ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আজকে যারা সংস্কার-সংস্কার করছেন বিগত ১৭ বছর কোথায় ছিলেন: প্রধানমন্ত্রী নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মুখে নয়, জনগণকে দেয়া ওয়াদা পালন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শোলাকিয়া ঈদগাহের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দুদিন ধরে ‘হাঁটতে পারছেন না’ সাবেক রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভায় আসছে নতুন মুখ, হতে পারে দপ্তর পুনর্বণ্টন মঙ্গলবার চালু হচ্ছে বিআরটিসির ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস তারেক রহমানের টেবিলে ছাত্রদলের নতুন কমিটি, ঘোষণা যেকোনো সময় ডনের পর সামিরা ও আজিজকে গ্রেফতারের দাবি সালমান শাহ ভক্তদের ১১ ঘণ্টায়ও খোঁজ পাওয়া যায়নি স্কুলছাত্রী জুঁইয়ের

খোলা বাজারে চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মার্চ ২০১৮
  • ৫৮১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীসহ সারা দেশে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রি। প্রতি কেজি চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে।

গতকাল রোববার থেকে খোলা বাজারে চাল বিক্রির কথা থাকলেও তা হয়নি। সোমবার থেকে শুরু হয়। এদিকে খোলা বাজারে প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ১৭ টাকা দরে।

খাদ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে রাইজিংবিডিকে জানানো হয়, শুক্র ও শনিবার দুইদিন ছুটি থাকায় ডিলাররা ব্যাংকে টাকা জমা দিতে পারেনি। ফলে তাদের অনুকূলে চাল ও আটা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রোববার থেকে খোলা বাজারে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। তবে সোমবার থেকে পুরোদমে চাল ও আটা বিক্রি শুরু হচ্ছে।

সূত্র জানায়, খাদ্য অধিদপ্তর থেকে প্রত্যেক ডিলার ১ টন করে চাল বরাদ্দ পাবেন। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ কেজি চাল কিনতে পারবেন। প্রতি কেজি চালের দাম ঠিক করা হয়েছে ৩০ টাকা। ওএমএসে ১৭ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রি করা হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম নতুন করে খোলা বাজারে সিদ্ধ চাল বিক্রির ঘোষণা দেন। খাদ্যমন্ত্রী জানান, ৪ মার্চ থেকে শুরু হয়ে বোরো ধান সংগ্রহ পর্যন্ত খোলা বাজারে চাল বিক্রি চলবে।

বাজারে চালের দামের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ওএমএস কার্যক্রমে আতপ চাল বিক্রি শুরু করে সরকার। তখন প্রতি কেজি চাল ১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়। পরে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে চাল বিক্রি কার্যক্রম উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হয়। তবে ওএমএসে সিদ্ধ চালের পরিবর্তে আতপ চালের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় ক্রেতাদের তেমন সাড়া মেলেনি। এর ওপর সরকারি খাদ্য মজুতের পরিমাণ কমে যাওয়ায় গত ডিসেম্বরে আতপ চাল বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সরকারের গোডাউনে প্রায় ১১ লাখ ১৩ হাজার মেট্রিকটন চাল এবং ৩ লাখ ৬৮ হাজার টন গম মজুত আছে বলেও খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আজকে যারা সংস্কার-সংস্কার করছেন বিগত ১৭ বছর কোথায় ছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

খোলা বাজারে চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে

আপডেট টাইম : ০৩:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মার্চ ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীসহ সারা দেশে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রি। প্রতি কেজি চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে।

গতকাল রোববার থেকে খোলা বাজারে চাল বিক্রির কথা থাকলেও তা হয়নি। সোমবার থেকে শুরু হয়। এদিকে খোলা বাজারে প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ১৭ টাকা দরে।

খাদ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে রাইজিংবিডিকে জানানো হয়, শুক্র ও শনিবার দুইদিন ছুটি থাকায় ডিলাররা ব্যাংকে টাকা জমা দিতে পারেনি। ফলে তাদের অনুকূলে চাল ও আটা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রোববার থেকে খোলা বাজারে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। তবে সোমবার থেকে পুরোদমে চাল ও আটা বিক্রি শুরু হচ্ছে।

সূত্র জানায়, খাদ্য অধিদপ্তর থেকে প্রত্যেক ডিলার ১ টন করে চাল বরাদ্দ পাবেন। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ কেজি চাল কিনতে পারবেন। প্রতি কেজি চালের দাম ঠিক করা হয়েছে ৩০ টাকা। ওএমএসে ১৭ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রি করা হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম নতুন করে খোলা বাজারে সিদ্ধ চাল বিক্রির ঘোষণা দেন। খাদ্যমন্ত্রী জানান, ৪ মার্চ থেকে শুরু হয়ে বোরো ধান সংগ্রহ পর্যন্ত খোলা বাজারে চাল বিক্রি চলবে।

বাজারে চালের দামের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ওএমএস কার্যক্রমে আতপ চাল বিক্রি শুরু করে সরকার। তখন প্রতি কেজি চাল ১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়। পরে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে চাল বিক্রি কার্যক্রম উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হয়। তবে ওএমএসে সিদ্ধ চালের পরিবর্তে আতপ চালের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় ক্রেতাদের তেমন সাড়া মেলেনি। এর ওপর সরকারি খাদ্য মজুতের পরিমাণ কমে যাওয়ায় গত ডিসেম্বরে আতপ চাল বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সরকারের গোডাউনে প্রায় ১১ লাখ ১৩ হাজার মেট্রিকটন চাল এবং ৩ লাখ ৬৮ হাজার টন গম মজুত আছে বলেও খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।