ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

নারীসেনা নিয়োগে কুমারীত্ব পরীক্ষা বন্ধের দাবি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৫৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০১৫
  • ৬৩৩ বার
নারীসেনা নিয়োগের ক্ষেত্রে ইন্দোনেশিয়ায় প্রচলিত ‘কুমারীত্ব’ পরীক্ষাকে নিষ্ঠুর ও অমানবিক উল্লেখ করে তা পরিহারের দাবি উঠেছে।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এ পদ্ধতিকে ‘মানবতার অধঃপতন’ বলে আখ্যায়িত করেছে।
ইন্দোনেশিয়ায় সেনা নিয়োগে নারীদের ক্ষেত্রে ‘টু ফিঙ্গার’ টেস্ট প্রচলিত রয়েছে। দেশটির সেনা সদস্য হতে হলে কিংবা কোনো সেনা কর্মকর্তাকে বিয়ে করার ক্ষেত্রে নারীদের এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয় বলে জানায় এইচআরডব্লিউ।
এক বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ বলে, এ ধরণের কার্যক্রম এই মুহূর্তে বন্ধ করে দেওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, এটি একটি নিষ্ঠুর ও অমানবিক পদ্ধতি।
এদিকে, ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনী এই পদ্ধতির সমর্থন করে নিয়োগের ক্ষেত্রে তা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছে।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, নীতিভ্রষ্ট মানুষ সেনাবাহিনীতে চলে আসলে তা বাহিনীর জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তবে বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের এমন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনী।
এর আগে গত বছর দেশটির পুলিশ বাহিনীতেও নিয়োগের ক্ষেত্রে মেয়েদের ‘কুমারীত্ব’ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়, যা ব্যাপক সমালোচিত হয়।
এইচআরডব্লিউ বলে, এই পরীক্ষা আসলে ‘লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা’। সেই সঙ্গে একজন নারীর কুমারীত্ব প্রমাণের বিষয়টিও বৈজ্ঞানিকভাবে ভিত্তিহীন।
ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ জাভায় বর্তমানে সেনাবাহিনীতে কর্মরত কিংবা নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে এমন ১১ জন নারীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে এইচআরডব্লিউ। তাদের সবাইকে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কুমারীত্ব পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে।
সাক্ষাৎকার দাতা প্রত্যেক নারীই জানান, ওই পরীক্ষা সত্যিকার অর্থেই অত্যন্ত বেদনাদায়ক, বিব্রতকর ও ক্ষত সৃষ্টিকারী।
মানবাধিকার সংগঠনটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ২০১৩ সালে সেনা নিয়োগে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এক নারী বলেন, পরীক্ষার সময় নিজেকে অপদস্থ হচ্ছি বলে মনে হচ্ছিল আমার।
তার কুমারীত্ব পরীক্ষাকারী চিকিৎসক একজন পুরুষ ছিলেন জানিয়ে ওই নারী বলেন, এটা দেখে আমি প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়েছিলাম।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

নারীসেনা নিয়োগে কুমারীত্ব পরীক্ষা বন্ধের দাবি

আপডেট টাইম : ০৪:৫৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০১৫
নারীসেনা নিয়োগের ক্ষেত্রে ইন্দোনেশিয়ায় প্রচলিত ‘কুমারীত্ব’ পরীক্ষাকে নিষ্ঠুর ও অমানবিক উল্লেখ করে তা পরিহারের দাবি উঠেছে।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এ পদ্ধতিকে ‘মানবতার অধঃপতন’ বলে আখ্যায়িত করেছে।
ইন্দোনেশিয়ায় সেনা নিয়োগে নারীদের ক্ষেত্রে ‘টু ফিঙ্গার’ টেস্ট প্রচলিত রয়েছে। দেশটির সেনা সদস্য হতে হলে কিংবা কোনো সেনা কর্মকর্তাকে বিয়ে করার ক্ষেত্রে নারীদের এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয় বলে জানায় এইচআরডব্লিউ।
এক বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ বলে, এ ধরণের কার্যক্রম এই মুহূর্তে বন্ধ করে দেওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, এটি একটি নিষ্ঠুর ও অমানবিক পদ্ধতি।
এদিকে, ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনী এই পদ্ধতির সমর্থন করে নিয়োগের ক্ষেত্রে তা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছে।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, নীতিভ্রষ্ট মানুষ সেনাবাহিনীতে চলে আসলে তা বাহিনীর জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তবে বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের এমন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনী।
এর আগে গত বছর দেশটির পুলিশ বাহিনীতেও নিয়োগের ক্ষেত্রে মেয়েদের ‘কুমারীত্ব’ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়, যা ব্যাপক সমালোচিত হয়।
এইচআরডব্লিউ বলে, এই পরীক্ষা আসলে ‘লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা’। সেই সঙ্গে একজন নারীর কুমারীত্ব প্রমাণের বিষয়টিও বৈজ্ঞানিকভাবে ভিত্তিহীন।
ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ জাভায় বর্তমানে সেনাবাহিনীতে কর্মরত কিংবা নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে এমন ১১ জন নারীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে এইচআরডব্লিউ। তাদের সবাইকে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কুমারীত্ব পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে।
সাক্ষাৎকার দাতা প্রত্যেক নারীই জানান, ওই পরীক্ষা সত্যিকার অর্থেই অত্যন্ত বেদনাদায়ক, বিব্রতকর ও ক্ষত সৃষ্টিকারী।
মানবাধিকার সংগঠনটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ২০১৩ সালে সেনা নিয়োগে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এক নারী বলেন, পরীক্ষার সময় নিজেকে অপদস্থ হচ্ছি বলে মনে হচ্ছিল আমার।
তার কুমারীত্ব পরীক্ষাকারী চিকিৎসক একজন পুরুষ ছিলেন জানিয়ে ওই নারী বলেন, এটা দেখে আমি প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়েছিলাম।