ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্যের দেশ: রাষ্ট্রপতি দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিকল্পনা ইসির সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার ক্ষমতাকে প্রশ্ন করাই সাংবাদিকতার মূল কাজ: উপদেষ্টা নেইমারকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লো খুদে ভক্ত, জড়িয়ে ধরলেন তারকা ফাঁসি ছাড়া অন্য কোনো রায় মেনে নেব না : আছিয়ার মা মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হলেন বুশরা ও নওশিন রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয় যেভাবে, উঠে এলো সিদ্ধার্থের বর্ণনায় দুদকের মহাপরিচালক ও পরিচালক পদে রদবদল

শুরু হলো শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার বিচার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৭৯১ বার

বারবার তারিখ পেছানোর পর রোববার এ হত্যা মামলায় ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে শুরু হলো আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার বিচার। এদের মধ্যে আছেন চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং বিএনপি নেতা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীও।
অভিযোগ গঠনের আগে আদালতে প্রায় দুই ঘণ্টা শুনানি হয়। এতে রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন সিলেট জেলা আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মিসবাহউদ্দিন সিরাজ, হবিগঞ্জের জেলা দায়রা জজ আদালতের পিপি আকবর হোসেন প্রমুখ। আর আসামি পক্ষে শুনানি করেন এম নুরুল হক, নোমান মাহমুদ, আবদুল গাফফার ও এমাদ উল্লাহসহ প্রায় অর্ধশত আইনজীবী।
শুনানি শেষে আদালত উপস্থিত ১৪ আসামি ছাড়াও জামিনে থাকা আটজন এবং পলাতক থাকা ১০ জনসহ মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
রোববার সকালে আরিফুলকে কারাগার থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে হুইল চেয়ারে করে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় আদালতপাড়ায় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল। আদালত পাড়ায় মোতায়েন ছিল অতিরিক্ত পুলিশ।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনায় তৎকালীন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অধিকতর তদন্ত করে গত বছরের ১৩ নভেম্বর তৃতীয় পর্যায়ে একটি সম্পূরক অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে। এতে আরিফুল হক চৌধুরী ও জি কে গউছসহ নয়জন নতুন করে অভিযুক্ত হন। গত বছরের ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর আরিফুল ও গউছ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এ বছরের ৭ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এক আদেশে এই দুই মেয়রকে সাময়িক বরখাস্ত করে।
আরিফুল হক চৌধুরীর অসুস্থতার কারণে এর আগে নয় দফা পিছিয়ে যায় মামলাটির অভিযোগ গঠনের তারিখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্যের দেশ: রাষ্ট্রপতি

শুরু হলো শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার বিচার

আপডেট টাইম : ১০:২২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বারবার তারিখ পেছানোর পর রোববার এ হত্যা মামলায় ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে শুরু হলো আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার বিচার। এদের মধ্যে আছেন চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং বিএনপি নেতা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীও।
অভিযোগ গঠনের আগে আদালতে প্রায় দুই ঘণ্টা শুনানি হয়। এতে রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন সিলেট জেলা আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মিসবাহউদ্দিন সিরাজ, হবিগঞ্জের জেলা দায়রা জজ আদালতের পিপি আকবর হোসেন প্রমুখ। আর আসামি পক্ষে শুনানি করেন এম নুরুল হক, নোমান মাহমুদ, আবদুল গাফফার ও এমাদ উল্লাহসহ প্রায় অর্ধশত আইনজীবী।
শুনানি শেষে আদালত উপস্থিত ১৪ আসামি ছাড়াও জামিনে থাকা আটজন এবং পলাতক থাকা ১০ জনসহ মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
রোববার সকালে আরিফুলকে কারাগার থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে হুইল চেয়ারে করে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় আদালতপাড়ায় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল। আদালত পাড়ায় মোতায়েন ছিল অতিরিক্ত পুলিশ।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনায় তৎকালীন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অধিকতর তদন্ত করে গত বছরের ১৩ নভেম্বর তৃতীয় পর্যায়ে একটি সম্পূরক অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে। এতে আরিফুল হক চৌধুরী ও জি কে গউছসহ নয়জন নতুন করে অভিযুক্ত হন। গত বছরের ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর আরিফুল ও গউছ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এ বছরের ৭ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এক আদেশে এই দুই মেয়রকে সাময়িক বরখাস্ত করে।
আরিফুল হক চৌধুরীর অসুস্থতার কারণে এর আগে নয় দফা পিছিয়ে যায় মামলাটির অভিযোগ গঠনের তারিখ।