ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

পৌষের শীত সবসময় কৃষকের কাছেই যেন পরাস্ত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৪৮১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গত দু’দিন ধরে হঠাৎ করেই বেড়েছে কুয়াশা ও শীতের দাপট। অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় জনজীবনে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। নেত্রকোনা জেলার মানুষ সকালে দেরি করে খুলছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আবার সন্ধ্যা হলে আগেভাগেই দোকানপাট বন্ধ হওয়ায় চারপাশ হয়ে যাচ্ছে জনমানবহীন।

কিন্তু যারা মাঠে সোনা ফলাবেন তাদের স্থবিরতা নেই। হাড়ভাঙা শীত আর ঘন কুয়াশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভোর থেকে মাঠে নেমেছেন গ্রামবাংলার প্রকৃত শিল্পী কৃষকরা। শীত সবসময় তাদের কাছেই যেন পরাস্ত!

নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বড়বাট্টা গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, ভোরবেলায় প্রচণ্ড কুয়াশার মধ্যেও ফসল বুনতে কৃষকেরা দলবেঁধে মাঠে কাজ করছেন। শীতের ভয়ে বসে থাকলে চলবে না। আমরা এসময়ে বসে থাকলে পেটে ভাত জুটবে না কারো।

কৃষক রহমত মিয়া বলেন, আমরা বসে থাকলে সমস্যা শুধু আমাদের হবে না গোটা দেশের সমস্যা। মাঠের পর মাঠ ফসল না বুনলে মানুষ খাবে কি।

বেলা সাড়ে ১১টায় কাপাসাটিয়া এলাকায় মাথায় ধানের চারা নিয়ে মাঠের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন দুই কৃষক। পথে কথা হয় তাদের সঙ্গে। কোন ধানের চারা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে প্রশ্নের উত্তরে জানা গেলো, বিআর-২৮ ধানের চারা।

মনে হচ্ছে এখনই মাঘের শীত শুরু হয়ে গেছে। বিকেল থেকেই কুয়াশা শুরু হয়। রাতেও টুপটাপ শব্দে বৃষ্টির মতো ঝড়ে পড়ে কুয়াশা। সকাল পেরিয়ে দুপুর হয়ে গেলেও কুয়াশাচ্ছন্ন থেকে যায় চারপাশ। তবে কুয়াশা বা শীত আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না।

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন না হলে ক’দিন পরেই মাঠের পর মাঠ হয়ে যাবে সবুজ কার্পেট। আর তারপরেই সোনার ফসলে শুরু হবে হাসির ঝিলিক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

পৌষের শীত সবসময় কৃষকের কাছেই যেন পরাস্ত

আপডেট টাইম : ০৪:১২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গত দু’দিন ধরে হঠাৎ করেই বেড়েছে কুয়াশা ও শীতের দাপট। অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় জনজীবনে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। নেত্রকোনা জেলার মানুষ সকালে দেরি করে খুলছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আবার সন্ধ্যা হলে আগেভাগেই দোকানপাট বন্ধ হওয়ায় চারপাশ হয়ে যাচ্ছে জনমানবহীন।

কিন্তু যারা মাঠে সোনা ফলাবেন তাদের স্থবিরতা নেই। হাড়ভাঙা শীত আর ঘন কুয়াশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভোর থেকে মাঠে নেমেছেন গ্রামবাংলার প্রকৃত শিল্পী কৃষকরা। শীত সবসময় তাদের কাছেই যেন পরাস্ত!

নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বড়বাট্টা গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, ভোরবেলায় প্রচণ্ড কুয়াশার মধ্যেও ফসল বুনতে কৃষকেরা দলবেঁধে মাঠে কাজ করছেন। শীতের ভয়ে বসে থাকলে চলবে না। আমরা এসময়ে বসে থাকলে পেটে ভাত জুটবে না কারো।

কৃষক রহমত মিয়া বলেন, আমরা বসে থাকলে সমস্যা শুধু আমাদের হবে না গোটা দেশের সমস্যা। মাঠের পর মাঠ ফসল না বুনলে মানুষ খাবে কি।

বেলা সাড়ে ১১টায় কাপাসাটিয়া এলাকায় মাথায় ধানের চারা নিয়ে মাঠের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন দুই কৃষক। পথে কথা হয় তাদের সঙ্গে। কোন ধানের চারা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে প্রশ্নের উত্তরে জানা গেলো, বিআর-২৮ ধানের চারা।

মনে হচ্ছে এখনই মাঘের শীত শুরু হয়ে গেছে। বিকেল থেকেই কুয়াশা শুরু হয়। রাতেও টুপটাপ শব্দে বৃষ্টির মতো ঝড়ে পড়ে কুয়াশা। সকাল পেরিয়ে দুপুর হয়ে গেলেও কুয়াশাচ্ছন্ন থেকে যায় চারপাশ। তবে কুয়াশা বা শীত আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না।

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন না হলে ক’দিন পরেই মাঠের পর মাঠ হয়ে যাবে সবুজ কার্পেট। আর তারপরেই সোনার ফসলে শুরু হবে হাসির ঝিলিক।