ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

সাহস থাকলে গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করুক, মোদিকে চ্যালেঞ্জ অখিলেশের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০১৫
  • ৪৫২ বার

গোমাংস গুজবে দাদরি হত্যাকাণ্ড নিয়ে নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিংহ যাদব। ওই নৃশংস হত্যার ঘটনা সম্পর্কে প্রথমবার মুখ খুললেন অখিলেশ। তিনি বলেছেন, লোকসভা ভোটের আগে প্রচারের সময় যাঁরা গো-মাংস রপ্তানি নিয়ে ইউপিএ সরকারকে আক্রমণ করেছিলেন তাঁরা এখন ক্ষমতায়। সাহস থাকলে তারা গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করুক।
উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের প্রচারে গো-মাংস রপ্তানি নিয়ে সরব হয়েছিল বিজেপি। মোদি সেই সময় ইউপিএ সরকারকে তোপ দেগে বলেছিলেন, গো-মাংস রপ্তানি দেশে কসাই খানার বাড়বাড়ন্ত ঘটাচ্ছে। এই বিষয়টিকেই তিনি ‘পিঙ্ক রেভোলিউন’ বলেছিলেন। কারণ, পশু মাংসের রঙ গোলাপি। এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলেই মোদির নাম উল্লেখ না করেই অখিলেশ বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁর নিশানা মোদীই। তিনি বলেছেন, ‘পিঙ্ক রেভোলিউশনে’র বিরোধীরা দেশের ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিপন্ন করতে চাইছে।
অখিলেশ বলেন, আমাদের ধর্ম ও আমাদের দেশ প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজের মতো করে জীবনধারণের অধিকার দিয়েছে। কিন্তু কিছু শক্তি দেশের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোকে বিপন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তারাই পিঙ্ক রেভোলিউশনের মতো বিষয় তুলে ধরছে। এখন তো তারাই ক্ষমতায়। নাম উল্লেখ না করে তিনি মোদির কাছে গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।
দাদরির ঘটনায় গুজবের প্রসঙ্গ টেনে অখিলেশ বলেন, গুজবে কিছুই থাকে না। কিন্তু এর ফলে অনেক কিছুই ঘটে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, দাদরিতে গো-মাংস খাওয়ার গুজব ছড়িয়ে ৫০ বছরের আখলাককে খুন করা হয়। ওই ঘটনা নিয়ে বিজেপি ও সমাজবাদী পার্টির মধ্যে বাকযুদ্ধ শুরু হয়। বিজেপি এ জন্য রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে দায়ী করেছে। অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির অভিযোগ, ভোটের আগে ভোটারদের মেরুকরণ ঘটানোর জন্য বিজেপি হিংসা মদত দিচ্ছে।সূত্র: এপিবি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

সাহস থাকলে গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করুক, মোদিকে চ্যালেঞ্জ অখিলেশের

আপডেট টাইম : ১১:২৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০১৫

গোমাংস গুজবে দাদরি হত্যাকাণ্ড নিয়ে নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিংহ যাদব। ওই নৃশংস হত্যার ঘটনা সম্পর্কে প্রথমবার মুখ খুললেন অখিলেশ। তিনি বলেছেন, লোকসভা ভোটের আগে প্রচারের সময় যাঁরা গো-মাংস রপ্তানি নিয়ে ইউপিএ সরকারকে আক্রমণ করেছিলেন তাঁরা এখন ক্ষমতায়। সাহস থাকলে তারা গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করুক।
উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের প্রচারে গো-মাংস রপ্তানি নিয়ে সরব হয়েছিল বিজেপি। মোদি সেই সময় ইউপিএ সরকারকে তোপ দেগে বলেছিলেন, গো-মাংস রপ্তানি দেশে কসাই খানার বাড়বাড়ন্ত ঘটাচ্ছে। এই বিষয়টিকেই তিনি ‘পিঙ্ক রেভোলিউন’ বলেছিলেন। কারণ, পশু মাংসের রঙ গোলাপি। এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলেই মোদির নাম উল্লেখ না করেই অখিলেশ বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁর নিশানা মোদীই। তিনি বলেছেন, ‘পিঙ্ক রেভোলিউশনে’র বিরোধীরা দেশের ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিপন্ন করতে চাইছে।
অখিলেশ বলেন, আমাদের ধর্ম ও আমাদের দেশ প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজের মতো করে জীবনধারণের অধিকার দিয়েছে। কিন্তু কিছু শক্তি দেশের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোকে বিপন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তারাই পিঙ্ক রেভোলিউশনের মতো বিষয় তুলে ধরছে। এখন তো তারাই ক্ষমতায়। নাম উল্লেখ না করে তিনি মোদির কাছে গো-মাংস রপ্তানি বন্ধ করার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।
দাদরির ঘটনায় গুজবের প্রসঙ্গ টেনে অখিলেশ বলেন, গুজবে কিছুই থাকে না। কিন্তু এর ফলে অনেক কিছুই ঘটে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, দাদরিতে গো-মাংস খাওয়ার গুজব ছড়িয়ে ৫০ বছরের আখলাককে খুন করা হয়। ওই ঘটনা নিয়ে বিজেপি ও সমাজবাদী পার্টির মধ্যে বাকযুদ্ধ শুরু হয়। বিজেপি এ জন্য রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে দায়ী করেছে। অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির অভিযোগ, ভোটের আগে ভোটারদের মেরুকরণ ঘটানোর জন্য বিজেপি হিংসা মদত দিচ্ছে।সূত্র: এপিবি