হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত মোবাইলে সর্বোচ্চ দশ মিনিট ধরে স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন কারাবন্দীরা। এতে, মিনিট প্রতি একটাকা করে খরচ হবে জানিয়েছেন, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন।
নিরাপত্তার খাতিরে কথা বলার সময় গোয়েন্দা সংস্থার একজন সদস্য উপস্থিত থাকার পাশাপাশি, রেকর্ড হবে ফোনালাপ। তবে, জঙ্গি বা শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এই সুবিধার আওতায় পড়বেন না। এস এম ফয়েজের রির্পোটে বিস্তারিত।
শুধু সাজা কার্যকরের স্থান নয়; কারাগারকে সংশোধনাগারে পরিণত করতে আরেক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ কারা অধিদপ্তর। সারাধণ বন্দিদের পরিবারের কাছাকাছি রাখতে এবার চালু হচ্ছে মোবাইল ফোন সেবা।
ফলে স্বজনদের সাথে মোবাইলে বলার সুযোগ পাবেন কারাবন্দিরা। প্রধামন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্পের আওতায় ৮মার্চ টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে চালু হচ্ছে এই সেবা।
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার স্থাপনসহ মোবাইল ফোন সেবার জন্য সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। এই সেবায় কোন কারিগরি ক্রটি রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এর সফলতার ওপর নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের সব কারাগারে যুক্ত করা মোবাইল ফোন সেবা। জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক।
তবে, সাধারণ বন্দিরা মোবাইল ফোনে কথা বলার সুযোগ পেলেও শীর্ষ সন্ত্রাসী বা জঙ্গিরা কারো সাথেই কথা বলতে পারবেন না। বন্দীরা কারাবাস শুরুর সময়েই তাদের মা, বাবা, স্ত্রী অথবা সন্তানের মধ্যে দুজনের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর নেয়া হবে। শুধু মাত্র সেই দু’টি নাম্বরেই এসএমএস পাঠানোর পাশাপাশি কথা বলতে পারবেন কারাবন্দীরা।
Reporter Name 























