ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

কৃষি কাজের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন ও ব্যবহারের শাস্তি ৫০ হাজার টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৬২৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কৃষি কাজের জন্য অননুমোদিত গভীর নলকূপ স্থাপন ও ব্যবহারের শাস্তি ৫০ হাজার টাকা, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘কৃষি কাজে ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা বিল- ২০১৮’ সংসদে পাস হয়েছে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চোধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে রবিবার কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বিলটি পাস করার প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

এর আগে বিলটির ওপরে আনা সংশোধনী ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়।

বিলে কৃষি কাজের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনে শাস্তি বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যমান আইনে জরিমানা সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা ছিল। নতুন আইনে তা বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা বা অনাদায়ে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান যুক্ত হয়েছে। আইনটি পাসের পর বিদ্যমান নলকূপগুলোকে নতুন করে লাইসেন্স নিতে হবে। এজন্য সময় ও সুযোগ দেওয়া হবে বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিলের বিধান অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ নলকূপের লাইসেন্স স্থগিত ও বাতিল করতে পারবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সামরিক শাসনামলে প্রণীত বাতিল হওয়ার অধ্যাদেশসমূহ আবশ্যিকতা বিবেচিত হওয়ায় সংশোধন ও পরিমার্জন করে বাংলায় প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়। ‘দ্য গ্রাউন্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫’  বাংলায় ভাষায় ‘কৃষি কাজে ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা আইন- ২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়েছে। বিলে কৃষি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সেচ কাজে পানির অপচয় রোধ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির সুপরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং পানির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত ও তার ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বিধি-বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

কৃষি কাজের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন ও ব্যবহারের শাস্তি ৫০ হাজার টাকা

আপডেট টাইম : ০৫:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কৃষি কাজের জন্য অননুমোদিত গভীর নলকূপ স্থাপন ও ব্যবহারের শাস্তি ৫০ হাজার টাকা, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘কৃষি কাজে ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা বিল- ২০১৮’ সংসদে পাস হয়েছে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চোধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে রবিবার কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বিলটি পাস করার প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

এর আগে বিলটির ওপরে আনা সংশোধনী ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়।

বিলে কৃষি কাজের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনে শাস্তি বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যমান আইনে জরিমানা সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা ছিল। নতুন আইনে তা বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা বা অনাদায়ে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান যুক্ত হয়েছে। আইনটি পাসের পর বিদ্যমান নলকূপগুলোকে নতুন করে লাইসেন্স নিতে হবে। এজন্য সময় ও সুযোগ দেওয়া হবে বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিলের বিধান অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ নলকূপের লাইসেন্স স্থগিত ও বাতিল করতে পারবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সামরিক শাসনামলে প্রণীত বাতিল হওয়ার অধ্যাদেশসমূহ আবশ্যিকতা বিবেচিত হওয়ায় সংশোধন ও পরিমার্জন করে বাংলায় প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়। ‘দ্য গ্রাউন্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫’  বাংলায় ভাষায় ‘কৃষি কাজে ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা আইন- ২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়েছে। বিলে কৃষি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সেচ কাজে পানির অপচয় রোধ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির সুপরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং পানির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত ও তার ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বিধি-বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।