ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

খোলা বাজারে চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মার্চ ২০১৮
  • ৫৭৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীসহ সারা দেশে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রি। প্রতি কেজি চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে।

গতকাল রোববার থেকে খোলা বাজারে চাল বিক্রির কথা থাকলেও তা হয়নি। সোমবার থেকে শুরু হয়। এদিকে খোলা বাজারে প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ১৭ টাকা দরে।

খাদ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে রাইজিংবিডিকে জানানো হয়, শুক্র ও শনিবার দুইদিন ছুটি থাকায় ডিলাররা ব্যাংকে টাকা জমা দিতে পারেনি। ফলে তাদের অনুকূলে চাল ও আটা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রোববার থেকে খোলা বাজারে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। তবে সোমবার থেকে পুরোদমে চাল ও আটা বিক্রি শুরু হচ্ছে।

সূত্র জানায়, খাদ্য অধিদপ্তর থেকে প্রত্যেক ডিলার ১ টন করে চাল বরাদ্দ পাবেন। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ কেজি চাল কিনতে পারবেন। প্রতি কেজি চালের দাম ঠিক করা হয়েছে ৩০ টাকা। ওএমএসে ১৭ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রি করা হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম নতুন করে খোলা বাজারে সিদ্ধ চাল বিক্রির ঘোষণা দেন। খাদ্যমন্ত্রী জানান, ৪ মার্চ থেকে শুরু হয়ে বোরো ধান সংগ্রহ পর্যন্ত খোলা বাজারে চাল বিক্রি চলবে।

বাজারে চালের দামের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ওএমএস কার্যক্রমে আতপ চাল বিক্রি শুরু করে সরকার। তখন প্রতি কেজি চাল ১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়। পরে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে চাল বিক্রি কার্যক্রম উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হয়। তবে ওএমএসে সিদ্ধ চালের পরিবর্তে আতপ চালের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় ক্রেতাদের তেমন সাড়া মেলেনি। এর ওপর সরকারি খাদ্য মজুতের পরিমাণ কমে যাওয়ায় গত ডিসেম্বরে আতপ চাল বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সরকারের গোডাউনে প্রায় ১১ লাখ ১৩ হাজার মেট্রিকটন চাল এবং ৩ লাখ ৬৮ হাজার টন গম মজুত আছে বলেও খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

খোলা বাজারে চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে

আপডেট টাইম : ০৩:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মার্চ ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীসহ সারা দেশে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রি। প্রতি কেজি চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে।

গতকাল রোববার থেকে খোলা বাজারে চাল বিক্রির কথা থাকলেও তা হয়নি। সোমবার থেকে শুরু হয়। এদিকে খোলা বাজারে প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ১৭ টাকা দরে।

খাদ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে রাইজিংবিডিকে জানানো হয়, শুক্র ও শনিবার দুইদিন ছুটি থাকায় ডিলাররা ব্যাংকে টাকা জমা দিতে পারেনি। ফলে তাদের অনুকূলে চাল ও আটা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রোববার থেকে খোলা বাজারে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। তবে সোমবার থেকে পুরোদমে চাল ও আটা বিক্রি শুরু হচ্ছে।

সূত্র জানায়, খাদ্য অধিদপ্তর থেকে প্রত্যেক ডিলার ১ টন করে চাল বরাদ্দ পাবেন। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ কেজি চাল কিনতে পারবেন। প্রতি কেজি চালের দাম ঠিক করা হয়েছে ৩০ টাকা। ওএমএসে ১৭ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রি করা হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম নতুন করে খোলা বাজারে সিদ্ধ চাল বিক্রির ঘোষণা দেন। খাদ্যমন্ত্রী জানান, ৪ মার্চ থেকে শুরু হয়ে বোরো ধান সংগ্রহ পর্যন্ত খোলা বাজারে চাল বিক্রি চলবে।

বাজারে চালের দামের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ওএমএস কার্যক্রমে আতপ চাল বিক্রি শুরু করে সরকার। তখন প্রতি কেজি চাল ১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়। পরে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে চাল বিক্রি কার্যক্রম উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হয়। তবে ওএমএসে সিদ্ধ চালের পরিবর্তে আতপ চালের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় ক্রেতাদের তেমন সাড়া মেলেনি। এর ওপর সরকারি খাদ্য মজুতের পরিমাণ কমে যাওয়ায় গত ডিসেম্বরে আতপ চাল বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সরকারের গোডাউনে প্রায় ১১ লাখ ১৩ হাজার মেট্রিকটন চাল এবং ৩ লাখ ৬৮ হাজার টন গম মজুত আছে বলেও খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।