ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

লাউ চাষ করে কৃষক লাখপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৪১৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কৃষক লাউ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। বনে গেছেন লাখপতি। ফলে একের সাফল্যে অন্যরা উৎসাহিত হয়ে লাউ চাষ করছেন। এতে বাড়ছে লাউয়ের চাষাবাদ। অল্প খরচে বেশি মুনাফা হওয়ায় লাউ চাষ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ সংশ্লিষ্ট কৃষি অধিদফতরের।

উপজেলার অনন্তরাম উঁচাপাড়া গ্রামের কৃষক লাউ চাষ করে নিজের অভাব ঘুঁচিয়েছেন। পাশাপাশি অন্যদের লাউ চাষে উৎসাহ দিয়ে আসছেন। কৃষক প্রতি বছরের মতো এবারো কৃষি অধিদফতরের পরামর্শে দেড় বিঘা জমিতে লাউয়ের চারা রোপণ করেন। নিজের একমাত্র সম্বল দেড় বিঘা জমিতে ডায়না জাতের লাউয়ের চারা রোপণ করেছেন। তার দেড় বিঘা জমিতে লাউ ধরা পর্যন্ত খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। চলতি মৌসুমে তিনি এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করেছেন।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, লাউ চাষে গোবর, ছাই, কচুরিপানা ও পানিই প্রধান। এসবের বাইরে রাসায়নিক সারের খুব একটা ভূমিকা নেই বললেই চলে। তাই এক বিঘা জমিতে লাউ চাষে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার বেশি খরচ হয় না। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাউ চাষে শ্রমও তুলনামূলক কম দিতে হয়। শীতকালীন সবজি হিসেবে ভোক্তাদের কাছে লাউয়ের প্রচুর চাহিদা এবং বাজার দর ভালো থাকায় প্রতি বিঘা জমির লাউ এক লাখ ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা বিক্রি করা যায়। এ ছাড়া লাউয়ের ডগা বিক্রি করে আসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের কৃষক জানান, লাউ সাধারণত শীতকালীন সবজি হলেও, বর্তমানে শীতের আগে আগাম সবজি হিসেবে লাউ চাষের কদর বেড়েছে। বর্ষার শেষ এবং শীতের শুরুতে কৃষকরা এ লাউ চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। উপজেলা কৃষি অধিদফতরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অবিনাশ চন্দ্র সরকার জানান, এলাকার কৃষকরা আগাম লাউ চাষ করে বেশ লাভবান হওয়ার পাশাপাশি সবজির ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখছেন।

উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আবদুল লতিফ জানান, সেক্সফেরোমন ফাঁদ লাউ, বেগুন, করলা ক্ষেতে আমাদের কৃষকরা ব্যবহার করছেন। এ সম্পর্কে সচেতন হচ্ছে আমাদের উপজেলার মাঠপর্যায়ের কৃষকরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহেদুল হক চৌধুরী জানান, কীটনাশকমুক্ত বিভিন্ন সবজি চাষ করার জন্য কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। আমরা নিয়মিত কৃষকদের মাঠপর্যায়ে সেক্সফেরোমন ফাঁদ সম্পর্কে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

লাউ চাষ করে কৃষক লাখপতি

আপডেট টাইম : ১২:২৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কৃষক লাউ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। বনে গেছেন লাখপতি। ফলে একের সাফল্যে অন্যরা উৎসাহিত হয়ে লাউ চাষ করছেন। এতে বাড়ছে লাউয়ের চাষাবাদ। অল্প খরচে বেশি মুনাফা হওয়ায় লাউ চাষ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ সংশ্লিষ্ট কৃষি অধিদফতরের।

উপজেলার অনন্তরাম উঁচাপাড়া গ্রামের কৃষক লাউ চাষ করে নিজের অভাব ঘুঁচিয়েছেন। পাশাপাশি অন্যদের লাউ চাষে উৎসাহ দিয়ে আসছেন। কৃষক প্রতি বছরের মতো এবারো কৃষি অধিদফতরের পরামর্শে দেড় বিঘা জমিতে লাউয়ের চারা রোপণ করেন। নিজের একমাত্র সম্বল দেড় বিঘা জমিতে ডায়না জাতের লাউয়ের চারা রোপণ করেছেন। তার দেড় বিঘা জমিতে লাউ ধরা পর্যন্ত খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। চলতি মৌসুমে তিনি এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করেছেন।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, লাউ চাষে গোবর, ছাই, কচুরিপানা ও পানিই প্রধান। এসবের বাইরে রাসায়নিক সারের খুব একটা ভূমিকা নেই বললেই চলে। তাই এক বিঘা জমিতে লাউ চাষে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার বেশি খরচ হয় না। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাউ চাষে শ্রমও তুলনামূলক কম দিতে হয়। শীতকালীন সবজি হিসেবে ভোক্তাদের কাছে লাউয়ের প্রচুর চাহিদা এবং বাজার দর ভালো থাকায় প্রতি বিঘা জমির লাউ এক লাখ ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা বিক্রি করা যায়। এ ছাড়া লাউয়ের ডগা বিক্রি করে আসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের কৃষক জানান, লাউ সাধারণত শীতকালীন সবজি হলেও, বর্তমানে শীতের আগে আগাম সবজি হিসেবে লাউ চাষের কদর বেড়েছে। বর্ষার শেষ এবং শীতের শুরুতে কৃষকরা এ লাউ চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। উপজেলা কৃষি অধিদফতরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অবিনাশ চন্দ্র সরকার জানান, এলাকার কৃষকরা আগাম লাউ চাষ করে বেশ লাভবান হওয়ার পাশাপাশি সবজির ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখছেন।

উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আবদুল লতিফ জানান, সেক্সফেরোমন ফাঁদ লাউ, বেগুন, করলা ক্ষেতে আমাদের কৃষকরা ব্যবহার করছেন। এ সম্পর্কে সচেতন হচ্ছে আমাদের উপজেলার মাঠপর্যায়ের কৃষকরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহেদুল হক চৌধুরী জানান, কীটনাশকমুক্ত বিভিন্ন সবজি চাষ করার জন্য কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। আমরা নিয়মিত কৃষকদের মাঠপর্যায়ে সেক্সফেরোমন ফাঁদ সম্পর্কে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করছি।