ঢাকা ১২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ঈদের একটু বেশিই উত্তাপ থাকে মসলার বাজার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অগাস্ট ২০১৮
  • ৫৯৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রান্না ঘরের মসলার ঝাঁঝ একটু বেশিই দেখা যায় কোরবানির ঈদ আসলে। আর এই ঈদকে সামনে রেখে গরু বা খাসির মাংস রান্না করার জন্য অবশ্যই বেশ ঘটা করে লিস্ট করে আপনাদের যেতে হয় বাজারে। তাই এই সময়টায় একটু বেশিই উত্তাপ থাকে মসলার বাজারে।

এদিকে ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে ততই গরম হচ্ছে মসলার বাজার। পেঁয়াজের দাম এরই মধ্যে বেড়েছে কেজিতে প্রায় ১০ টাকা। খুচরাবাজারে প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে। আদার দাম ১০০ থেকে বেড়ে হয়েছে ১২০ টাকা। রসুনের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ থেকে ১৩০ টাকা। দাম বেড়েছে জিরা, গোলমরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ প্রভৃতিরও।

খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারিবাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদেরও বাড়াতে হয়েছে। আর পাইকাররা দায়ী করছেন আন্তর্জাতিক বাজারকে। এ নিয়ে জনমনে ক্ষোভ-কষ্ট থাকলেও সবই চলছে নিজস্ব নিয়মে।

রাজধানীর পাইকারিবাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি ইন্ডিয়ান ও চায়না জিরা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা। খুচরা বাজারে এসে এ দাম হয়ে যাচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা। গত সপ্তাহে এ জিরা পাইকারি বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় এবং খুচরা বাজারে ছিল ৩৫০ থেকে ৩৭০ টাকা।

পাইকারিবাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকায়, গত সপ্তাহে যা ছিল ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে। লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়, গত সপ্তাহে যা পাওয়া যেত প্রতি কেজি ৯০০ টাকার মধ্যে। বর্তমানে এলাচ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৫৫০ টাকায়, সপ্তাহ তিনেক আগেও যা বিক্রি হয়েছে ১৩০০ থেকে ১৪০০ টাকার মধ্যে। প্রতি কেজি লাল মরিচের দাম এখন ১৬০ টাকা।

মসলার বাজারে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাবাব চিনির (বিরিয়ানি রান্নাতে যেটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে বিবেচিত)। এক মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ১০০০ টাকা বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকায়। খুচরাবাজারে এসব মসলার দাম বেড়েছে আরো বেশি।

পাইকারি দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি জয়ত্রী বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ টাকায়। সপ্তাহ দুই আগেও এখানে পাইকারিতে পণ্যটির মূল্য ছিল ১৪০০ টাকা। সে হিসাবে এ সময়ের মধ্যে পাইকারিতে জয়ত্রীর দাম বেড়েছে কেজিতে ৪০০ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে সিরিয়া থেকে আনা প্রতি কেজি জিরার দাম বেড়েছে ২০ টাকা।

পাইকারিবাজারে চীন থেকে আনা দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২২৫ থেকে ২৩০ টাকায়। ১৫ দিন আগেও বাজারে একই মানের দারুচিনি ২০০ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সে হিসাবে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিবাজারে দারুচিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা। একই সময়ে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা দারুচিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ১৫ টাকা। গত সপ্তাহে পাইকারিবাজারে প্রতি কেজি ভিয়েতনামের দারুচিনি বিক্রি হয়েছিল ২৫০ টাকার নিচে। কিন্তু বর্তমানে এর দাম কখনো কখনো প্রতি কেজি ২৬৫ টাকাও ছাড়িয়ে গেছে।

এ প্রসঙ্গে গরম মসলার কয়েকজন আমদানিকারকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব ও বাজেটে শুল্ক বাড়ানোর কারণে মসলা পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এ ছাড়া কোরবানির ঈদে মসলার চাহিদা একটু বেশি থাকায় দাম কিছুটা বাড়ে থাকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

ঈদের একটু বেশিই উত্তাপ থাকে মসলার বাজার

আপডেট টাইম : ১২:০০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অগাস্ট ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রান্না ঘরের মসলার ঝাঁঝ একটু বেশিই দেখা যায় কোরবানির ঈদ আসলে। আর এই ঈদকে সামনে রেখে গরু বা খাসির মাংস রান্না করার জন্য অবশ্যই বেশ ঘটা করে লিস্ট করে আপনাদের যেতে হয় বাজারে। তাই এই সময়টায় একটু বেশিই উত্তাপ থাকে মসলার বাজারে।

এদিকে ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে ততই গরম হচ্ছে মসলার বাজার। পেঁয়াজের দাম এরই মধ্যে বেড়েছে কেজিতে প্রায় ১০ টাকা। খুচরাবাজারে প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে। আদার দাম ১০০ থেকে বেড়ে হয়েছে ১২০ টাকা। রসুনের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ থেকে ১৩০ টাকা। দাম বেড়েছে জিরা, গোলমরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ প্রভৃতিরও।

খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারিবাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদেরও বাড়াতে হয়েছে। আর পাইকাররা দায়ী করছেন আন্তর্জাতিক বাজারকে। এ নিয়ে জনমনে ক্ষোভ-কষ্ট থাকলেও সবই চলছে নিজস্ব নিয়মে।

রাজধানীর পাইকারিবাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি ইন্ডিয়ান ও চায়না জিরা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা। খুচরা বাজারে এসে এ দাম হয়ে যাচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা। গত সপ্তাহে এ জিরা পাইকারি বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় এবং খুচরা বাজারে ছিল ৩৫০ থেকে ৩৭০ টাকা।

পাইকারিবাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকায়, গত সপ্তাহে যা ছিল ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে। লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়, গত সপ্তাহে যা পাওয়া যেত প্রতি কেজি ৯০০ টাকার মধ্যে। বর্তমানে এলাচ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৫৫০ টাকায়, সপ্তাহ তিনেক আগেও যা বিক্রি হয়েছে ১৩০০ থেকে ১৪০০ টাকার মধ্যে। প্রতি কেজি লাল মরিচের দাম এখন ১৬০ টাকা।

মসলার বাজারে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাবাব চিনির (বিরিয়ানি রান্নাতে যেটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে বিবেচিত)। এক মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ১০০০ টাকা বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকায়। খুচরাবাজারে এসব মসলার দাম বেড়েছে আরো বেশি।

পাইকারি দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি জয়ত্রী বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ টাকায়। সপ্তাহ দুই আগেও এখানে পাইকারিতে পণ্যটির মূল্য ছিল ১৪০০ টাকা। সে হিসাবে এ সময়ের মধ্যে পাইকারিতে জয়ত্রীর দাম বেড়েছে কেজিতে ৪০০ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে সিরিয়া থেকে আনা প্রতি কেজি জিরার দাম বেড়েছে ২০ টাকা।

পাইকারিবাজারে চীন থেকে আনা দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২২৫ থেকে ২৩০ টাকায়। ১৫ দিন আগেও বাজারে একই মানের দারুচিনি ২০০ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সে হিসাবে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিবাজারে দারুচিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা। একই সময়ে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা দারুচিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ১৫ টাকা। গত সপ্তাহে পাইকারিবাজারে প্রতি কেজি ভিয়েতনামের দারুচিনি বিক্রি হয়েছিল ২৫০ টাকার নিচে। কিন্তু বর্তমানে এর দাম কখনো কখনো প্রতি কেজি ২৬৫ টাকাও ছাড়িয়ে গেছে।

এ প্রসঙ্গে গরম মসলার কয়েকজন আমদানিকারকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব ও বাজেটে শুল্ক বাড়ানোর কারণে মসলা পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এ ছাড়া কোরবানির ঈদে মসলার চাহিদা একটু বেশি থাকায় দাম কিছুটা বাড়ে থাকে।