ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আজকে যারা সংস্কার-সংস্কার করছেন বিগত ১৭ বছর কোথায় ছিলেন: প্রধানমন্ত্রী নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মুখে নয়, জনগণকে দেয়া ওয়াদা পালন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শোলাকিয়া ঈদগাহের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দুদিন ধরে ‘হাঁটতে পারছেন না’ সাবেক রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভায় আসছে নতুন মুখ, হতে পারে দপ্তর পুনর্বণ্টন মঙ্গলবার চালু হচ্ছে বিআরটিসির ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস তারেক রহমানের টেবিলে ছাত্রদলের নতুন কমিটি, ঘোষণা যেকোনো সময় ডনের পর সামিরা ও আজিজকে গ্রেফতারের দাবি সালমান শাহ ভক্তদের ১১ ঘণ্টায়ও খোঁজ পাওয়া যায়নি স্কুলছাত্রী জুঁইয়ের

আবারো বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭
  • ৩৮৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের ঝাঁজ আবার বেড়েছে, যার আঁচ পড়তে শুরু করেছে খুচরা দোকানগুলোতে। কারওয়ান বাজারের পাইকারি দোকানে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। একই চিত্র শ্যামবাজারের আড়তগুলোতেও।

পাইকারি দোকানে দাম বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে কারওয়ান বাজারের খুচরা দোকানে। সেখানে প্রতিকেজি ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের দাম ৮৫ টাকা হাঁকছেন বিক্রেতারা। এক সপ্তাহ আগে যা ৭০-৭৫ টাকা ছিল। খুচরা দোকানে প্রতিকেজি ভারতীয় পেঁয়াজের দাম চাওয়া হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকা, যা ৫৫ টাকায় নেমেছিল। অবশ্য মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ঢাকার সব বাজারে এখনো পড়েনি।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির কারণ ভারতের বাজার। সেখানে গত এক সপ্তাহে দাম বেড়ে গেছে। অবশ্য আগামী ১০ দিনের মধ্যে দাম কমতে শুরু করবে বলেও মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

দেশের মানুষের অতি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে পেঁয়াজ একটি। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২৪ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা আছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ আমদানি করা হয়, যার অধিকাংশই আসে ভারত থেকে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসেবে গত বছর এ সময় প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ছিল ৪০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ছিল ২৫ টাকা।

দেশে গত মাসের শেষে পেঁয়াজের দর অনেকটা বেড়ে যায়। এরপর তা কমেছিল। এক সপ্তাহ ধরে পাইকারি বাজারে দাম আবার বাড়ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। কারওয়ান বাজারের আড়তের পেঁয়াজ বিক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, পেঁয়াজের বাজারে দামের কোনো ঠিক নেই। এই বাড়ে, এই কমে। তিনি জানান, ৫ কেজি কিনলে তিনি প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজের দাম রাখছেন ৭৮ টাকা। এর চেয়ে বেশি কিনলে দর আরো কিছুটা কম পড়ে। সপ্তাহখানেক আগে দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৬৫ টাকায় নেমেছিল বলে জানান তিনি।

কারওয়ান বাজারের আড়তে ভারতীয় বড় পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫৫-৫৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা ৪৫ টাকায় নেমেছিল।

আড়ত থেকে কিছুটা দূরে খুচরা দুই বিক্রেতা মনির হোসেন ও মামুন হোসেন কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ৮৫ টাকা এবং ভারতীয় বড় পেঁয়াজ ৬৫-৭০ টাকা দাম চান। এক সপ্তাহের মধ্যে এ দাম বেড়েছে।

শ্যামবাজারের পেঁয়াজের আড়ত নবীন ট্রেডার্সের মালিক নারায়ণ চন্দ্র সাহা পেঁয়াজের বাজার নিয়ে একই ধরনের পূর্বাভাস দেন। তিনি বলেন, ভারতের নাসিকে নতুন পেঁয়াজ উঠছে। তবে পরিপক্ব হয়নি। কিছুদিন পরেই পরিপক্ব পেঁয়াজ বাংলাদেশে আমদানি শুরু হবে। তখন দাম ৩০-৩৫ টাকায় নামবে।

দেশে সাধারণত নভেম্বরের শেষ দিকে মুড়িকাটা পেঁয়াজ ওঠা শুরু হয়। এ বছর বৃষ্টিতে আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত ও বাজারে সরবরাহের সময় পিছিয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আজকে যারা সংস্কার-সংস্কার করছেন বিগত ১৭ বছর কোথায় ছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

আবারো বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

আপডেট টাইম : ১২:৪২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের ঝাঁজ আবার বেড়েছে, যার আঁচ পড়তে শুরু করেছে খুচরা দোকানগুলোতে। কারওয়ান বাজারের পাইকারি দোকানে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। একই চিত্র শ্যামবাজারের আড়তগুলোতেও।

পাইকারি দোকানে দাম বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে কারওয়ান বাজারের খুচরা দোকানে। সেখানে প্রতিকেজি ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের দাম ৮৫ টাকা হাঁকছেন বিক্রেতারা। এক সপ্তাহ আগে যা ৭০-৭৫ টাকা ছিল। খুচরা দোকানে প্রতিকেজি ভারতীয় পেঁয়াজের দাম চাওয়া হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকা, যা ৫৫ টাকায় নেমেছিল। অবশ্য মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ঢাকার সব বাজারে এখনো পড়েনি।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির কারণ ভারতের বাজার। সেখানে গত এক সপ্তাহে দাম বেড়ে গেছে। অবশ্য আগামী ১০ দিনের মধ্যে দাম কমতে শুরু করবে বলেও মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

দেশের মানুষের অতি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে পেঁয়াজ একটি। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২৪ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা আছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ আমদানি করা হয়, যার অধিকাংশই আসে ভারত থেকে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসেবে গত বছর এ সময় প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ছিল ৪০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ছিল ২৫ টাকা।

দেশে গত মাসের শেষে পেঁয়াজের দর অনেকটা বেড়ে যায়। এরপর তা কমেছিল। এক সপ্তাহ ধরে পাইকারি বাজারে দাম আবার বাড়ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। কারওয়ান বাজারের আড়তের পেঁয়াজ বিক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, পেঁয়াজের বাজারে দামের কোনো ঠিক নেই। এই বাড়ে, এই কমে। তিনি জানান, ৫ কেজি কিনলে তিনি প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজের দাম রাখছেন ৭৮ টাকা। এর চেয়ে বেশি কিনলে দর আরো কিছুটা কম পড়ে। সপ্তাহখানেক আগে দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৬৫ টাকায় নেমেছিল বলে জানান তিনি।

কারওয়ান বাজারের আড়তে ভারতীয় বড় পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫৫-৫৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা ৪৫ টাকায় নেমেছিল।

আড়ত থেকে কিছুটা দূরে খুচরা দুই বিক্রেতা মনির হোসেন ও মামুন হোসেন কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ৮৫ টাকা এবং ভারতীয় বড় পেঁয়াজ ৬৫-৭০ টাকা দাম চান। এক সপ্তাহের মধ্যে এ দাম বেড়েছে।

শ্যামবাজারের পেঁয়াজের আড়ত নবীন ট্রেডার্সের মালিক নারায়ণ চন্দ্র সাহা পেঁয়াজের বাজার নিয়ে একই ধরনের পূর্বাভাস দেন। তিনি বলেন, ভারতের নাসিকে নতুন পেঁয়াজ উঠছে। তবে পরিপক্ব হয়নি। কিছুদিন পরেই পরিপক্ব পেঁয়াজ বাংলাদেশে আমদানি শুরু হবে। তখন দাম ৩০-৩৫ টাকায় নামবে।

দেশে সাধারণত নভেম্বরের শেষ দিকে মুড়িকাটা পেঁয়াজ ওঠা শুরু হয়। এ বছর বৃষ্টিতে আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত ও বাজারে সরবরাহের সময় পিছিয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।