ঢাকা ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

আরেক দফা পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৪২১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ খুলনায় আরেক দফা পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে কাঁচামরিচের দামও কেজিপ্রতি বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা।

তবে শাক-সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। আজ শুক্রবার মহানগরীর শামসুর রহমান রোডের সকালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি পেঁয়াজ (দেশি) ৮০ টাকা, পেঁয়াজ (ভারতীয়) ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, উস্তে ৮০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, সিম ৬০ টাকা, বাঁধা কপি ১৫ টাকা, ওল কপি ৩০ টাকা, ফুল কপি ৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, পালং শাক ৪০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, পেঁয়াজের কালি ২০ টাকা, শাক আলু ৩০ টাকা, খিরাই ৫০ টাকা, লাল শাক ৪০ টাকা, মটরশুটি ১৬০ টাকা, চুইঝাল মাঝারি আকারে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসা সত্ত্বেও ফের পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে ক্ষিপ্ত সাধারণ ক্রেতারা।

এম রহমান নামের এক ক্রেতা বলেন, রান্নার ক্ষেত্রে অন্যতম দুটি উপকরণ হলো পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ। এ দুইটি ছাড়া রান্নার কথা ভাবা যায় না। সুযোগ পেলেই এ দুটির দাম বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। এমনকি চলমান মৌসুমেও সরবরাহ ঘাটতিসহ নানা অজুহাতে আবারও দাম বাড়িয়েছেন।

তিনি জানান, গত সপ্তাহে যে পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি ও কাঁচা মরিচ ৯০ টাকায় কিনেছেন এ সপ্তাহে সেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায়।

ক্রেতা সামছুল আলম বলেন, কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। চালের দামও বাড়তি। এভাবে চললে সাধারণ মানুষ যাবে।

জাফর শেখ নামের এক ক্রেতা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দিন দিন বাড়ছে। কাঁচা মরিচের দাম কমেনি। এর মধ্যে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণে দেশি পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। তবে কেউ কেউ বলছেন, বন্যা ও অতি বৃষ্টির কারণে এবার দেশি পেঁয়াজের ফলন কম হয়েছে। যার কারণে দাম বেশি।

কাঁচামরিচ বিক্রেতা রিপন জানান, পাইকারী কাঁচাবাজারে দেশি মরিচের চরম সংকট চলছে। আর এ কারণেই কাঁচা মরিচের দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না।

তিনি জানান, কাঁচামরিচ এ সপ্তাহে প্রতি কেজি ১০০ টাকা দরে পাইকারীতে কিনেছেন। বিক্রি করছেন ১২০ টাকায়। গত সপ্তাহে ছিল ৮০ টাকা কেজি।
পেঁয়াজ বিক্রেতা ইসমাঈল বলেন, পাইকারী বাজারে পেঁয়াজের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আমদানি কম থাকায় দাম বেড়ে গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

আরেক দফা পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে

আপডেট টাইম : ০৪:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ খুলনায় আরেক দফা পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে কাঁচামরিচের দামও কেজিপ্রতি বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা।

তবে শাক-সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। আজ শুক্রবার মহানগরীর শামসুর রহমান রোডের সকালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি পেঁয়াজ (দেশি) ৮০ টাকা, পেঁয়াজ (ভারতীয়) ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, উস্তে ৮০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, সিম ৬০ টাকা, বাঁধা কপি ১৫ টাকা, ওল কপি ৩০ টাকা, ফুল কপি ৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, পালং শাক ৪০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, পেঁয়াজের কালি ২০ টাকা, শাক আলু ৩০ টাকা, খিরাই ৫০ টাকা, লাল শাক ৪০ টাকা, মটরশুটি ১৬০ টাকা, চুইঝাল মাঝারি আকারে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসা সত্ত্বেও ফের পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে ক্ষিপ্ত সাধারণ ক্রেতারা।

এম রহমান নামের এক ক্রেতা বলেন, রান্নার ক্ষেত্রে অন্যতম দুটি উপকরণ হলো পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ। এ দুইটি ছাড়া রান্নার কথা ভাবা যায় না। সুযোগ পেলেই এ দুটির দাম বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। এমনকি চলমান মৌসুমেও সরবরাহ ঘাটতিসহ নানা অজুহাতে আবারও দাম বাড়িয়েছেন।

তিনি জানান, গত সপ্তাহে যে পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি ও কাঁচা মরিচ ৯০ টাকায় কিনেছেন এ সপ্তাহে সেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায়।

ক্রেতা সামছুল আলম বলেন, কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। চালের দামও বাড়তি। এভাবে চললে সাধারণ মানুষ যাবে।

জাফর শেখ নামের এক ক্রেতা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দিন দিন বাড়ছে। কাঁচা মরিচের দাম কমেনি। এর মধ্যে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণে দেশি পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। তবে কেউ কেউ বলছেন, বন্যা ও অতি বৃষ্টির কারণে এবার দেশি পেঁয়াজের ফলন কম হয়েছে। যার কারণে দাম বেশি।

কাঁচামরিচ বিক্রেতা রিপন জানান, পাইকারী কাঁচাবাজারে দেশি মরিচের চরম সংকট চলছে। আর এ কারণেই কাঁচা মরিচের দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না।

তিনি জানান, কাঁচামরিচ এ সপ্তাহে প্রতি কেজি ১০০ টাকা দরে পাইকারীতে কিনেছেন। বিক্রি করছেন ১২০ টাকায়। গত সপ্তাহে ছিল ৮০ টাকা কেজি।
পেঁয়াজ বিক্রেতা ইসমাঈল বলেন, পাইকারী বাজারে পেঁয়াজের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আমদানি কম থাকায় দাম বেড়ে গেছে।