ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

শীতের সবজি উঠলেও কাঁচাবাজারে প্রভাব পড়েনি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৭
  • ৩৪৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শীতকালীন সবজি উঠলেও রাজধানীর কাঁচাবাজারে এখনো প্রভাব পড়েনি সবজির দামে। নতুন সবজির সরবরাহ বেড়েছে তবে দাম কমেনি। বলা চলে সবজির দামটা জেঁকে বসে আছে আগের জায়গাতেই। বিগত বছরগুলোতে এ সময়টায় সবজির দাম যা হয়, সে তুলনায় এবারে সবজির দাম অনেক বেশি। এক কথায় বলে চলে কাঁচাবাজারের দামের আগুন এখনো নেভেনি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারদের নিজস্ব সিন্ডিকেটের কারণে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আর পাইকারি বাজারে দাম না কমলে খুচরা বাজারেও দাম কমানো সম্ভব নয়। শুক্রবার রাজধানীর হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি বেগুন ৭০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতিটি ৫০ টাকা, ঝিঙা ৫০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৫০ টাকা, ধনেপাতা ১৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, সিম ১০০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, আলু ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, প্রতি পিস বাধাকপি ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা, প্রতি পিস ফুলকপি ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাজারীবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা মাছুম বলেন, সবজির দাম বর্তমানে যা আছে এর থেকে আর কমবে কি না তা বলা যাচ্ছে না। পাইকারি বাজার থেকে আমাদের এখনো বেশি দামেই সবজি কিনে আনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। এ ছাড়া দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৮০ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ ৬০ টাকা, দেশি রসুন ৮০ টাকা, আমদানি করা রসুন ৮৫ টাকা, চিনি ৫৫ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, আমদানি করা মসুর ডাল কেজি প্রতি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ২ টাকা বেড়ে বৃদ্ধি বিক্রি হচ্ছে ৬২ টাকায়। আর বিআর-২৮ কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা ও স্বর্ণা ও পারিজা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকায়। মাংসের বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৩৫ টাকা, লেয়ার মুরগি প্রতি পিস আকারভেদে ১৫০ থেকে ২২০ টাকা ও পাকিস্তানি মুরগি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছ ২৩০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতল মাছ ২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ টাকা, পাঙ্গাশ মাছ ১৩০ টাকা, সিলভার কার্প ১৪০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা ও বোয়াল ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

শীতের সবজি উঠলেও কাঁচাবাজারে প্রভাব পড়েনি

আপডেট টাইম : ০৩:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শীতকালীন সবজি উঠলেও রাজধানীর কাঁচাবাজারে এখনো প্রভাব পড়েনি সবজির দামে। নতুন সবজির সরবরাহ বেড়েছে তবে দাম কমেনি। বলা চলে সবজির দামটা জেঁকে বসে আছে আগের জায়গাতেই। বিগত বছরগুলোতে এ সময়টায় সবজির দাম যা হয়, সে তুলনায় এবারে সবজির দাম অনেক বেশি। এক কথায় বলে চলে কাঁচাবাজারের দামের আগুন এখনো নেভেনি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারদের নিজস্ব সিন্ডিকেটের কারণে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আর পাইকারি বাজারে দাম না কমলে খুচরা বাজারেও দাম কমানো সম্ভব নয়। শুক্রবার রাজধানীর হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি বেগুন ৭০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতিটি ৫০ টাকা, ঝিঙা ৫০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৫০ টাকা, ধনেপাতা ১৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, সিম ১০০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, আলু ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, প্রতি পিস বাধাকপি ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা, প্রতি পিস ফুলকপি ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাজারীবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা মাছুম বলেন, সবজির দাম বর্তমানে যা আছে এর থেকে আর কমবে কি না তা বলা যাচ্ছে না। পাইকারি বাজার থেকে আমাদের এখনো বেশি দামেই সবজি কিনে আনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। এ ছাড়া দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৮০ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ ৬০ টাকা, দেশি রসুন ৮০ টাকা, আমদানি করা রসুন ৮৫ টাকা, চিনি ৫৫ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, আমদানি করা মসুর ডাল কেজি প্রতি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ২ টাকা বেড়ে বৃদ্ধি বিক্রি হচ্ছে ৬২ টাকায়। আর বিআর-২৮ কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা ও স্বর্ণা ও পারিজা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকায়। মাংসের বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৩৫ টাকা, লেয়ার মুরগি প্রতি পিস আকারভেদে ১৫০ থেকে ২২০ টাকা ও পাকিস্তানি মুরগি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছ ২৩০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতল মাছ ২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ টাকা, পাঙ্গাশ মাছ ১৩০ টাকা, সিলভার কার্প ১৪০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা ও বোয়াল ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।