ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে বক্তব্য দেয়া সহ্য করা হবে না

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৩৯২ বার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তাঁর সরকার কাউকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে বক্তব্য দেয়া মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, জনগণ যার যার ধর্ম পালন করবে। কেউ যদি তার ধর্ম পালন করতে না চায় সেটা তার ব্যাপার। কিন্তু অন্যের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অধিকার তার নেই। তিনি আরো বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে বক্তব্য দেয়া সহ্য করা হবে না এবং এর থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আজ সন্ধ্যায় গণভবনে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে।
শেখ হাসিনা বলেন, প্রত্যেকেরই নিজ নিজ ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। নিজ ধর্মের পাশাপাশি অন্যের ধর্মের প্রতিও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে। এটাই বাস্তবতা এবং আমরা বাংলাদেশে তাই চাই।
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাজল দেব নাথ, সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কুমার দেব, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি রমেশ ঘোষ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জে এল ভৌমিক এবং জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি দেবাশীষ পালিতও বক্তৃতা করেন।
মঞ্চে ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী দুর্বেশানন্দ এবং চট্টগ্রামের স্বামী সুধর্ষানন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৫ ও ২১ আগস্টের অন্যান্য শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এবং মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া ও ক্রেস্ট প্রদান করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে বক্তব্য দেয়া সহ্য করা হবে না

আপডেট টাইম : ১০:০২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তাঁর সরকার কাউকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে বক্তব্য দেয়া মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, জনগণ যার যার ধর্ম পালন করবে। কেউ যদি তার ধর্ম পালন করতে না চায় সেটা তার ব্যাপার। কিন্তু অন্যের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অধিকার তার নেই। তিনি আরো বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে বক্তব্য দেয়া সহ্য করা হবে না এবং এর থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আজ সন্ধ্যায় গণভবনে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে।
শেখ হাসিনা বলেন, প্রত্যেকেরই নিজ নিজ ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। নিজ ধর্মের পাশাপাশি অন্যের ধর্মের প্রতিও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে। এটাই বাস্তবতা এবং আমরা বাংলাদেশে তাই চাই।
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাজল দেব নাথ, সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কুমার দেব, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি রমেশ ঘোষ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জে এল ভৌমিক এবং জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি দেবাশীষ পালিতও বক্তৃতা করেন।
মঞ্চে ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী দুর্বেশানন্দ এবং চট্টগ্রামের স্বামী সুধর্ষানন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৫ ও ২১ আগস্টের অন্যান্য শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এবং মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া ও ক্রেস্ট প্রদান করেন।