ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

শুরু হলো শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার বিচার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৭৮১ বার

বারবার তারিখ পেছানোর পর রোববার এ হত্যা মামলায় ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে শুরু হলো আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার বিচার। এদের মধ্যে আছেন চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং বিএনপি নেতা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীও।
অভিযোগ গঠনের আগে আদালতে প্রায় দুই ঘণ্টা শুনানি হয়। এতে রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন সিলেট জেলা আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মিসবাহউদ্দিন সিরাজ, হবিগঞ্জের জেলা দায়রা জজ আদালতের পিপি আকবর হোসেন প্রমুখ। আর আসামি পক্ষে শুনানি করেন এম নুরুল হক, নোমান মাহমুদ, আবদুল গাফফার ও এমাদ উল্লাহসহ প্রায় অর্ধশত আইনজীবী।
শুনানি শেষে আদালত উপস্থিত ১৪ আসামি ছাড়াও জামিনে থাকা আটজন এবং পলাতক থাকা ১০ জনসহ মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
রোববার সকালে আরিফুলকে কারাগার থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে হুইল চেয়ারে করে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় আদালতপাড়ায় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল। আদালত পাড়ায় মোতায়েন ছিল অতিরিক্ত পুলিশ।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনায় তৎকালীন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অধিকতর তদন্ত করে গত বছরের ১৩ নভেম্বর তৃতীয় পর্যায়ে একটি সম্পূরক অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে। এতে আরিফুল হক চৌধুরী ও জি কে গউছসহ নয়জন নতুন করে অভিযুক্ত হন। গত বছরের ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর আরিফুল ও গউছ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এ বছরের ৭ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এক আদেশে এই দুই মেয়রকে সাময়িক বরখাস্ত করে।
আরিফুল হক চৌধুরীর অসুস্থতার কারণে এর আগে নয় দফা পিছিয়ে যায় মামলাটির অভিযোগ গঠনের তারিখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

শুরু হলো শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার বিচার

আপডেট টাইম : ১০:২২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বারবার তারিখ পেছানোর পর রোববার এ হত্যা মামলায় ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে শুরু হলো আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার বিচার। এদের মধ্যে আছেন চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং বিএনপি নেতা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীও।
অভিযোগ গঠনের আগে আদালতে প্রায় দুই ঘণ্টা শুনানি হয়। এতে রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন সিলেট জেলা আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মিসবাহউদ্দিন সিরাজ, হবিগঞ্জের জেলা দায়রা জজ আদালতের পিপি আকবর হোসেন প্রমুখ। আর আসামি পক্ষে শুনানি করেন এম নুরুল হক, নোমান মাহমুদ, আবদুল গাফফার ও এমাদ উল্লাহসহ প্রায় অর্ধশত আইনজীবী।
শুনানি শেষে আদালত উপস্থিত ১৪ আসামি ছাড়াও জামিনে থাকা আটজন এবং পলাতক থাকা ১০ জনসহ মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
রোববার সকালে আরিফুলকে কারাগার থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে হুইল চেয়ারে করে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় আদালতপাড়ায় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল। আদালত পাড়ায় মোতায়েন ছিল অতিরিক্ত পুলিশ।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনায় তৎকালীন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অধিকতর তদন্ত করে গত বছরের ১৩ নভেম্বর তৃতীয় পর্যায়ে একটি সম্পূরক অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে। এতে আরিফুল হক চৌধুরী ও জি কে গউছসহ নয়জন নতুন করে অভিযুক্ত হন। গত বছরের ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর আরিফুল ও গউছ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এ বছরের ৭ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এক আদেশে এই দুই মেয়রকে সাময়িক বরখাস্ত করে।
আরিফুল হক চৌধুরীর অসুস্থতার কারণে এর আগে নয় দফা পিছিয়ে যায় মামলাটির অভিযোগ গঠনের তারিখ।