ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায় : প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮
  • ৩৪৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ধর্মান্ধরাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালিয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তারা এই অন্ধত্বে ঢুকে যাচ্ছে কেন? যদিও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশে কোরো রকম সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ আমরা চলতে দেব না। এবং মাদকের বিরুদ্ধেও আমরা অভিযান চালাচ্ছি। ‘এটা বোঝা যায় তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এই ঘটনাগুলো ঘটায় তারা তো ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা মনে করে একটা মানুষকে খুন করলে বুঝি বেহেশতে চলে যাবে।

আজ রবিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ছেলে মেয়েরা যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের পথে না যায়, সে জন্য অভিভাবক, শিক্ষকদেরকে বাচ্চাদের ওপর নজরদারির আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। তার অবস্থা এখন অনেকটা ভালো। কিন্তু যে হামলাটা হলো, যারা হামলা করলো, এরা কারা? যারা এ ঘটনাগুলো ঘটায়, তারা ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা ভাবে যে, তারা বেহেশতে যাবে কিন্তু আসলে তারা হয়তো দোজখে যাবে। কারণ মানুষ খুন করে কেউ বেহেশতে যেতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে উন্নত করতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষার। এ দেশের মানুষকে শিক্ষা-দীক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে পারলে এর চেয়ে ভালো বিনিয়োগ আর হতে পারে না। ২০৪১সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে দেখতে চাই। এ জন্য বিভিন্ন সেক্টরে গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা অত্যন্ত মেধাবী। সামান্য সহযোগিতা করতে পারলে তাদের দিয়ে উন্নত যেকোনো আবিষ্কার সম্ভব। তিনি বলেন, বাঙালি জাতি বীরের জাতি। যারা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করতে পারে, ভাষার জন্য আন্দোলন করতে পারে, তাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বীরের জাতি বীরের মতোই মাথা উঁচু করে বাঁচবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায় : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:৪৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ধর্মান্ধরাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালিয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তারা এই অন্ধত্বে ঢুকে যাচ্ছে কেন? যদিও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশে কোরো রকম সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ আমরা চলতে দেব না। এবং মাদকের বিরুদ্ধেও আমরা অভিযান চালাচ্ছি। ‘এটা বোঝা যায় তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এই ঘটনাগুলো ঘটায় তারা তো ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা মনে করে একটা মানুষকে খুন করলে বুঝি বেহেশতে চলে যাবে।

আজ রবিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ছেলে মেয়েরা যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের পথে না যায়, সে জন্য অভিভাবক, শিক্ষকদেরকে বাচ্চাদের ওপর নজরদারির আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। তার অবস্থা এখন অনেকটা ভালো। কিন্তু যে হামলাটা হলো, যারা হামলা করলো, এরা কারা? যারা এ ঘটনাগুলো ঘটায়, তারা ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা ভাবে যে, তারা বেহেশতে যাবে কিন্তু আসলে তারা হয়তো দোজখে যাবে। কারণ মানুষ খুন করে কেউ বেহেশতে যেতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে উন্নত করতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষার। এ দেশের মানুষকে শিক্ষা-দীক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে পারলে এর চেয়ে ভালো বিনিয়োগ আর হতে পারে না। ২০৪১সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে দেখতে চাই। এ জন্য বিভিন্ন সেক্টরে গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা অত্যন্ত মেধাবী। সামান্য সহযোগিতা করতে পারলে তাদের দিয়ে উন্নত যেকোনো আবিষ্কার সম্ভব। তিনি বলেন, বাঙালি জাতি বীরের জাতি। যারা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করতে পারে, ভাষার জন্য আন্দোলন করতে পারে, তাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বীরের জাতি বীরের মতোই মাথা উঁচু করে বাঁচবে।