ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪৫০২ কোটি টাকা স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা জরুরি : সংস্কৃতি মন্ত্রী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ সরকারের সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল নতুন সিদ্ধান্ত, ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ৫ দিনের রিমান্ডে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে প্রায় ১১ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৭ দিনের অভিযান আসাদগেট-শ্যামলীতে সব ক্লিনিক পরিদর্শন, অনিয়মে ছাড় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিতকরণের কোন বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৮
  • ৫৬৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উন্নত কর্মপরিবেশ, শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক, শ্রমিকের অধিকার, তাঁদের পেশাগত নিরাপত্তা ও সুস্থ্যতা নিশ্চিতকরণের কোন বিকল্প নেই।

১ মে মহান মে দিবস উপলক্ষে আজ এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন । আগামীকাল বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো দেশব্যাপী এ দিবস উদযাপিত হবে।

মহান মে দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষই হচ্ছে উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্যেই নিহিত রয়েছে দেশের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ।

আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন তথা ‘রূপকল্প-২০২১ ও ২০৪১’ বাস্তবায়নে শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের সার্বিক কল্যাণসাধন ও তাঁদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান শ্রমিকবান্ধব সরকার এ লক্ষ্যে ন্যূনতম মজুরি নিশ্চিতসহ শ্রমিকের স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের শিল্প ও বাণিজ্যের অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে প্রয়োজন বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, শ্রমিকের একাগ্রতা এবং শ্রমিক মালিক পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। শ্রমিক ও মালিকের ইতিবাচক ও অগ্রসরমাণ অংশগ্রহণের মাধ্যমে শ্রমক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা ও উৎপাদনশীলতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, স্বার্থ ও কল্যাণের সঙ্গে মহান মে দিবসের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাঁদের জীবনমান উন্নয়ন এবং ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সকলে স্ব স্ব ক্ষেত্রে ঐকান্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।-বাসস

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর

শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিতকরণের কোন বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম : ১০:১২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উন্নত কর্মপরিবেশ, শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক, শ্রমিকের অধিকার, তাঁদের পেশাগত নিরাপত্তা ও সুস্থ্যতা নিশ্চিতকরণের কোন বিকল্প নেই।

১ মে মহান মে দিবস উপলক্ষে আজ এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন । আগামীকাল বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো দেশব্যাপী এ দিবস উদযাপিত হবে।

মহান মে দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষই হচ্ছে উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্যেই নিহিত রয়েছে দেশের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ।

আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন তথা ‘রূপকল্প-২০২১ ও ২০৪১’ বাস্তবায়নে শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের সার্বিক কল্যাণসাধন ও তাঁদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান শ্রমিকবান্ধব সরকার এ লক্ষ্যে ন্যূনতম মজুরি নিশ্চিতসহ শ্রমিকের স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের শিল্প ও বাণিজ্যের অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে প্রয়োজন বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, শ্রমিকের একাগ্রতা এবং শ্রমিক মালিক পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। শ্রমিক ও মালিকের ইতিবাচক ও অগ্রসরমাণ অংশগ্রহণের মাধ্যমে শ্রমক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা ও উৎপাদনশীলতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, স্বার্থ ও কল্যাণের সঙ্গে মহান মে দিবসের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাঁদের জীবনমান উন্নয়ন এবং ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সকলে স্ব স্ব ক্ষেত্রে ঐকান্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।-বাসস