ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

প্রশাসনের উদ্যোগে সাড়া দিচ্ছে না পাহাড়ের বাসিন্দারা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ জুন ২০১৮
  • ৩৫৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভারী বর্ষণের কারণে কক্সবাজারে পাহাড় ধসে হতাহতের আশঙ্কায় দুর্ঘটনা এড়াতে ঝূুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসনের নেয়া উদ্যোগে সারা দিচ্ছে না পাহাড়ের বাসিন্দারা।

কিছুতেই সরতে রাজি হচ্ছে না এসব লোকজন। জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার মাইকিং, আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া, পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং দুয়ারে-দুয়ারে গিয়ে প্রশাসনের অনুনয়-বিনয় কিছুতেই গলছে না পাহাড়ে বসবাসরতদের মন।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মাহাবুবুর রহমান বলেন, পৌরসভার বিডিআর ক্যাম্প, সিটিকলেজ, সমিতিবাজার, বাদশাঘোনা, বৈদ্যঘোনা, ঘোনার পাড়া, পাহাড়তলী, রুমালিয়ারছড়া, কলাতলী, বইল্ল্যাপাড়া সহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। তাদের অন্তত রাতের জন্য সরে আসতে অনুরোধ করা হয়। আশ্রয়গ্রহিতাদের জন্য খাবার, পানি ও তাদের বাড়ি পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও কেউ আসতে চায় না।

মেয়র আরো বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পৌরকর্তৃপক্ষ চেষ্টা করছে তাদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরিয়ে নিতে। কিন্তু এসব লোকজন কোনভাবে সরছে না।

শহরের বৈদ্যঘোনার জিয়ার স্ত্রী রোজিনা আক্তার বলেন, রোজার মাস। রাতে সেহেরি খেতে হবে। বাড়িতে ঈদের কেনাকাটা করা হয়েছে। মালপত্র রয়েছে। এতকিছু ফেলে রাতের বেলা কোথায় যাব।

ঘোনার পাড়ার হাফেজ মনির বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। কিন্তু মাইকিং করলেও বউ-বাচ্চা আর ঘরের জিনিস-পত্র নিয়ে কোথায় যাব। সরকার যদি আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিত তাহলে যেতে পারতাম।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, আমরা রাত সাড়ে ১১টা থেকে তাদের অনুরোধ করছি নিরাপদ স্থানে আসতে। কিন্তু তারা শুনছে না। সকালে তাদের সরিয়ে নিতে প্রশাসন কঠোরতা অবলম্বন করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

প্রশাসনের উদ্যোগে সাড়া দিচ্ছে না পাহাড়ের বাসিন্দারা

আপডেট টাইম : ১১:৫৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ জুন ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভারী বর্ষণের কারণে কক্সবাজারে পাহাড় ধসে হতাহতের আশঙ্কায় দুর্ঘটনা এড়াতে ঝূুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসনের নেয়া উদ্যোগে সারা দিচ্ছে না পাহাড়ের বাসিন্দারা।

কিছুতেই সরতে রাজি হচ্ছে না এসব লোকজন। জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার মাইকিং, আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া, পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং দুয়ারে-দুয়ারে গিয়ে প্রশাসনের অনুনয়-বিনয় কিছুতেই গলছে না পাহাড়ে বসবাসরতদের মন।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মাহাবুবুর রহমান বলেন, পৌরসভার বিডিআর ক্যাম্প, সিটিকলেজ, সমিতিবাজার, বাদশাঘোনা, বৈদ্যঘোনা, ঘোনার পাড়া, পাহাড়তলী, রুমালিয়ারছড়া, কলাতলী, বইল্ল্যাপাড়া সহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। তাদের অন্তত রাতের জন্য সরে আসতে অনুরোধ করা হয়। আশ্রয়গ্রহিতাদের জন্য খাবার, পানি ও তাদের বাড়ি পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও কেউ আসতে চায় না।

মেয়র আরো বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পৌরকর্তৃপক্ষ চেষ্টা করছে তাদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরিয়ে নিতে। কিন্তু এসব লোকজন কোনভাবে সরছে না।

শহরের বৈদ্যঘোনার জিয়ার স্ত্রী রোজিনা আক্তার বলেন, রোজার মাস। রাতে সেহেরি খেতে হবে। বাড়িতে ঈদের কেনাকাটা করা হয়েছে। মালপত্র রয়েছে। এতকিছু ফেলে রাতের বেলা কোথায় যাব।

ঘোনার পাড়ার হাফেজ মনির বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। কিন্তু মাইকিং করলেও বউ-বাচ্চা আর ঘরের জিনিস-পত্র নিয়ে কোথায় যাব। সরকার যদি আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিত তাহলে যেতে পারতাম।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, আমরা রাত সাড়ে ১১টা থেকে তাদের অনুরোধ করছি নিরাপদ স্থানে আসতে। কিন্তু তারা শুনছে না। সকালে তাদের সরিয়ে নিতে প্রশাসন কঠোরতা অবলম্বন করবে।