ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

বোরো রোপনে ঝুঁকছে উপকূলীয় কৃষকরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৩২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • ৩৫০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সমুদ্র উপকূলীয় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষকরা বোরো আবাদের দিকে ঝুঁকছে। এক সময় এ উপজেলার কৃষকরা তাদের জমিতে শুধুমাত্র একবারই চাষাবাদ করতো। এখন ওইসব জমিতেই কৃষকরা দুই ফসলের চাষাবাদ শুরু করছে। পানির সেচ ব্যবস্থা ভাল থাকায় প্রান্তিক কৃষকরা বসে নেই। বোরো ধান চাষের জন্য কেউ ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করছে। কেউবা আবার ক্ষেতে বীজ রোপনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে।

এ বছর কলাপাড়ায় ২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমি টার্গেট করে বোরো চাষ হচ্ছে। কিন্তু গত বছর মাত্র ২শ’ ১০ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছিল। গত বছরের চেয়ে এবছর বোরো চাষ দশগুণ বেশি হয়েছে বলে কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

একাধিক কৃষক সূত্রে জানা গেছে, গত বছর বোরো ধানের ফলন ভাল হওয়ায় উপজেলার প্রায় সবকটি ইউনিয়নেই কম-বেশি বোরো ধান চাষ করছেন কৃষকরা। এছাড়া এ বছর আমনের বাম্পার ফলন এবং বিগত বছর বোরো ধানের ন্যায্য মূল্য পাওয়ায় বোরো আবাদ করছেন কৃষকরা। তবে আমন ধানের মত যদি কৃষকরা বোরোর ন্যায্য মূল পান তাহলে সামনের বছরগুলোতেও বোরোর আবাদ আরও বেশি বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক জালাল আকন জানান, গত বছর ৯ একর জমি বর্গা নিয়ে বোরো চাষ করেছিলাম। খুব ভাল ফলন হয়েছে। এছাড়া দামও ভাল পেয়েছি। এ বছরও বোরো আবাদ করেছি। তবে আগামী বছর আরও বেশি করে বোরোর আবাদ করবো।

কলপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মসিউর রহমান জানান, বোরো ধান আবাদের জন্য প্রয়োজন মিষ্টি পানি। তবে জলাশয়ে কিংবা খালে যাতে লবন পানি প্রবেশ করানো না হয় সেজন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ উপজেলায় বোরো চাষের উপর কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। এছাড়া আমরা কৃষকদের বোরো চাষের জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

বোরো রোপনে ঝুঁকছে উপকূলীয় কৃষকরা

আপডেট টাইম : ০৪:৩২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সমুদ্র উপকূলীয় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষকরা বোরো আবাদের দিকে ঝুঁকছে। এক সময় এ উপজেলার কৃষকরা তাদের জমিতে শুধুমাত্র একবারই চাষাবাদ করতো। এখন ওইসব জমিতেই কৃষকরা দুই ফসলের চাষাবাদ শুরু করছে। পানির সেচ ব্যবস্থা ভাল থাকায় প্রান্তিক কৃষকরা বসে নেই। বোরো ধান চাষের জন্য কেউ ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করছে। কেউবা আবার ক্ষেতে বীজ রোপনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে।

এ বছর কলাপাড়ায় ২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমি টার্গেট করে বোরো চাষ হচ্ছে। কিন্তু গত বছর মাত্র ২শ’ ১০ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছিল। গত বছরের চেয়ে এবছর বোরো চাষ দশগুণ বেশি হয়েছে বলে কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

একাধিক কৃষক সূত্রে জানা গেছে, গত বছর বোরো ধানের ফলন ভাল হওয়ায় উপজেলার প্রায় সবকটি ইউনিয়নেই কম-বেশি বোরো ধান চাষ করছেন কৃষকরা। এছাড়া এ বছর আমনের বাম্পার ফলন এবং বিগত বছর বোরো ধানের ন্যায্য মূল্য পাওয়ায় বোরো আবাদ করছেন কৃষকরা। তবে আমন ধানের মত যদি কৃষকরা বোরোর ন্যায্য মূল পান তাহলে সামনের বছরগুলোতেও বোরোর আবাদ আরও বেশি বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক জালাল আকন জানান, গত বছর ৯ একর জমি বর্গা নিয়ে বোরো চাষ করেছিলাম। খুব ভাল ফলন হয়েছে। এছাড়া দামও ভাল পেয়েছি। এ বছরও বোরো আবাদ করেছি। তবে আগামী বছর আরও বেশি করে বোরোর আবাদ করবো।

কলপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মসিউর রহমান জানান, বোরো ধান আবাদের জন্য প্রয়োজন মিষ্টি পানি। তবে জলাশয়ে কিংবা খালে যাতে লবন পানি প্রবেশ করানো না হয় সেজন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ উপজেলায় বোরো চাষের উপর কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। এছাড়া আমরা কৃষকদের বোরো চাষের জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকি।