ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনাহার অসুস্থতা করে দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৭
  • ৩৫৩ বার
হাওর বার্তা ডেস্কঃ কক্সবাজার সীমান্তে নতুন করে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা, দুদিনের বেশী সময় ধরে খোলা আকাশের নিচে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে একের পর এক অসুস্থ হয়ে পড়ছে। শিশু ও বৃদ্ধদের অবস্থা সবচাইতে সোচনীয়। এদের আনুমানিক সংখ্যা ১৫ হাজার বলে উল্লেখ করেছেন কর্মকর্তারা, যদিও তাদের গণনা ও যাচাই বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়নি এখনো। এদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পিতৃমাতৃহীন শিশুও রয়েছে বলে প্রাথমিক হিসেবে জানা গেছে।
ধানক্ষেতের আলের উপর খোলা জায়গায় তাদের থাকতে হচ্ছে। কেউ কেউ সংগে আনা পলিথিন টানিয়ে একটু ছাউনি তৈরি করেছেন। রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে অনেকেই অসুস্থ হয়ে গেছেন। কয়েকজন তরুণকে দেখা গেল বৃদ্ধা পিতা-মাতাকে কাঁধে করে নিয়ে ছুটছেন চিকিৎসার আশায়।

এক জায়গায় জড়ো হয়েছেন কিছু পিতামাতা। তাদের কোলে কয়েকটি শিশু, সবাই অসুস্থ। এদের মধ্যে মামুনুর নামে একজন বছর দুয়েকের একটি শিশুকে কোলে নিয়ে বিজিবির সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবার চেষ্টা করছিলেন। শিশুটি নির্জিব হয়ে পড়েছে, দেখেই বোঝা যাচ্ছে। মামুনুর বলছিলেন, ‘বৃষ্টিতে ভিজে আর রোদে শুকিয়ে তার শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এখন তার ডায়রিয়ার লক্ষ্মণ দেখা দিয়েছে’।
তার পাশে আরো দুজন মহিলা শিশু কোলে নিয়ে দাড়িয়ে ছিলেন, তাদেরও একই অবস্থা। নির্জীব। পানিশূন্যতার লক্ষ্মণ স্পষ্ট। একজন গর্ভবতী মায়ের সাথে কথা হল। তার পা ফুলে ঢোল হয়ে গেছে। বলছিলেন, ৫ দিন ধরে হাটছেন তিনি। আর পারছেন না। পুরো একটি দিন না খেয়ে আছেন তিনি।বিবিসি
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

অনাহার অসুস্থতা করে দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের

আপডেট টাইম : ১১:০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৭
হাওর বার্তা ডেস্কঃ কক্সবাজার সীমান্তে নতুন করে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা, দুদিনের বেশী সময় ধরে খোলা আকাশের নিচে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে একের পর এক অসুস্থ হয়ে পড়ছে। শিশু ও বৃদ্ধদের অবস্থা সবচাইতে সোচনীয়। এদের আনুমানিক সংখ্যা ১৫ হাজার বলে উল্লেখ করেছেন কর্মকর্তারা, যদিও তাদের গণনা ও যাচাই বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়নি এখনো। এদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পিতৃমাতৃহীন শিশুও রয়েছে বলে প্রাথমিক হিসেবে জানা গেছে।
ধানক্ষেতের আলের উপর খোলা জায়গায় তাদের থাকতে হচ্ছে। কেউ কেউ সংগে আনা পলিথিন টানিয়ে একটু ছাউনি তৈরি করেছেন। রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে অনেকেই অসুস্থ হয়ে গেছেন। কয়েকজন তরুণকে দেখা গেল বৃদ্ধা পিতা-মাতাকে কাঁধে করে নিয়ে ছুটছেন চিকিৎসার আশায়।

এক জায়গায় জড়ো হয়েছেন কিছু পিতামাতা। তাদের কোলে কয়েকটি শিশু, সবাই অসুস্থ। এদের মধ্যে মামুনুর নামে একজন বছর দুয়েকের একটি শিশুকে কোলে নিয়ে বিজিবির সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবার চেষ্টা করছিলেন। শিশুটি নির্জিব হয়ে পড়েছে, দেখেই বোঝা যাচ্ছে। মামুনুর বলছিলেন, ‘বৃষ্টিতে ভিজে আর রোদে শুকিয়ে তার শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এখন তার ডায়রিয়ার লক্ষ্মণ দেখা দিয়েছে’।
তার পাশে আরো দুজন মহিলা শিশু কোলে নিয়ে দাড়িয়ে ছিলেন, তাদেরও একই অবস্থা। নির্জীব। পানিশূন্যতার লক্ষ্মণ স্পষ্ট। একজন গর্ভবতী মায়ের সাথে কথা হল। তার পা ফুলে ঢোল হয়ে গেছে। বলছিলেন, ৫ দিন ধরে হাটছেন তিনি। আর পারছেন না। পুরো একটি দিন না খেয়ে আছেন তিনি।বিবিসি