ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

সাত মাসে কৃষিঋণ বিতরন হয়েছে ১২ হাজার ৭০২ কোটি ১৭ লাখ টকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • ৩৪৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সাত মাসে কৃষিঋণ বিতরন হয়েছে ১২ হাজার ৭০২ কোটি ১৭ লাখ টকা। যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার ৬২ দশমিক ২৭ শতাংশ। একই সময়ে আদায় হয়েছে ১১ হাজার ৮৭৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের।

কৃষিঋণ বিতরণে চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ব ৮ বাণিজ্যিক ব্যাংক বিতরণ করবে ৯ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা। ৯ বিদেশি ব্যাংক বিতরণ করবে ৪৮৩ কোটি টাকা। আর বেসরকারি দেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিতরণ করবে ১০ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা। অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি ৭ মাসে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ৫ হাজার ২৯৯ কোটি টাকা। আর দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ব্তিরন করেছে ৭ হাজার ৪০২ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিতরণ করা মোট ঋণের ২ দশমিক ৫ শতাংশ ঋণ পল্লী অঞ্চলে বিতরন করতে হবে। পল্লী অঞ্চলে অর্থ সরবারহের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা ও খাদ্য নিরাপত্তা সৃষ্টিতে সরকারের লক্ষ্যের সঙ্গে সর্ংগতি বাংলাদেশ ব্যাংক এ নির্দেশনা জারি করে। ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক এ ব্যবস্থা চালু করে এর সফলতাও পায়। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিতরন হয় প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা। এ বছর বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয় ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

সাত মাসে কিছু ব্যাংক যেমন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বিতরণ করেছে। আবার কিছু ব্যাংক কম বিতরন করেছে। ৭ মাসে লক্ষ্যমাত্রার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ বিতরন করার কথা। এরমধ্যে আদৌ বিতরন করেনি ব্যাংক আল ফালাহ, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও সীমান্ত ব্যাংক। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম বিতরণ করেছে মধুমতি ব্যাংক ৮ দশমিক ২১ শতাংশ এবং এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক করেছে ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। অন্যদিকে কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন লক্ষ্যমাত্রার ১৯২ শতাংশ, স্টেট অব ব্যাংক ইন্ডিয়া ১৮৭ শতাংশ, কমার্স ব্যাংক ও ডাচ বাংলা ব্যাংক শতভাগ, ব্র্যাক ব্যাংক ১১১ শতাংশ, ইস্টার্ন ব্যাংক ১৫৫ শতাংশ, মিডল্যান্ড ব্যাংক ১৫৭ শতাংশ, এনআরবি ১০৩ শতাংশ, প্রাইম ব্যাংক ১২৮ শতাংশ, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক ১২১ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লক্ষ্যমাত্রার ১২৪ শতাংশ বিতলন করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

সাত মাসে কৃষিঋণ বিতরন হয়েছে ১২ হাজার ৭০২ কোটি ১৭ লাখ টকা

আপডেট টাইম : ০১:০৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সাত মাসে কৃষিঋণ বিতরন হয়েছে ১২ হাজার ৭০২ কোটি ১৭ লাখ টকা। যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার ৬২ দশমিক ২৭ শতাংশ। একই সময়ে আদায় হয়েছে ১১ হাজার ৮৭৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের।

কৃষিঋণ বিতরণে চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ব ৮ বাণিজ্যিক ব্যাংক বিতরণ করবে ৯ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা। ৯ বিদেশি ব্যাংক বিতরণ করবে ৪৮৩ কোটি টাকা। আর বেসরকারি দেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিতরণ করবে ১০ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা। অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি ৭ মাসে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ৫ হাজার ২৯৯ কোটি টাকা। আর দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ব্তিরন করেছে ৭ হাজার ৪০২ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিতরণ করা মোট ঋণের ২ দশমিক ৫ শতাংশ ঋণ পল্লী অঞ্চলে বিতরন করতে হবে। পল্লী অঞ্চলে অর্থ সরবারহের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা ও খাদ্য নিরাপত্তা সৃষ্টিতে সরকারের লক্ষ্যের সঙ্গে সর্ংগতি বাংলাদেশ ব্যাংক এ নির্দেশনা জারি করে। ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক এ ব্যবস্থা চালু করে এর সফলতাও পায়। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিতরন হয় প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা। এ বছর বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয় ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

সাত মাসে কিছু ব্যাংক যেমন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বিতরণ করেছে। আবার কিছু ব্যাংক কম বিতরন করেছে। ৭ মাসে লক্ষ্যমাত্রার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ বিতরন করার কথা। এরমধ্যে আদৌ বিতরন করেনি ব্যাংক আল ফালাহ, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও সীমান্ত ব্যাংক। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম বিতরণ করেছে মধুমতি ব্যাংক ৮ দশমিক ২১ শতাংশ এবং এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক করেছে ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। অন্যদিকে কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন লক্ষ্যমাত্রার ১৯২ শতাংশ, স্টেট অব ব্যাংক ইন্ডিয়া ১৮৭ শতাংশ, কমার্স ব্যাংক ও ডাচ বাংলা ব্যাংক শতভাগ, ব্র্যাক ব্যাংক ১১১ শতাংশ, ইস্টার্ন ব্যাংক ১৫৫ শতাংশ, মিডল্যান্ড ব্যাংক ১৫৭ শতাংশ, এনআরবি ১০৩ শতাংশ, প্রাইম ব্যাংক ১২৮ শতাংশ, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক ১২১ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লক্ষ্যমাত্রার ১২৪ শতাংশ বিতলন করেছে।