ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

বিস্তীর্ণ মাঠে ইরি-ধানের সবুজের সমারোহ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮
  • ৫২৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শস্যভাণ্ডার খ্যাত সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার আট ইউনিয়নে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের চাষকৃত ধানের ক্ষেত এখন গাঢ় সবুজের মাঠে পরিণত হয়েছে। দিগন্তজুড়ে নজর কাড়ছে বোরো ফসলের মাঠ। কৃষকরা ইতোমধ্যে ক্ষেত পরিচর্যা শেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার সার কীটনাশক প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছে।

কৃষক আব্দুল মজিদ জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে গত বছরের তুলনায় এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ইরি বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ হাজার ৫৩০ হেক্টর। এর মধ্যে হাইব্রিড, উফসী ও স্থানীয় জাতের ধান রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের অধিক ফলন উৎপাদনের লক্ষ্যে বোরো ক্ষেতে পার্সিং স্থাপন করাসহ নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে অপরিকল্পিতভাবে যত্রতত্র পুকুর খনন করায় এ উপজেলায় ফসলি জমি দিনে দিনে কমে যাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বিস্তীর্ণ মাঠে ইরি-ধানের সবুজের সমারোহ

আপডেট টাইম : ১২:২৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শস্যভাণ্ডার খ্যাত সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার আট ইউনিয়নে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের চাষকৃত ধানের ক্ষেত এখন গাঢ় সবুজের মাঠে পরিণত হয়েছে। দিগন্তজুড়ে নজর কাড়ছে বোরো ফসলের মাঠ। কৃষকরা ইতোমধ্যে ক্ষেত পরিচর্যা শেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার সার কীটনাশক প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছে।

কৃষক আব্দুল মজিদ জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে গত বছরের তুলনায় এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ইরি বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ হাজার ৫৩০ হেক্টর। এর মধ্যে হাইব্রিড, উফসী ও স্থানীয় জাতের ধান রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের অধিক ফলন উৎপাদনের লক্ষ্যে বোরো ক্ষেতে পার্সিং স্থাপন করাসহ নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে অপরিকল্পিতভাবে যত্রতত্র পুকুর খনন করায় এ উপজেলায় ফসলি জমি দিনে দিনে কমে যাচ্ছে।