ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

রোহিঙ্গা জীবন নিশ্চিত করতে ওআইসির সহযোগিতা চেয়েছেন : রাষ্ট্রপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ মে ২০১৮
  • ৩১৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিজ ভূমিতে বৈষম্য, নিপীড়ন এবং পরিকল্পিত নির্যাতনে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা মুসলমানদের শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে ওআইসির সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ।

শনিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাউন্সিলের (সিএফএম) সম্মানে দেয়া ভোজসভায় তিনি এই সহযোগিতা চান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থাভুক্ত (ওআইসি) দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ওআইসির মহাসচিব ড. ইউসেফ এ আল-ওথাইমিন এবং সহকারী মহাসচিব উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা জনস্রোতের ভয়ানক চাপের মুখোমুখী। প্রতিবেশী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যা ঘটেছে তা কেবল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তিরই লংঘন নয় বরং এটি জাতিগত নিধনের জলন্ত দৃষ্টান্ত।’

তিনি বলেন, ‘সংঘাত ও ইসলামফোবিয়ায় আমাদের বিশ্ব চ্যালেঞ্জের মুখে। যাতে মুসলমানরা ইসলাম ফোবিয়া অথবা জাতিগত নিধনের শিকার না হয় সে বিষয় ওআইসিকে একটি স্থিতিশীল বিশ্বের জন্য লক্ষ্য স্থির করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সংহতির পরিবর্তে ওআইসি সদস্যদের জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে।’

মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে জাতিগত নিধনের বিবরণ তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৮২ সালে নাগরিকত্ব আইনের অধীনে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের অধিকার হরণ করা হয়েছে। নাগরিক ও রাজনৈতিক জীবনে অংশগ্রহণ বঞ্চিত রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুযোগ হরণ করা হয়েছে। তারা নিজ দেশে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতির অধিকার থেকে বঞ্চিত।’

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালিত দীর্ঘদিনের নিপীড়ন সর্বশেষ ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হয় এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা চালানো হয়।’

রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গাদের জন্য এবং একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্টায় ওআইসির ভূমিকার প্রশংসা করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্ব দ্রুত বদলে যাচ্ছে এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে, এ অবস্থায় বিশ্বের ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন মুসলিমের আশা-আকাক্ষা পূরণে ওআইসিকে সামনের দিকে এগোতে হবে এবং কার্যকারিতা জোরদার করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘মুসলিম বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়নে ২০০৫ সালে গৃহীত লক্ষ্য ‘সলিডারিটি ইন অ্যাকশন’ নতুন করে জোরদার করা প্রয়োজন। ভোজসভার পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সূত্র : বাসস

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

রোহিঙ্গা জীবন নিশ্চিত করতে ওআইসির সহযোগিতা চেয়েছেন : রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম : ১০:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ মে ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিজ ভূমিতে বৈষম্য, নিপীড়ন এবং পরিকল্পিত নির্যাতনে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা মুসলমানদের শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে ওআইসির সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ।

শনিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাউন্সিলের (সিএফএম) সম্মানে দেয়া ভোজসভায় তিনি এই সহযোগিতা চান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থাভুক্ত (ওআইসি) দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ওআইসির মহাসচিব ড. ইউসেফ এ আল-ওথাইমিন এবং সহকারী মহাসচিব উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা জনস্রোতের ভয়ানক চাপের মুখোমুখী। প্রতিবেশী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যা ঘটেছে তা কেবল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তিরই লংঘন নয় বরং এটি জাতিগত নিধনের জলন্ত দৃষ্টান্ত।’

তিনি বলেন, ‘সংঘাত ও ইসলামফোবিয়ায় আমাদের বিশ্ব চ্যালেঞ্জের মুখে। যাতে মুসলমানরা ইসলাম ফোবিয়া অথবা জাতিগত নিধনের শিকার না হয় সে বিষয় ওআইসিকে একটি স্থিতিশীল বিশ্বের জন্য লক্ষ্য স্থির করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সংহতির পরিবর্তে ওআইসি সদস্যদের জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে।’

মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে জাতিগত নিধনের বিবরণ তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৮২ সালে নাগরিকত্ব আইনের অধীনে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের অধিকার হরণ করা হয়েছে। নাগরিক ও রাজনৈতিক জীবনে অংশগ্রহণ বঞ্চিত রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুযোগ হরণ করা হয়েছে। তারা নিজ দেশে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতির অধিকার থেকে বঞ্চিত।’

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালিত দীর্ঘদিনের নিপীড়ন সর্বশেষ ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হয় এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা চালানো হয়।’

রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গাদের জন্য এবং একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্টায় ওআইসির ভূমিকার প্রশংসা করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্ব দ্রুত বদলে যাচ্ছে এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে, এ অবস্থায় বিশ্বের ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন মুসলিমের আশা-আকাক্ষা পূরণে ওআইসিকে সামনের দিকে এগোতে হবে এবং কার্যকারিতা জোরদার করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘মুসলিম বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়নে ২০০৫ সালে গৃহীত লক্ষ্য ‘সলিডারিটি ইন অ্যাকশন’ নতুন করে জোরদার করা প্রয়োজন। ভোজসভার পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সূত্র : বাসস