধর্ম ও আমাদের দেশ প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজের মতো করে জীবনধারণের অধিকার দিয়েছে। কিন্তু কিছু শক্তি দেশের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোকে বিপন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তারাই পিঙ্ক রেভোলিউশনের মতো বিষয় তুলে ধরছে। এখন তো তারাই ক্ষমতায়। নাম উল্লেখ না করে তিনি মোদির কাছে গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।
দাদরির ঘটনায় গুজবের প্রসঙ্গ টেনে অখিলেশ বলেন, গুজবে কিছুই থাকে না। কিন্তু এর ফলে অনেক কিছুই ঘটে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, দাদরিতে গো-মাংস খাওয়ার গুজব ছড়িয়ে ৫০ বছরের আখলাককে খুন করা হয়। ওই ঘটনা নিয়ে বিজেপি ও সমাজবাদী পার্টির মধ্যে বাকযুদ্ধ শুরু হয়। বিজেপি এ জন্য রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে দায়ী করেছে। অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির অভিযোগ, ভোটের আগে ভোটারদের মেরুকরণ ঘটানোর জন্য বিজেপি হিংসা মদত দিচ্ছে।সূত্র: এপিবি