ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

জমিতে একই সঙ্গে লেবু ও বেগুন চাষে সফল হয়েছে কৃষক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৪৮২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার হলুদঘর গ্রামে। বিগত এক দশকে কৃষি কাজে তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেছে। অর্থনৈতিকভাবে আজ তিনি স্বাবলম্বী। মেধা আর কঠোর পরিশ্রম করে একাধারে ধান, সরিষা, আলু, পটল, বেগুন, পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে চলেছেন তিনি।

তবে এবার পরিত্যক্ত ভিটে মাটিকেও চাষাবাদ উপযোগী করে তুলেছেন। একই সঙ্গে লেবু আর চায়না বেগুন চাষ করে সফলতার পথে হাঁটছেন তিনি। সপ্তাহে এক সঙ্গে বেগুন আর লেবু বিক্রি পাঁচ/ছয় হাজার টাকা আয় করছেন এই কৃষক। পাশাপাশি ওই জমিতে ১৬টি আম গাছ ও ১০টি নারিকেল গাছ রোপণ করেছেন।

বছর খানেক আগে বাড়ির পাশের ১০ কাঠা জমির জঙ্গল পরিষ্কার করে চায়না-৩ জাতের লেবু গাছের চারা রোপণ করেন। বর্তমানে লেবু গাছে থোকা থোকা ফুল ও ফল এসেছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু লেবু বিক্রি করেছেন। গত চৈত্র মাসে ওই জমিতে প্রথম চায়না বেগুনের চারা রোপণ করেন। জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষের দিকে বেগুন উত্তোলন শুরু হয়। প্রতি সপ্তাহে চার/পাঁচ মণ করে বেগুন উত্তোলন হতো তার। বাজার দরও বেশ ভালো ছিল সেসময়। সে সময় প্রতি মণ বেগুন বিক্রি করেছেন ১৭০০ টাকা থেকে দুই হাজার টাকা দরে।

কিন্তু ভাদ্র মাসের শেষের দিকে বন্যার পানিতে বেগুন ক্ষেতটি তলিয়ে গিয়ে গাছগুলো নষ্ট হয়ে যায়। তবে তার আগ পর্যন্ত ওই জমি থেকে প্রায় ২৫/২৬ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করেছেন। চাষাবাদে খরচ হয়েছিল মাত্র সাড়ে তিন হাজার টাকা।

তিনি আরো জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরপর আবারও একই জাতের চারা রোপণ করেন। দেড় মাস ধরে বেগুন বিক্রি করছেন। সপ্তাহে চার/পাঁচ মণ করে বেগুন বিক্রি করছেন। প্রথম দিকে মণ প্রতি দুই হাজার টাকা দরে বেগুন বিক্রি হয়েছে। এখন প্রতি মণ বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২ শ’ টাকা থেকে ১৪শ’ টাকায়। নতুন করে চাষ করা এ ক্ষেত থেকে এ পর্যন্ত তার প্রায় ২০ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি হয়েছে। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে এবং বাজার দর ভালো থাকলে এ জমি থেকেই

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

জমিতে একই সঙ্গে লেবু ও বেগুন চাষে সফল হয়েছে কৃষক

আপডেট টাইম : ১২:১১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার হলুদঘর গ্রামে। বিগত এক দশকে কৃষি কাজে তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেছে। অর্থনৈতিকভাবে আজ তিনি স্বাবলম্বী। মেধা আর কঠোর পরিশ্রম করে একাধারে ধান, সরিষা, আলু, পটল, বেগুন, পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে চলেছেন তিনি।

তবে এবার পরিত্যক্ত ভিটে মাটিকেও চাষাবাদ উপযোগী করে তুলেছেন। একই সঙ্গে লেবু আর চায়না বেগুন চাষ করে সফলতার পথে হাঁটছেন তিনি। সপ্তাহে এক সঙ্গে বেগুন আর লেবু বিক্রি পাঁচ/ছয় হাজার টাকা আয় করছেন এই কৃষক। পাশাপাশি ওই জমিতে ১৬টি আম গাছ ও ১০টি নারিকেল গাছ রোপণ করেছেন।

বছর খানেক আগে বাড়ির পাশের ১০ কাঠা জমির জঙ্গল পরিষ্কার করে চায়না-৩ জাতের লেবু গাছের চারা রোপণ করেন। বর্তমানে লেবু গাছে থোকা থোকা ফুল ও ফল এসেছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু লেবু বিক্রি করেছেন। গত চৈত্র মাসে ওই জমিতে প্রথম চায়না বেগুনের চারা রোপণ করেন। জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষের দিকে বেগুন উত্তোলন শুরু হয়। প্রতি সপ্তাহে চার/পাঁচ মণ করে বেগুন উত্তোলন হতো তার। বাজার দরও বেশ ভালো ছিল সেসময়। সে সময় প্রতি মণ বেগুন বিক্রি করেছেন ১৭০০ টাকা থেকে দুই হাজার টাকা দরে।

কিন্তু ভাদ্র মাসের শেষের দিকে বন্যার পানিতে বেগুন ক্ষেতটি তলিয়ে গিয়ে গাছগুলো নষ্ট হয়ে যায়। তবে তার আগ পর্যন্ত ওই জমি থেকে প্রায় ২৫/২৬ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করেছেন। চাষাবাদে খরচ হয়েছিল মাত্র সাড়ে তিন হাজার টাকা।

তিনি আরো জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরপর আবারও একই জাতের চারা রোপণ করেন। দেড় মাস ধরে বেগুন বিক্রি করছেন। সপ্তাহে চার/পাঁচ মণ করে বেগুন বিক্রি করছেন। প্রথম দিকে মণ প্রতি দুই হাজার টাকা দরে বেগুন বিক্রি হয়েছে। এখন প্রতি মণ বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২ শ’ টাকা থেকে ১৪শ’ টাকায়। নতুন করে চাষ করা এ ক্ষেত থেকে এ পর্যন্ত তার প্রায় ২০ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি হয়েছে। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে এবং বাজার দর ভালো থাকলে এ জমি থেকেই