ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

এজন্য স্বাস্থ্যখাতে তামাক নিয়ন্ত্রণকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে : রাষ্ট্রপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মে ২০১৮
  • ৩৬১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সরকার টেকসই উন্নয়নে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, এজন্য স্বাস্থ্যখাতে তামাক নিয়ন্ত্রণকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তামাকের ব্যবহার হ্রাস করতে পারলে তামাকজনিত মৃত্যু কমে আসবে এবং জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির উন্নয়ন হবে।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, তামাক জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

বিশ্বে সকল প্রতিরোধযোগ্য রোগের অন্যতম প্রধান কারণ তামাক। তামাকের কারণে সারা বিশ্বে প্রতি ৬ সেকেন্ডে একজন লোক ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, হাঁপানিসহ ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদী নানা রোগে মৃত্যুবরণ করে। এছাড়াও অসুস্থ হয়ে কর্মক্ষমতা হারায়, যার প্রভাব পড়ে তার পরিবার ও সমাজে। তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার জনস্বাস্থ্য ও জাতীয় অর্থনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্যকে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে ২০১৩ সালে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ সংশোধন করেছে। সাথে সাথে ২০১৫ সালে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) বিধি ২০১৫ প্রণয়ন করেছে। আইন অনুসারে সকল তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কের উভয় পার্শ্বে ৫০ ভাগ স্থানজুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রিত হচ্ছে। তামাকের ধোঁয়া থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষায় পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহণে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিশুদের তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য এ আইনে শিশুদের নিকট বা শিশুদের দ্বারা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ধূমপান, পরোক্ষ ধূমপান ও ধোঁয়াবিহীন তামাক সেবন হৃদযন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি করে। তামাক হৃদরোগ ও স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ। এ বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘তামাক করে হৃৎপিন্ডের ক্ষয়: স্বাস্থ্যকে ভালোবাসি, তামাককে নয়’-যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০১৮’ উপলক্ষে নেয়া সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

এজন্য স্বাস্থ্যখাতে তামাক নিয়ন্ত্রণকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে : রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম : ১২:৩২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মে ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সরকার টেকসই উন্নয়নে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, এজন্য স্বাস্থ্যখাতে তামাক নিয়ন্ত্রণকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তামাকের ব্যবহার হ্রাস করতে পারলে তামাকজনিত মৃত্যু কমে আসবে এবং জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির উন্নয়ন হবে।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, তামাক জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

বিশ্বে সকল প্রতিরোধযোগ্য রোগের অন্যতম প্রধান কারণ তামাক। তামাকের কারণে সারা বিশ্বে প্রতি ৬ সেকেন্ডে একজন লোক ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, হাঁপানিসহ ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদী নানা রোগে মৃত্যুবরণ করে। এছাড়াও অসুস্থ হয়ে কর্মক্ষমতা হারায়, যার প্রভাব পড়ে তার পরিবার ও সমাজে। তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার জনস্বাস্থ্য ও জাতীয় অর্থনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্যকে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে ২০১৩ সালে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ সংশোধন করেছে। সাথে সাথে ২০১৫ সালে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) বিধি ২০১৫ প্রণয়ন করেছে। আইন অনুসারে সকল তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কের উভয় পার্শ্বে ৫০ ভাগ স্থানজুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রিত হচ্ছে। তামাকের ধোঁয়া থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষায় পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহণে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিশুদের তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য এ আইনে শিশুদের নিকট বা শিশুদের দ্বারা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ধূমপান, পরোক্ষ ধূমপান ও ধোঁয়াবিহীন তামাক সেবন হৃদযন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি করে। তামাক হৃদরোগ ও স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ। এ বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘তামাক করে হৃৎপিন্ডের ক্ষয়: স্বাস্থ্যকে ভালোবাসি, তামাককে নয়’-যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০১৮’ উপলক্ষে নেয়া সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।