ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই লাখ রোহিঙ্গার দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস তুরস্কের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০০:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৭
  • ৫১৬ বার
হাওর বার্তা ডেস্কঃ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে দুই লাখের থাকা, খাওয়াসহ সব ধরনের দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে তুরস্ক। কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে এক হাজার থেকে ১২০০ একর জমিতে ‘টার্কিশ জোনে’ এসব রোহিঙ্গাকে সহায়তা করার আশ্বাস দিয়েছে দেশটি।
সচিবালয়ে গতকাল রবিবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সঙ্গে ঢাকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ডেভরিম ওজতুর্ক সাক্ষাত্ করে এ আশ্বাস দেন।
মন্ত্রী মায়া বলেন, টার্কিশ জোন হিসেবে তারা জায়গাটা চিহ্নিত করেছেন। এই জোনে ৫০ হাজার শেড করে দুই লাখ রোহিঙ্গার থাকার ব্যবস্থা হবে। ওই জায়গায় যা কিছু প্রয়োজন খাওয়া, থাকা, চিকিত্সা, টিউবওয়েল, বিশুদ্ধ পানি, শেড সব দায়িত্ব তারা নেবেন বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।
মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা শিবিরে ৫০ হাজার শৌচাগার প্রয়োজন। ইউনিসেফ ১০ হাজার এবং বাংলাদেশ সরকার ৯ হাজার নির্মাণ করবে। বাকি ৩০ হাজারের মধ্যে ২০ হাজার শৌচাগার তারা তৈরি করে দেবে বলে আশ্বস্ত করেছে। তাদের সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী বৈঠকে জানাবেন।
মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত দুই লাখ ৪২ হাজার রোহিঙ্গার নিবন্ধন শেষ হয়েছে। নভেম্বরের মধ্যে ছয় লাখ রোহিঙ্গার নিবন্ধন শেষ হবে। তখন সুনির্দিষ্ট করে বলা যাবে কত রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব মো. শাহ কামাল এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (রোহিঙ্গা সেল) হাবিবুল কবির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই লাখ রোহিঙ্গার দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস তুরস্কের

আপডেট টাইম : ১১:০০:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৭
হাওর বার্তা ডেস্কঃ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে দুই লাখের থাকা, খাওয়াসহ সব ধরনের দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে তুরস্ক। কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে এক হাজার থেকে ১২০০ একর জমিতে ‘টার্কিশ জোনে’ এসব রোহিঙ্গাকে সহায়তা করার আশ্বাস দিয়েছে দেশটি।
সচিবালয়ে গতকাল রবিবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সঙ্গে ঢাকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ডেভরিম ওজতুর্ক সাক্ষাত্ করে এ আশ্বাস দেন।
মন্ত্রী মায়া বলেন, টার্কিশ জোন হিসেবে তারা জায়গাটা চিহ্নিত করেছেন। এই জোনে ৫০ হাজার শেড করে দুই লাখ রোহিঙ্গার থাকার ব্যবস্থা হবে। ওই জায়গায় যা কিছু প্রয়োজন খাওয়া, থাকা, চিকিত্সা, টিউবওয়েল, বিশুদ্ধ পানি, শেড সব দায়িত্ব তারা নেবেন বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।
মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা শিবিরে ৫০ হাজার শৌচাগার প্রয়োজন। ইউনিসেফ ১০ হাজার এবং বাংলাদেশ সরকার ৯ হাজার নির্মাণ করবে। বাকি ৩০ হাজারের মধ্যে ২০ হাজার শৌচাগার তারা তৈরি করে দেবে বলে আশ্বস্ত করেছে। তাদের সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী বৈঠকে জানাবেন।
মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত দুই লাখ ৪২ হাজার রোহিঙ্গার নিবন্ধন শেষ হয়েছে। নভেম্বরের মধ্যে ছয় লাখ রোহিঙ্গার নিবন্ধন শেষ হবে। তখন সুনির্দিষ্ট করে বলা যাবে কত রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব মো. শাহ কামাল এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (রোহিঙ্গা সেল) হাবিবুল কবির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।