ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু সম্পদের পরিমাণ ১০ লাখ ১৭ হাজার টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • ৪০৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু সম্পদের পরিমাণ ১২ হাজার ৭১৪ মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ ১৭ হাজার টাকা। এর মধ্যে উৎপাদিত সম্পদের বাজারমূল্য তিন হাজার ৪৩৪ ডলার। প্রাকৃতিক সম্পদের মাথাপিছু মূল্য ধরা হয়েছে দুই হাজার ২৩৪ ডলার।

বাংলাদেশে যে পরিমাণ চাষযোগ্য জমি রয়েছে তার আর্থিক মূল্য মাথাপিছু এক হাজার ৫০১ ডলার। আর মানবসম্পদের মূল্য ধরা হয়েছে মাথাপিছু সাত হাজার ১৭০ ডলার। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘দ্য চেঞ্জিং ওয়েলথ অব ন্যাশন-২০১৮’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এমনটি উল্লেখ করেছে বিশ্বব্যাংক। ১৯৯৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ১৪১টি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, মানবসম্পদ, উৎপাদিত সম্পদ ও বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য পর্যালোচনা করে এ প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী মোট সম্পদের বড় অংশ এখন মানবসম্পদ। আর দরিদ্র দেশগুলোর অর্ধেকের বেশি সম্পদের উৎস প্রকৃতি। অর্থনৈতিক উন্নতির ধারা অব্যাহত রাখতে মানবসম্পদ ব্যবহারে দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ সময়ে মধ্য আয়ের দেশগুলোর দ্রুত উন্নতি হয়েছে।

বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলোর উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। কিন্তু ধনী-দরিদ্রের সম্পদের ব্যবধান অনেক বেড়েছে। অর্থনৈতিক উন্নতিতে প্রাকৃতিক সম্পদে একক নির্ভরতার দিন ফুরিয়ে আসছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, প্রাকৃতিক সম্পদ-নির্ভর অন্তত দুই ডজন দেশের মাথাপিছু সম্পদের মূল্য বেশ কয়েক বছর ধরে স্থবির রয়েছে। বেশ কয়েকটি দেশে সম্পদের মাথাপিছু পরিমাণ কমছে। তবে এসব দেশের মাথাপিছু আয়ও আগামীতে কমে আসবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম উল্লেখ করেছেন, মানবসম্পদকে বড় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা না করলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪ সালে বিশ্বের মোট সম্পদের আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় এক হাজার ১৪৩ লাখ কোটি ডলার। ১৯৯৫ সালে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৯০ লাখ কোটি ডলার। এ সময়ে বিশ্বব্যাপী সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৬৬ শতাংশ। সম্পদের পরিমাণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অসমতা। নিম্ন আয়ের দেশগুলোর তুলনায় উন্নত দেশগুলোর মাথাপিছু আয় ৫২ গুণ বেশি।

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের বেশ কয়েকটি নিম্ন আয়ের দেশে মাথাপিছু সম্পদের পরিমাণ কমেছে। ২০০৯ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার পর মধ্যপ্রাচ্যের কয়লাসমৃদ্ধ কয়েকটি দেশের পাশাপাশি উন্নত কয়েকটি দেশের সম্পদের পরিমাণও কমেছে। এর ফলে এসব দেশের আয়ও ভবিষ্যতে কমতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু সম্পদের পরিমাণ ১০ লাখ ১৭ হাজার টাকা

আপডেট টাইম : ১২:১৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু সম্পদের পরিমাণ ১২ হাজার ৭১৪ মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ ১৭ হাজার টাকা। এর মধ্যে উৎপাদিত সম্পদের বাজারমূল্য তিন হাজার ৪৩৪ ডলার। প্রাকৃতিক সম্পদের মাথাপিছু মূল্য ধরা হয়েছে দুই হাজার ২৩৪ ডলার।

বাংলাদেশে যে পরিমাণ চাষযোগ্য জমি রয়েছে তার আর্থিক মূল্য মাথাপিছু এক হাজার ৫০১ ডলার। আর মানবসম্পদের মূল্য ধরা হয়েছে মাথাপিছু সাত হাজার ১৭০ ডলার। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘দ্য চেঞ্জিং ওয়েলথ অব ন্যাশন-২০১৮’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এমনটি উল্লেখ করেছে বিশ্বব্যাংক। ১৯৯৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ১৪১টি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, মানবসম্পদ, উৎপাদিত সম্পদ ও বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য পর্যালোচনা করে এ প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী মোট সম্পদের বড় অংশ এখন মানবসম্পদ। আর দরিদ্র দেশগুলোর অর্ধেকের বেশি সম্পদের উৎস প্রকৃতি। অর্থনৈতিক উন্নতির ধারা অব্যাহত রাখতে মানবসম্পদ ব্যবহারে দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ সময়ে মধ্য আয়ের দেশগুলোর দ্রুত উন্নতি হয়েছে।

বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলোর উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। কিন্তু ধনী-দরিদ্রের সম্পদের ব্যবধান অনেক বেড়েছে। অর্থনৈতিক উন্নতিতে প্রাকৃতিক সম্পদে একক নির্ভরতার দিন ফুরিয়ে আসছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, প্রাকৃতিক সম্পদ-নির্ভর অন্তত দুই ডজন দেশের মাথাপিছু সম্পদের মূল্য বেশ কয়েক বছর ধরে স্থবির রয়েছে। বেশ কয়েকটি দেশে সম্পদের মাথাপিছু পরিমাণ কমছে। তবে এসব দেশের মাথাপিছু আয়ও আগামীতে কমে আসবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম উল্লেখ করেছেন, মানবসম্পদকে বড় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা না করলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪ সালে বিশ্বের মোট সম্পদের আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় এক হাজার ১৪৩ লাখ কোটি ডলার। ১৯৯৫ সালে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৯০ লাখ কোটি ডলার। এ সময়ে বিশ্বব্যাপী সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৬৬ শতাংশ। সম্পদের পরিমাণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অসমতা। নিম্ন আয়ের দেশগুলোর তুলনায় উন্নত দেশগুলোর মাথাপিছু আয় ৫২ গুণ বেশি।

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের বেশ কয়েকটি নিম্ন আয়ের দেশে মাথাপিছু সম্পদের পরিমাণ কমেছে। ২০০৯ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার পর মধ্যপ্রাচ্যের কয়লাসমৃদ্ধ কয়েকটি দেশের পাশাপাশি উন্নত কয়েকটি দেশের সম্পদের পরিমাণও কমেছে। এর ফলে এসব দেশের আয়ও ভবিষ্যতে কমতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।