ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

মাঠে মাঠে আমন ধানের সোনালি ঝিলিক দেখা যাচ্ছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:০৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৪৬০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঝালকাঠি জেলার অন্যতম কৃষি প্রধান জনপদ কাঠালিয়া উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ানের ফসলের মাঠে এখন সোনালী ধানের ঝিলিক দেখা যাচ্ছে  । কোথাও কোথাও আংশিক আধাপাকা থাকলেও প্রায় মাঠেই এখন ধান পেঁকে সোনালী রূপ ধারণ করেছে। কিছু জায়গায় আগাম ধান কাটতে শুরু করেছে কৃষকরা।

শীর্ঘই উপজেলার সব মাঠেই ধান কাটা-মড়াই এর ধুম পড়ে যাবে। এবার কিছুদিন পূর্বের ঝড়ো হাওয়ায় ফসলের মাঠে বিপর্যয়ের শংকা থাকলে ও বিপর্যয় কাটিয়ে আমনের ভালো ফলন অটুট থাকায় কৃষকদের মুখে হাসি থাকলেও ন্যায্য মূল্য নিয়ে শংকিত কৃষকরা।

জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আশানুরূপ বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় কয়েক বছরের ব্যবধানে এবার রোপা আমন নিয়ে শংকায় ছিল কৃষকরা। তবে শেষের দিকে কয়েক দফা বৃষ্টিপাত ও সবশেষে ঝড়ো হাওয়া আর বৃষ্টি মিলিয়ে আশা নিরাশার দোলায় সকল বৈরিতা কাটিয়ে আমনের ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকরা কিছুটা ক্ষতির কথা জানালেও এমটিই জানালেন কাঠালিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগ।

আবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় উঁচু নিচু সব জায়গাতেই প্রায় ধান চাষ করা হয়েছে। উপজেলার আমুয়া, চেঁচরী রামপুর, ইউনিয়নে প্রতি বছরই কিছু না কিছু আমন ধান বিনষ্ট হতো। তবে সেই অনুপাতে এবার বিপর্যয় অনেকটাই কম বলে জানান উপজেলার দক্ষিন চেঁচরী গ্রামের কৃষক ছাহেদ আলী হাওলাদার।

কাঠালিয়া উপজেলা উপ সকহারি কৃষি কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন জানান, এবার ব্রী-জাত ৫২ ধান বেশী রোপণ করায় ক্ষতির পরিমাণ অনেকটা কমে এসেছে । নিচু এলাকাতে এই ব্রী- ৫২ জাতের ধান চাষ উত্তম। এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এবার ১০ হাজার ৯ শত ৫০ হেক্টর রোপা আমনে লক্ষ্যমাত্রা অটুট আছে বলে তিনি জানান।

তবে এখন কৃষকরা উদগ্রীব ধানের মূল্য নিয়ে। সব বাধাঁ কাটিয়ে ভালো ফলন হলেও ধান কাটা মাড়ার শুরুর মুখেই ধানের বাজার মূল্য কমে যাওয়ায় এলাকার কৃষকেরা অনেকটা হতাশাবোধ করছে।

প্রায় শতাধিক মধ্যবিত্ত কৃষকেরা জানায় রোপা আমন ধানের উপর নির্ভর করে মৌসুমি সবজি রোপণসহ বিভিন্ন রবিশষ্য চাষাবাদ করার লক্ষ্য রয়েছে। ধানের বাজার মূল্য পড়ে গেলে মধ্যবিত্ত কৃষকদের এ লক্ষ্য পূরণ হবে না। কৃষকেরা সরকারের কাছে ধানের নায্য মূল্য দাবি করেন।

কাঠালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা স্বত্বেও রোপা আমন ধান চাষাবাদে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ধানের ফলনও হয়েছে ভালো। তিনি বলেন আমাদের দেশের স্বনির্ভরতার সবচেয়ে বড় অর্জন এই ধান । তাই ধান চাষাবাদে সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

মাঠে মাঠে আমন ধানের সোনালি ঝিলিক দেখা যাচ্ছে

আপডেট টাইম : ০৫:০৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঝালকাঠি জেলার অন্যতম কৃষি প্রধান জনপদ কাঠালিয়া উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ানের ফসলের মাঠে এখন সোনালী ধানের ঝিলিক দেখা যাচ্ছে  । কোথাও কোথাও আংশিক আধাপাকা থাকলেও প্রায় মাঠেই এখন ধান পেঁকে সোনালী রূপ ধারণ করেছে। কিছু জায়গায় আগাম ধান কাটতে শুরু করেছে কৃষকরা।

শীর্ঘই উপজেলার সব মাঠেই ধান কাটা-মড়াই এর ধুম পড়ে যাবে। এবার কিছুদিন পূর্বের ঝড়ো হাওয়ায় ফসলের মাঠে বিপর্যয়ের শংকা থাকলে ও বিপর্যয় কাটিয়ে আমনের ভালো ফলন অটুট থাকায় কৃষকদের মুখে হাসি থাকলেও ন্যায্য মূল্য নিয়ে শংকিত কৃষকরা।

জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আশানুরূপ বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় কয়েক বছরের ব্যবধানে এবার রোপা আমন নিয়ে শংকায় ছিল কৃষকরা। তবে শেষের দিকে কয়েক দফা বৃষ্টিপাত ও সবশেষে ঝড়ো হাওয়া আর বৃষ্টি মিলিয়ে আশা নিরাশার দোলায় সকল বৈরিতা কাটিয়ে আমনের ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকরা কিছুটা ক্ষতির কথা জানালেও এমটিই জানালেন কাঠালিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগ।

আবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় উঁচু নিচু সব জায়গাতেই প্রায় ধান চাষ করা হয়েছে। উপজেলার আমুয়া, চেঁচরী রামপুর, ইউনিয়নে প্রতি বছরই কিছু না কিছু আমন ধান বিনষ্ট হতো। তবে সেই অনুপাতে এবার বিপর্যয় অনেকটাই কম বলে জানান উপজেলার দক্ষিন চেঁচরী গ্রামের কৃষক ছাহেদ আলী হাওলাদার।

কাঠালিয়া উপজেলা উপ সকহারি কৃষি কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন জানান, এবার ব্রী-জাত ৫২ ধান বেশী রোপণ করায় ক্ষতির পরিমাণ অনেকটা কমে এসেছে । নিচু এলাকাতে এই ব্রী- ৫২ জাতের ধান চাষ উত্তম। এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এবার ১০ হাজার ৯ শত ৫০ হেক্টর রোপা আমনে লক্ষ্যমাত্রা অটুট আছে বলে তিনি জানান।

তবে এখন কৃষকরা উদগ্রীব ধানের মূল্য নিয়ে। সব বাধাঁ কাটিয়ে ভালো ফলন হলেও ধান কাটা মাড়ার শুরুর মুখেই ধানের বাজার মূল্য কমে যাওয়ায় এলাকার কৃষকেরা অনেকটা হতাশাবোধ করছে।

প্রায় শতাধিক মধ্যবিত্ত কৃষকেরা জানায় রোপা আমন ধানের উপর নির্ভর করে মৌসুমি সবজি রোপণসহ বিভিন্ন রবিশষ্য চাষাবাদ করার লক্ষ্য রয়েছে। ধানের বাজার মূল্য পড়ে গেলে মধ্যবিত্ত কৃষকদের এ লক্ষ্য পূরণ হবে না। কৃষকেরা সরকারের কাছে ধানের নায্য মূল্য দাবি করেন।

কাঠালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা স্বত্বেও রোপা আমন ধান চাষাবাদে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ধানের ফলনও হয়েছে ভালো। তিনি বলেন আমাদের দেশের স্বনির্ভরতার সবচেয়ে বড় অর্জন এই ধান । তাই ধান চাষাবাদে সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে।