ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা ‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’, আলোচিত বিআরটিএ কর্মকর্তা এবার ঢাকায় বদলি

রোহিঙ্গারা মায়ানমারে ফেরার ভয়ে পালাচ্ছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • ৪৩৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে (কাঁটাতারের বাইরে) অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত নেয়া হবে- এমন খবরের পর সেখান থেকে পালাতে শুরু করেছেন তারা।

মঙ্গলবার রাতে সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ড থেকে এক হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে গেছে। সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ড থেকে হঠাৎ করে রোহিঙ্গাদের পালানোর ঘটনায় সীমান্তে বিজিবি টহল জোরদারের পাশাপাশি নিরাপত্তাও বাড়িয়েছে।

বিজিবি অভিযান চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া বেশ কিছু রোহিঙ্গাকে আটক করতে পারলেও অধিকাংশ কুতুপালং শরণার্থী শিবির ও বাংলাদেশের বিভিন্ন আত্বীয় স্বজনদের বাড়ি ও পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছে। সীমান্তে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা নূর আলম জানান, রাতের আধারে বহু রোহিঙ্গা নো ম্যান্স ল্যান্ড ছেড়ে পালিয়ে গেছে। অনেককে বিজিবি ধরে আবার ক্যাম্পে ফেরত পাঠিয়েছে। কিন্তু এভাবে নো ম্যান্স ল্যান্ডে নিরাপত্তাহীনতায় থাকা সম্ভব নয়।

রোহিঙ্গা নারী নূর বেগম বলেন, আমাদের নিরাপত্তাহীনতায় না রেখে কুতুপালং এ নিয়ে গেলেই হয়। না হলে আমরা পালাতে বাধ্য হব।

রোহিঙ্গা আবদুল আলীম জানান, তারা কুতুপালং-এ যেতে চায়, মায়ানমারে নয়। কারণ সেখানে নিরাপত্তা নেই। আবারো তাদের ওপর জুলুম করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা খবর নিয়েছি সেখানে রোহিঙ্গাদের বসতবাড়ি আর নেই। যা আছে তার পাশে সেনাবাহিনী পাহারা দিচ্ছে। আমরা এখন বাংলাদেশেও আসতে পারছিনা মায়ানমারেও যেতে পারছিনা।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তরা বলছেন, মায়ানমারে আপাতত পরিবেশ শান্ত রয়েছে। শিগগির প্রথম দফায় জিরো লাইনের রোহিঙ্গাদের ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য মায়ানমার কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে (কাঁটাতারের বাইরে) অবস্থানকারী সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ড অবস্থানকারী প্রায় ৬ হাজার রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের একটি প্রতিনিধিদল মায়ানমারের মংডু জেলার ঢেকুবনিয়া সীমান্ত পরিদর্শন করে।

সেখানে প্রতিনিধিদলটি রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মাণকৃত আশ্রয়কেন্দ্র ও তাদের গ্রামগুলো ঘুরে দেখেন। সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে থাকা রোহিঙ্গাদের মায়ানমার সরকার খুব শিগশির ফিরিয়ে নেবে বিভাগীয় কমিশনার সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানানোর পর রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপর সেখান থেকে পালাতে শুরু করেছেন তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

রোহিঙ্গারা মায়ানমারে ফেরার ভয়ে পালাচ্ছে

আপডেট টাইম : ০৫:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে (কাঁটাতারের বাইরে) অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত নেয়া হবে- এমন খবরের পর সেখান থেকে পালাতে শুরু করেছেন তারা।

মঙ্গলবার রাতে সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ড থেকে এক হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে গেছে। সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ড থেকে হঠাৎ করে রোহিঙ্গাদের পালানোর ঘটনায় সীমান্তে বিজিবি টহল জোরদারের পাশাপাশি নিরাপত্তাও বাড়িয়েছে।

বিজিবি অভিযান চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া বেশ কিছু রোহিঙ্গাকে আটক করতে পারলেও অধিকাংশ কুতুপালং শরণার্থী শিবির ও বাংলাদেশের বিভিন্ন আত্বীয় স্বজনদের বাড়ি ও পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছে। সীমান্তে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা নূর আলম জানান, রাতের আধারে বহু রোহিঙ্গা নো ম্যান্স ল্যান্ড ছেড়ে পালিয়ে গেছে। অনেককে বিজিবি ধরে আবার ক্যাম্পে ফেরত পাঠিয়েছে। কিন্তু এভাবে নো ম্যান্স ল্যান্ডে নিরাপত্তাহীনতায় থাকা সম্ভব নয়।

রোহিঙ্গা নারী নূর বেগম বলেন, আমাদের নিরাপত্তাহীনতায় না রেখে কুতুপালং এ নিয়ে গেলেই হয়। না হলে আমরা পালাতে বাধ্য হব।

রোহিঙ্গা আবদুল আলীম জানান, তারা কুতুপালং-এ যেতে চায়, মায়ানমারে নয়। কারণ সেখানে নিরাপত্তা নেই। আবারো তাদের ওপর জুলুম করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা খবর নিয়েছি সেখানে রোহিঙ্গাদের বসতবাড়ি আর নেই। যা আছে তার পাশে সেনাবাহিনী পাহারা দিচ্ছে। আমরা এখন বাংলাদেশেও আসতে পারছিনা মায়ানমারেও যেতে পারছিনা।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তরা বলছেন, মায়ানমারে আপাতত পরিবেশ শান্ত রয়েছে। শিগগির প্রথম দফায় জিরো লাইনের রোহিঙ্গাদের ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য মায়ানমার কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে (কাঁটাতারের বাইরে) অবস্থানকারী সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ড অবস্থানকারী প্রায় ৬ হাজার রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের একটি প্রতিনিধিদল মায়ানমারের মংডু জেলার ঢেকুবনিয়া সীমান্ত পরিদর্শন করে।

সেখানে প্রতিনিধিদলটি রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মাণকৃত আশ্রয়কেন্দ্র ও তাদের গ্রামগুলো ঘুরে দেখেন। সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে থাকা রোহিঙ্গাদের মায়ানমার সরকার খুব শিগশির ফিরিয়ে নেবে বিভাগীয় কমিশনার সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানানোর পর রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপর সেখান থেকে পালাতে শুরু করেছেন তারা।