ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

বীজতলা মরে যাওয়ায় কারণে বিপাকে কৃষক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:২৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৬৭৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জয়পুরহাট জেলায় ঘন কুয়াশা আর প্রচণ্ড শীতে মরে যাচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা। সূর্যের আলো না থাকায় চারা গজায়নি। আবার কোন কোন বীজতলায় দেখা দিয়েছে নানা রোগ-বালাই। ওষুধ ছিটিয়েও রক্ষা করা যাচ্ছে না বীজতলা। ঠিক সময়ে চারা সরবরাহ না করা হলে অনেক জমি এবার পতিত থাকবে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৭২ হাজার ৭৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এজন্য বীজতলা তৈরি করা হয়েছে ৩ হাজার ৭১৫ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যপূরণে উচ্চ ফলনশীল জাতের বিআর-২৮, ২৯, ১৬ ও ৫৪, জিরাশাইল, মিনিকেট জাতের বীজ সরবরাহ করে বিএডিসি। এছাড়া হাইব্রিড জাতের এসিআই-১, ২, ৩, ৪, ৫, ধানীগোল্ড, হিরা-২, ৫, জাগরণ, ময়না, টিয়া, ধানী, এসএল-৮, তেজ জাতের বীজ নিয়ে বীজতলা তৈরি করেছেন কৃষকরা। কিন্তু প্রচণ্ড শীতে উন্নতজাতের বীজ রোপন করেও বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।

সদর উপজেলার কাদোয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল বারিক জানান, শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় বোরো ধানের বীজ তলা নষ্টের পথে। দেখা দিয়েছে নানা প্রকার রোগ বালাই।

একই কথা জানিয়েছেন, আরেক কৃষক সাদেকুল ইসলাম। তিনি জানান, তার বীজতলায় দেখা দিয়েছে হলুদে ধরনের রোগ, যাতে কোন প্রকার ওষুধ ছিটিয়েও লাভ হচ্ছে না।

কালাই উপজেলার দেবখণ্ডা গ্রামের নূরুল মাস্টার ও বানদিঘী গ্রামের আনোয়ার জানান, এবার বোরো আবাদের জন্য হাইব্রিড ধানের বীজ জমিতে লাগিয়েছিলেন তারা। শীতের কারণে চারা গজায়নি।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুধেন্দ্র নাথ রায় জানান, বীজতলা ও চারা রক্ষায় জেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আশাবাদী তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

বীজতলা মরে যাওয়ায় কারণে বিপাকে কৃষক

আপডেট টাইম : ০৫:২৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জয়পুরহাট জেলায় ঘন কুয়াশা আর প্রচণ্ড শীতে মরে যাচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা। সূর্যের আলো না থাকায় চারা গজায়নি। আবার কোন কোন বীজতলায় দেখা দিয়েছে নানা রোগ-বালাই। ওষুধ ছিটিয়েও রক্ষা করা যাচ্ছে না বীজতলা। ঠিক সময়ে চারা সরবরাহ না করা হলে অনেক জমি এবার পতিত থাকবে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৭২ হাজার ৭৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এজন্য বীজতলা তৈরি করা হয়েছে ৩ হাজার ৭১৫ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যপূরণে উচ্চ ফলনশীল জাতের বিআর-২৮, ২৯, ১৬ ও ৫৪, জিরাশাইল, মিনিকেট জাতের বীজ সরবরাহ করে বিএডিসি। এছাড়া হাইব্রিড জাতের এসিআই-১, ২, ৩, ৪, ৫, ধানীগোল্ড, হিরা-২, ৫, জাগরণ, ময়না, টিয়া, ধানী, এসএল-৮, তেজ জাতের বীজ নিয়ে বীজতলা তৈরি করেছেন কৃষকরা। কিন্তু প্রচণ্ড শীতে উন্নতজাতের বীজ রোপন করেও বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।

সদর উপজেলার কাদোয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল বারিক জানান, শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় বোরো ধানের বীজ তলা নষ্টের পথে। দেখা দিয়েছে নানা প্রকার রোগ বালাই।

একই কথা জানিয়েছেন, আরেক কৃষক সাদেকুল ইসলাম। তিনি জানান, তার বীজতলায় দেখা দিয়েছে হলুদে ধরনের রোগ, যাতে কোন প্রকার ওষুধ ছিটিয়েও লাভ হচ্ছে না।

কালাই উপজেলার দেবখণ্ডা গ্রামের নূরুল মাস্টার ও বানদিঘী গ্রামের আনোয়ার জানান, এবার বোরো আবাদের জন্য হাইব্রিড ধানের বীজ জমিতে লাগিয়েছিলেন তারা। শীতের কারণে চারা গজায়নি।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুধেন্দ্র নাথ রায় জানান, বীজতলা ও চারা রক্ষায় জেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আশাবাদী তিনি।