ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমন রোপনে ব্যস্ত কৃষক বেড়েছে শ্রমিকের মজুরি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:২৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অগাস্ট ২০১৮
  • ৩৯১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বৃষ্টির কারণে আমনের আবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন চাষিরা। কিন্তু গত এক সপ্তাহ থেকে প্রকৃতিতে শ্রাবণের ধারা বইতে শুরু করেছে। এমন বৃষ্টিতে আমনের জমিতে চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা। তবে একই সাথে কৃষকদের জমি চাষাবাদে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরি।

এদিকে জমিতে বেঁধেছে প্রকৃতি থেকে পাওয়া বৃষ্টির পানি। আর এ সুযোগে বৃষ্টির পানিতে আমনের জমিতে চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা। আবার বৃষ্টির পানি বেশি হওয়ায় নিচু জমি তলিয়ে গেছে পানিতে। প্রয়োজনের তুলনায় জমিতে পানি বেশি হওয়ায় পানি নিষ্কাষনের জন্য অপেক্ষা করছেন কৃষকরা। আগামী ১০-১২ দিনের মধ্যে জমিতে চারা রোপনের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছে চাষিরা।

পত্নীতলা উপজেলার বাবনাবাজ গ্রামের কৃষক পরেশ মন্ডল বলেন, এতোদিন বৃষ্টির অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ করে এক সপ্তাহ থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এজন্য ১০ বিঘা জমি বৃষ্টির পানিতে হালচাষ করে প্রস্তুুত করে আমনের আবাদ করবেন। এজন্য ব্যস্ততাও বেড়েছে। তবে একই সাথে সবাই জমিতে চারারোপন শুরু করায় মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে বিঘা প্রতি ৬০০-৬৫০ টাকা হলেও এখন ৮০০ টাকা মজুরি।

শ্রমিক আলিম হোসেন বলেন, তার দলে নারীসহ আট জন শ্রমিক আছে। হঠাৎ বৃষ্টিতে কাজের চাপ বেড়েছে। সাথে মজুরিও। প্রতিবিঘা ৮০০ টাকা চুক্তিতে জমিতে চারা রোপন করছেন।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মনোজিত কুমার মন্ডল বলেন, চলতি আমন মৌসুমে ১ লাখ ৬১ হাজার ১৭৬ হেক্টর জমিতে আমনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৮৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমনের চারা রোপন করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আমন রোপনে ব্যস্ত কৃষক বেড়েছে শ্রমিকের মজুরি

আপডেট টাইম : ০৮:২৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অগাস্ট ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বৃষ্টির কারণে আমনের আবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন চাষিরা। কিন্তু গত এক সপ্তাহ থেকে প্রকৃতিতে শ্রাবণের ধারা বইতে শুরু করেছে। এমন বৃষ্টিতে আমনের জমিতে চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা। তবে একই সাথে কৃষকদের জমি চাষাবাদে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরি।

এদিকে জমিতে বেঁধেছে প্রকৃতি থেকে পাওয়া বৃষ্টির পানি। আর এ সুযোগে বৃষ্টির পানিতে আমনের জমিতে চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা। আবার বৃষ্টির পানি বেশি হওয়ায় নিচু জমি তলিয়ে গেছে পানিতে। প্রয়োজনের তুলনায় জমিতে পানি বেশি হওয়ায় পানি নিষ্কাষনের জন্য অপেক্ষা করছেন কৃষকরা। আগামী ১০-১২ দিনের মধ্যে জমিতে চারা রোপনের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছে চাষিরা।

পত্নীতলা উপজেলার বাবনাবাজ গ্রামের কৃষক পরেশ মন্ডল বলেন, এতোদিন বৃষ্টির অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ করে এক সপ্তাহ থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এজন্য ১০ বিঘা জমি বৃষ্টির পানিতে হালচাষ করে প্রস্তুুত করে আমনের আবাদ করবেন। এজন্য ব্যস্ততাও বেড়েছে। তবে একই সাথে সবাই জমিতে চারারোপন শুরু করায় মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে বিঘা প্রতি ৬০০-৬৫০ টাকা হলেও এখন ৮০০ টাকা মজুরি।

শ্রমিক আলিম হোসেন বলেন, তার দলে নারীসহ আট জন শ্রমিক আছে। হঠাৎ বৃষ্টিতে কাজের চাপ বেড়েছে। সাথে মজুরিও। প্রতিবিঘা ৮০০ টাকা চুক্তিতে জমিতে চারা রোপন করছেন।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মনোজিত কুমার মন্ডল বলেন, চলতি আমন মৌসুমে ১ লাখ ৬১ হাজার ১৭৬ হেক্টর জমিতে আমনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৮৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমনের চারা রোপন করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।